আল হাসানাইন (আ.)

কোরআনের তাফসীর

সূরা আত তাওবা; (১৯তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৯তম পর্ব)

ইসলামী বিধান এবং ঈমানদার মুসলমানদের নিয়ে বিদ্রুপ বা উপহাস করা অত্যন্ত জঘন্য পাপ, যা বিদ্রুপকারীকে কুফরিতে নিমজ্জিত করে। ফলে এ ধরনের পাপাচারী সৎপথে ফিরে আসার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। এই আয়াতে এটাই বুঝানো হয়েছে যে, আল্লাহ ও তার নবী-রাসূলরা ক্ষমার ব্যাপারে কোনো কার্পণ্য করেন না। কিন্তু কিছু মানুষ এতবেশি অন্যায় ও পাপে লিপ্ত হয় যে তারা ক্ষমা লাভের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২০তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২০তম পর্ব) সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের প্রাচুর্য সব সময় সবার জন্য কল্যাণ ও প্রশান্তি বয়ে আনে না। এসব অনেকের জন্য অশান্তি ও ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই কারো বাহ্যিক প্রতিপত্তি দেখে হীনমন্যতায় ভোগা উচিত নয়। কারণ মানসিক ও পারিবারিক প্রশান্তিই মানুষের বড় সফলতা। সম্পদের আধিক্য সব সময় এই প্রশান্তি বয়ে আনতে পারে না।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৮তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৮তম পর্ব) আসলে মুখ এবং আচরণে যদি কপটতা থাকে তাহলে এক সময় মানুষের অন্তর ও স্বভাব কপটতায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। দরিদ্র এবং অসহায়-নিঃস্ব মানুষকে দান করার ব্যাপারে যারা কার্পণ্য করে তারা দুনিয়ার জীবনেই অশান্তি ও দুঃখ-যাতনায় নিষ্পেষিত হয়। এ জন্য আল্লাহর অনুগ্রহের ব্যাপারে কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৭তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৭তম পর্ব) সৎকাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং অসৎকাজে বিরত রাখা ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এই বিধানের কারণে ব্যক্তিগত পর্যায়ের বাইরেও সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের প্রতি দৃষ্টি রাখা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৬তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৬তম পর্ব) মুনাফিকদের মৌলিক বৈশিষ্ট্যের কয়েকটি হচ্ছে, তারা ঈমানদার মুসলমানদেরকে অবজ্ঞা করে, তাদের ভাল কাজ নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে, পাপাচারীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে এবং তাদের কাজকর্মকে আদর্শ ও আধুনিক বলে মনে করে। মুনাফিক বা কপট চরিত্রের মানুষের এসব আচরণের ফলে সমাজের অন্যান্য মানুষ ভালো কাজের ব্যাপারে নিরুতসাহিত হয় এবং অসত কাজের ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হয়।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৫তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৫তম পর্ব) ধর্মীয় বিশ্বাসের অপব্যবহার কপট বা মুনাফিক চরিত্রের মানুষের একটি সাধারণ অভ্যাস। ঈমানদার মুসলমানদের লক্ষ্য হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। কিন্তু মুনাফিকদের উদ্দেশ্য ঠিক এর উল্টো। তাদের সব কাজের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৪তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৪তম পর্ব) আল্লাহতালা ধনীদের সম্পদে গরীবের অধিকার সংরক্ষণ করেছেন। ধনীরা যদি ঠিকমত যাকাত আদায় করে তাহলে সমাজে দারিদ্র অভাব অনটন এত বেশি দেখা দিত না। আসলে যাকাত সম্পদের ভারসাম্য এবং ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার ব্যবধান কমিয়ে আনে। এ ছাড়া যাকাত প্রদানের ফলে মানুষের মনে দানশীলতা এবং ভালোবাসার এক স্বর্গীয় অনুভূতি জাগ্রত হয়। ফলে দুনিয়াদারী এবং বৈষয়িক বিষয়ে মানুষের ঝোঁকপ্রবণতা নিয়ন্ত্রিত হয়। কাজেই দারিদ্র বিমোচন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যাকাত হচ্ছে অত্যন্ত কার্যকরী এবং ফলপ্রদ একটি ইসলামী বিধান।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৩তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৩তম পর্ব) আসলে অনেক কিছুই বাহ্যিকভাবে কল্যাণকর মনে হলেও বাস্তবে তা অকল্যাণই বয়ে আনে। সন্তানসন্ততি ও সম্পদ আল্লাহর নেয়াতম হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় এসব প্রশান্তি ও কল্যাণকর হয়ে ওঠে না।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১১তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১১তম পর্ব) আসলে ধর্মীয় ও সামাজিক আচার অনুষ্ঠান দিয়ে প্রকৃত মুমিন-মুত্তাকী যাচাই করা সম্ভব নয়। একমাত্র জিহাদের ময়দানেই প্রকৃত মুমিন মুত্তাকী চেনা সম্ভব। যিনি প্রকৃত মুত্তাকী বা পরহেজগার তিনি জিহাদের ময়দানে অবর্তীর্ণ হবেন এতে কোনো সন্দেহ নেই।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১২তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১২তম পর্ব) যখনই কোনো স্থানে অনৈক্য, বিভেদ ও ফেতনা দেখা দেবে তখনই কপট মুনাফিক চরিত্রের মানুষগুলোর ভূমিকা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিতে হবে। প্রত্যেক মানুষের চরিত্র যাচাই করে মুনাফিকদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১০ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১০ম পর্ব) ইসলামের প্রসার এবং স্থায়িত্ব মানুষের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল নয়। কারণ আল্লাহ নিজেই তার দ্বীনকে হেফাজত করবেন। কাজেই ধর্মের জন্য কোনো কাজ করে গর্ববোধ করার কোনো অবকাশ নেই। আল্লাহর ইচ্ছাই চূড়ান্ত এবং কাফেরদের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে বাধ্য।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (৯ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (৯ম পর্ব) আল্লাহর নির্দেশ পালন বা প্রত্যাখ্যানে আল্লাহর কোনো ক্ষতি বা লাভ নেই। কারণ, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। আমরাই তার আদেশ পালন করে লাভবান হতে পারি।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (৮ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (৮ম পর্ব) খোদায়ী ধর্মগুলোর ভিত্তি হলো সত্য ও ন্যায় বিচার এবং আদিতে প্রতিটি খোদায়ী ধর্ম সত্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে কোনো কোনো খোদায়ী ধর্ম সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা;(৭ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(৭ম পর্ব) অংশীবাদ বা শিরক হচ্ছে অপবিত্র। আল্লাহর একত্ববাদের ওপর বিশ্বাসের মাধ্যমে প্রকৃত পবিত্রতা লাভ করা যায়। এ আয়াতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে কাফের মুশরিকদের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে মুসলমানরা যেন উদ্বিগ্ন না হয়ে পড়ে। কারণ মানুষের উন্নতি এবং রিজিক তাদের হাতে নয়। অভাব অনটনের চিন্তায় যেন মুসলমানরা ধর্মের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে না পড়ে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা;(৬ষ্ঠ পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(৬ষ্ঠ পর্ব) ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাস অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে কখনো কখনো পরিবারকে ত্যাগ করতে হয়। এ ছাড়া, সন্তানের প্রতি পিতার নির্দেশ ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকরী থাকবে যতক্ষণ ওই নির্দেশ আল্লাহর আদেশের পরিপন্থী না হবে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা;(৫ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(৫ম পর্ব) মক্কা বিজয়ের আগ পর্যন্ত মসজিদুল হারাম বা কাবা শরীফের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব মুশরিকদের হাতেই ন্যস্ত ছিল। তারা এজন্য গর্ববোধ করতো এবং বিশেষ মর্যাদাবান মনে করতো। কিন্তু কথা হচ্ছে, মসজিদ হচ্ছে মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের কেন্দ্র। তাই মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের ওপর ন্যস্ত হতে হবে যারা সত ও কলুষতামুক্ত। তাহলেই মসজিদকে ভিত্তি করে সাধারণ মানুষের চিন্তা-মনন ও আধ্যাত্মিকতা ক্রমেই উন্নতি লাভ করবে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা;(১ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(১ম পর্ব) মুফাসসিরগণ মনে করেন এই সূরার শুরুতেই যেহেতু চুক্তি ভঙ্গকারী মুশরিকদের সাথে যুদ্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে কঠিন অবস্থান গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাতে মুশরিকদের ব্যাপারে মহান আল্লাহর ক্ষোভের বিষয়টিই প্রতিফলিত হয়েছে। ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ হচ্ছে আল্লাহর রহমত ও কৃপার প্রতীক। ফলে এই সূরার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ ব্যবহৃত হয়নি।

