আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ইমাম জাফর বিন মুহাম্মদ আস-সাদিক (আ.)
ইসলাম ইমাম জা'ফর আস সাদিক (আ.)'র কাছে চিরঋণী

ইসলাম ইমাম জা'ফর আস সাদিক (আ.)'র কাছে চিরঋণী

১৪৮ হিজরির ২৫ শাওয়াল ইসলামের ইতিহাসে এক গভীর শোকাবহ দিন। কারণ, এই দিনে শাহাদত বরণ করেন মুসলিম বিশ্বের প্রাণপ্রিয় প্রবাদপুরুষ ইমাম আবু আব্দুল্লাহ জাফর আস সাদিক (আ.)। ইসলাম ও এর প্রকৃত শিক্ষা তাঁর কাছে চিরঋণী

ইমামত
বেলায়েতের আয়াতের ব্যাকরণগত দিক সম্পর্কে একটি গবেষণামূলক বিশ্লেষণ

বেলায়েতের আয়াতের ব্যাকরণগত দিক সম্পর্কে একটি গবেষণামূলক বিশ্লেষণ

কালামশাস্ত্রে আয়াত এবং রেওয়ায়েতসমূহের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত দিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনুরূপ ভাবে বেলায়েত ও নেতৃত্বের বিষয়টিও কালামশাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে পরিগণিত হয়। এই লেখনীতে বেলায়েতের আয়াত (সূরা মায়েদার ৫৫ নং আয়াত) সম্পর্কে দু’দল কালাম শাস্ত্রবিদ তাদের মতের সপক্ষে যে সকল ব্যাকরণগত যুক্তি উপস্থাপন করেছেন তার মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

হযরত আলী (আ.)
গাদীরের হাদীস এবং আলী (আ.)-এর খেলাফত

গাদীরের হাদীস এবং আলী (আ.)-এর খেলাফত

রাসূল (সা.) ভয় পেতেন যে, তার মৃত্যুর পর হয়ত জনতার এ সমষ্টি ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়বে এবং তাদের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ঐক্য লোপ পাবে ও পুনরায় অধঃপতিত হবে। রাসূল (সা.) খুব ভাল করেই জানতেন যে, মুসলিম উম্মাহর জন্য এক ন্যায়পরায়ণ ও জ্ঞানী ইমামের পথ নির্দেশনা অতি জরুরী। আর এমনটি না হলে তাঁর দীর্ঘ দিনের মূল্যবান শ্রম বৃথা যাবে। এ কারণেই মহানবী (সা.) যখনই সফর অথবা যুদ্ধের জন্যে মদীনার বাইরে যেতেন, এমনকি সে সফর সংক্ষিপ্ত হলেও তিনি বিশ্বস্ত এবং যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব অর্পণ করতেন এবং মদীনার জনগণকে অভিভাবকহীন রেখে যেতেন না।

ধর্ম এবং মাযহাব
পবিত্র কোরআনের সঙ্গে আহলে বাইতের সম্পর্ক

পবিত্র কোরআনের সঙ্গে আহলে বাইতের সম্পর্ক

পবিত্র কোরআন, হাদীস এবং বিভিন্ন ইসলামী গ্রন্থে কাদেরকে আহলে বাইত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে? এবং কোরআনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কি? আদি কাল থেকেই এ বিষয়টা নিয়ে মুফাসসিরগণ ও কালাম শাস্ত্রবিদগণ বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও পর্যালোচনা করে আসছেন। এ ব্যাপারে অনেক গ্রন্থও রচিত হয়েছে। এই লেখনিগুলো থেকে পরিস্কারভাবে বোঝা যায় যে, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর পরিবারের কিছুসংখ্যক সদস্যকে আহলে বাইত বলা হয়েছে।

নবুয়্যত
নবী রাসূল প্রেরণের প্রয়োজনীয়তা

নবী রাসূল প্রেরণের প্রয়োজনীয়তা

নবীরা হচ্ছেন ঐশী শিক্ষক যাঁরা মানব জাতিকে শিক্ষা দেয়ার জন্য প্রেরিত হয়েছেন। যেমনিভাবে একটি শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক বিদ্যালয়,কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা অর্জন করার সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক স্কুলশিক্ষক,প্রভাষক ও অধ্যাপকদের কাছে বিভিন্ন বিষয় শিক্ষা লাভ ও জ্ঞানার্জন করে ঠিক তেমনি মানব জাতি নবীদের আদর্শিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে এবং মহান নবীদের শিক্ষামালার সমান্তরালে তাদের নৈতিক চরিত্র এবং সামাজিক আচরণাদিও পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়ে থাকে।  

