আল হাসানাইন (আ.)

কোরআনের তাফসীর

সূরা হুদ;(১০ম পর্ব)

সূরা হুদ;(১০ম পর্ব)

হযরত নূহ (আ.) যখন বড় নৌকা বা জাহাজ তৈরি করতে শুরু করলেন, তখন তার সম্প্রদায়ের লোকজন ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে বলতো, জীবনভর পয়গম্বরী করে এখন নৌকা ব্যবসায়ী হয়েছো। তারা আরো বলতো, ‘পাগলে কিনা করে’, ‘মরুভূমিতে জাহাজ বানাচ্ছে’- ইত্যাদি ইত্যাদি।

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(৯ম পর্ব)

সূরা হুদ;(৯ম পর্ব) প্রত্যেক নবী রাসূলকে নিজ নিজ যুগে কাফির মুশরিকদের বিরোধীতা ও প্রতিবন্ধকতা ভেদ করে কাজ করতে হয়েছে। কাফির-মুশরিকরা পয়গম্বরদের এত বেশী বিরোধীতা করতো যে, তারা নবীদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও প্রবঞ্চণার অভিযোগও খাড়া করতো। হযরত নূহ (আ.)ও এ ধরনের অপপ্রচারণার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(৮ম পর্ব)

সূরা হুদ;(৮ম পর্ব) নবী-রাসূলগণ হলেন,আল্লাহর মনোনীত ব্যক্তি। আল্লাহর বাণী মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার গুরুদায়িত্ব তাদের ওপর ন্যস্ত। তাদের কথা ও কাজে কোন অসামঞ্জস্যতা নেই। তারা মানুষকে সৎপথে পরিচালিত করার জন্য চেষ্টা করেন। তাই বলে মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য কখনোই মিথ্যা অঙ্গীকার করেন না।

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(৭ম পর্ব)

সূরা হুদ;(৭ম পর্ব) পৃথিবীতে যত নবী-রাসূল এসেছেন, তাদের সকলেই তাওহীদ বা একত্ববাদের বাণী প্রচার করেছেন। তারা মানুষকে এক সৃষ্টিকর্তার উপাসনা করতে বলেছেন এবং শিরক বা মুর্তিপুজার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন।

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(৬ষ্ঠ পর্ব)

সূরা হুদ;(৬ষ্ঠ পর্ব) কাফির অবিশ্বাসীরা সত্যকে যেন দেখতে পায় না। সত্যের বাণী তাদের কানে যেন পৌঁছে না। ফলে তারা অন্ধ ও বধিরের মত। কিন্তু মুমিন মুসলমানরা সত্যের বাণী বিবেচনা করে তা গ্রহণ করে ফলে তারাই আসলে শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তির অধিকারী।

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(৫ম পর্ব)

সূরা হুদ;(৫ম পর্ব) কেয়ামতের দিন প্রত্যেক নবী এবং অনেক ওলী-আওলিয়া তাদের অনুসারীদের কর্মের সাক্ষী হবেন। এমনকি প্রত্যেক মানুষের সাথে থাকা দুই ফেরেশতা, মাটি, মানুষের অঙ্গ -প্রত্যঙ্গও সেদিন সাক্ষ্য দেবে। কাজেই কৃত কর্ম অস্বীকার করার কোন উপায় সেদিন থাকবে না।  

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(৪র্থ পর্ব)

সূরা হুদ;(৪র্থ পর্ব) মানুষের সকল কর্মেরই মূল্যায়ন হবে, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে। মানুষ যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির বিষয়টি বিবেচনায় না রেখে পার্থিব উদ্দেশ্যে সৎকর্ম করে তাহলে পরকালে তাতে কোন ফল হবে না। তবে সৃষ্টিকর্তা যেহেতু ন্যায়পরায়ন তাই বস্তুবাদী মানুষের ভালো কাজের পুরস্কারের ব্যবস্থা রেখেছেন। এ ধরনের সৎকর্মশীল মানুষ এই পার্থিব জগতেই তাদের প্রতিদান লাভ করে থাকে।

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(৩য় পর্ব)

সূরা হুদ;(৩য় পর্ব) এই আয়াতে মানুষের মন-মানসিকতার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। মানুষ সাধারণত সুখ ও স্বাচ্ছন্দের মধ্যে অনেকটা উদ্ধত ও বেপরোয়া হয়ে উঠে। তখন মানুষ ভুলে যায় এই সুখ-শান্তি স্থায়ী নাও তে পারে এবং যে কোন সময়, যে কোন উপায়ে এর উল্টো পরিণতি জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলতে পারে। অপরদিকে দুঃখ ও দুর্দশায় নিপতিত হলে মানুষ অধৈর্য ও হতাশ হয়ে পড়ে। এ দুটোই আল্লাহর পরীক্ষা।

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(২য় পর্ব)

সূরা হুদ;(২য় পর্ব) আল্লাহতায়ালা মানুষকে পাপ এবং অতীত ভুলে সংশোধনের জন্য সময় দিতে থাকেন। ধর্ম নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করা অবিশ্বাসী কাফিরদের একটি বৈশিষ্ট্য। ঈমানদার মুসলমানদের যুক্তি খণ্ডন করার মতো তাদের কাছে যখন কোন যুক্তি থাকে না তখনই তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ বা রসিকতায় মেতে উঠে।  

বিস্তারিত

সূরা হুদ;(১ম পর্ব)