বিস্তারিত

সূরা আল আনফাল;(১৭তম পর্ব)

সূরা আল আনফাল;(১৭তম পর্ব) কাফেরদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তারা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক এবং ঐক্যবদ্ধ। তাই মুসলমানরা নিজেরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হয় তাহলে তাদেরকে মহা বিপর্যয় ও ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এ ছাড়া মুসলমানদেরকে সব সময়ই এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে কাফেররা মুসলিম দেশ বা জাতির ওপর হামলা করার কোনো অজুহাত খুঁজে না পায়।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা;(৩য় পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(৩য় পর্ব) মুশরিকরা যদি চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয় তাহলে একতরফাভাবে মুসলমানরা তা মেনে চলতে বাধ্য নয়। তবে মুশরিক বা শত্রুদের সাথে আচরণের ব্যাপারে মুসলমানদেরকে তাকওয়া বা খোদাভীতি বিবেচনায় রাখতে হবে, কোনো অবস্থায়ই ন্যায় ও ইনসাফের সীমা লংঘন করা যাবে না।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা;(২য় পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(২য় পর্ব) প্রতিপক্ষ যদি মুশরিক বা বড় শত্রুও হয় তাদের সাথে কখনও চুক্তি ভঙ্গ করা যাবে না, যদি তারা ওই চুক্তিতে অটল থাকে। আরেকটি বিষয় আমরা বুঝে নিতে পারি যে, প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি ভঙ্গ না করা তাক্‌ওয়ার লক্ষণ। কারণ শুধু নামাজ, রোজা করলেই মুত্তাকি হওয়া যায় না। মুত্তকি হওয়ার জন্য সামাজিক বন্ধন ও চুক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাও জরুরী।

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)