আল্লাহর একত্ববাদ
তাওহীদের মর্মবাণী-১ম কিস্তি

তাওহীদের মর্মবাণী-১ম কিস্তি

তাওহীদ মানে বিশ্বলোকে বিরাজমান সকল নেয়ামত-সকল ধন-সম্পদের নিরঙ্কুশ ও প্রকৃত মালিক হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। অন্য কেউই কোন কিছুর স্বাধীন মালিক নয়,বরং সব কিছু মানুষের হাতে আমানতস্বরূপ;নিজেদের পূর্ণতা ও উন্নতির জন্য নিজেরা এসব থেকে ফায়দা ও সহায়তা গ্রহণ করবে।

আল্লাহর একত্ববাদ
তাওহীদের মর্মবাণী (শেষ কিস্তি)

তাওহীদের মর্মবাণী (শেষ কিস্তি)

যে মতাদর্শ কেবল অতিপ্রাকৃতিক বিষয়াদির বিশ্লেষণ করে এবং বড় জোর চারিত্রিক ও আধ্যাত্মিক তত্ত্ব হিসেবে পরিগণিত হয় তাকে একটি হালকা সূক্ষ্ম বস্তুর সাথে তুলনা করা চলে না যা জীবন গঠনমূলক ইসলামী আদর্শের বিশাল দেহকে একটি সমাজ পদ্ধতি হিসেবে কাঁধে তুলে নিতে সক্ষম নয়।

ধর্ম এবং মাযহাব
সর্বশেষ ধর্মীয় ঐক্য (শেষ পর্ব)

সর্বশেষ ধর্মীয় ঐক্য (শেষ পর্ব)

আমরা দেখতে পাই যে,ঐশ্বরিক রিসালত ও ধর্মসমূহ এবং এগুলোর মধ্যে সর্বশেষ ধর্ম ও রিসালত বিধি-বিধান ও আইন প্রণয়নের ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তবে সর্বশেষ রিসালতের (ইসলাম ধর্ম) ক্ষেত্রে এ গুরুত্ব ও মনোযোগ সবচেয়ে ব্যাপক ও সবচেয়ে স্পষ্ট। আর এটি নিঃসন্দেহে সমগ্র মানব জাতির ঐক্য বাস্তবায়ন এবং এ পর্যায়ে মূল্যবোধসমূহের পদদলিত ও লঙ্ঘিত (হওয়া) এবং এগুলো ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে মতভেদ ও পার্থক্য সৃষ্টি হওয়ার কারণে মানব সমাজ যে মতবিরোধ ও অনৈক্যের শিকার হয়েছে তা প্রতিকার ও নিরসন করার জন্যই। মানুষের সমুদয় কর্মকাণ্ড,প্রকৃতিজগৎ ও স্বজাতির সাথে তার সকল সম্পর্ক নিয়মিত ও সুশৃঙ্খলকারী শরীয়তসহ ঐশী প্রত্যাদেশ অবতীর্ণ হয়েছে। ঠিক তদ্রূপ মানুষের কর্মকাণ্ড ও অগ্রগতির পথে যে সব সমস্যা ও মতভেদ,অনৈক্য ও বিরোধের উদ্ভব হয় সেগুলোও এ শরীয়ত সমাধান করে দেয়।

ধর্ম এবং মাযহাব
সর্বশেষ ধর্মীয় ঐক্য -১ম পর্ব

সর্বশেষ ধর্মীয় ঐক্য -১ম পর্ব

সর্বশেষ ঐশ্বরিক রিসালত কতগুলো প্রধান মৌল বিষয় ও ভিত্তির ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছে। যাতে করে মানব সমাজ এক অবিভক্ত সমাজে পুনঃরূপান্তরিত হতে পারে সেজন্য পবিত্র ইসলাম ধর্ম এ সব মৌল বিষয় ও ভিত্তির মাধ্যমে মানব সমাজে বিদ্যমান অনৈক্য ও বিভেদের সুষ্ঠু সমাধান ও প্রতিকার বিধান করার চেষ্টা চালিয়েছে। তাই এ সব ভিত্তি ও মূলনীতিকে নিম্নোক্ত পাঁচটি উপাদান ও মৌলে বিভক্ত করা যায়।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)