সূরা হুদ;(১ম পর্ব) যে,যারা ধর্ম ও আদর্শের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাদের জেনে রাখা উচিত, সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে গোপন ও প্রকাশ্য সবই সমান। তিনি সব দেখছেন এবং সবই জানেন। প্রত্যেকের অন্তরে যা আছে তাও আল্লাহর কাছে সুস্পষ্ট।

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১৮তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৮তম পর্ব) পৃথিবীর সকল মানুষই যে সত্যকে গ্রহণ করার সৌভাগ্য লাভ করবে এমন আশা করা ঠিক নয়। কারণ অন্যায়, অবিচার ও নানাবিধ পাপের কারণে অনেক মানুষ সত্যকে গ্রহণ করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে।  

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১৭তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৭তম পর্ব) অসত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা বজায় রাখা উচিত। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আল্লাহতায়ালা তার প্রিয় বান্দাকে কখনও নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে দেবেন না। ঈমানদাররা যদি আল্লাহর রাস্তায় দৃঢ় ও অবিচল থাকতে পারে তাহলে জয় তাদের জন্য অনিবার্য।  

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১৬তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৬তম পর্ব) কঠিন ও দুঃসময়ে ঈমানদারদের একমাত্র আশ্রয় হচ্ছে মহান প্রতিপালক আল্লাহ। যারা আল্লাহর ওপর নির্ভর করে, আল্লাহও তাদের কথার জবাব দেন। এজন্য ঈমানদার মুসলমানরা কোন বিপদে বিচলিত না হয়ে আল্লাহর ওপর নির্ভর করে কাজ করেন এবং তারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন।

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১৫তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৫তম পর্ব) মহান আল্লাহ বিপথগামী মানুষদের হেদায়েতের জন্য আবার যুগে যুগে নবী-রাসূলদের পাঠাতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় হযরত ইব্রাহিম, ইসমাইল, হুদ, সালেহ, ইয়াকুব ও ইউসুফ (আ.)-এর আগমন ঘটে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই গোয়ার্তুমির কারণে সত্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে। হযরত মুসা (আ.)কে তার ভাই হারুনসহ ফেরাউনের কাছে পাঠানো হয় কিন্তু অভিশপ্ত ফেরাউন হযরত মুসার একত্ববাদের আহবান প্রত্যাখ্যান করে। আত্মম্ভরিতা এবং অহংবোধের কারণে ফেরাউনের পক্ষে সত্যের বাণী গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১৪তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৪তম পর্ব) ইসলাম হচ্ছে খাঁটি একত্ববাদের ধর্ম। মুসলমান হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হচ্ছে, তাকে বিশ্বাস করতে হবে আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো সমকক্ষ নেই এবং কোনো শরীক বা অংশীদার নেই। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং মহাপরাক্রমশালী। অক্ষমতা, দুর্বলতা এসব তাঁর ক্ষেত্রে অকল্পনীয়। তাঁর কোনো অভাব নেই, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। সব কিছুই তাঁর সৃষ্টি এবং সব সৃষ্ট বস্তুরই তিনি স্রষ্টা। কিন্তু তিনি নিজে সম্পূর্ণ অবস্তুগত সত্ত্বা।

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১৩তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৩তম পর্ব) প্রকৃত ঈমানদারদের প্রতি আল্লাহ তায়ালার অন্যতম একটি বড় অনুগ্রহ হচ্ছে, তিনি তাঁর এসব প্রিয় বান্দাকে মানসিক প্রশান্তি দান করবেন এবং তাদের মন থেকে দুঃখবোধ, দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ দূর করে দেবেন। এটা অনস্বীকার্য যে মানসিক প্রশান্তি একটি দুর্লভ ব্যাপার। ধন-সম্পদের প্রাচুর্য এবং সামাজিক প্রতিপত্তির মাধ্যমেও মানসিক প্রশান্তি অর্জন করা যায় না। আল্লাহতায়ালা শুধুমাত্র সতকর্মশীল, ঈমানদার বান্দাদেরকেই এই নেয়ামত দিয়ে থাকেন।

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১২তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১২তম পর্ব)   মানুষের অন্তর মানুষের দেহের মতোই বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। তাই দেহের মতো অন্তরেরও প্রতিষেধক তথা নিরাময় প্রয়োজন। গর্ব-অহঙ্কার, হিংসা-বিদ্বেষ এবং রিয়ার মতো অন্তরের রোগ-ব্যাধিগুলোর চিকিতসা করা না হলে ওই অন্তরে কুফরি এবং মোনাফেকি বাসা বাঁধে। আর এই কুফরি মানুষকে হেদায়েতের পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। কিন্তু কুরআনের বিভিন্ন রকম বক্তব্য, সুসংবাদ এবং সাবধানবাণী বেশিরভাগ গুনাহ বা পাপকাজ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১১তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১১তম পর্ব) প্রত্যেক মানুষকে অবধারিতভাবে বিচার দিবসের মুখোমুখী হতে হবে। সেদিন প্রত্যেকেই নিজ নিজ কর্মের উপযুক্ত প্রতিফল লাভ করবে। এ পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে যাওয়া বা এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার শক্তি বা সামর্থ্য কারো নেই। সেদিন পৃথিবীর কোনো ধন-সম্পদ কারো কাজে লাগবে না।  

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(১০ম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১০ম পর্ব) দুনিয়ার জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী, চোখের পলকেই তা শেষ হয়ে যায়। এ বিষয়টি পরকালে আরো বেশি প্রতিভাত হবে। তাই এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে যারা পাথেয় সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হবে, সেদিন তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সত্যিই ক্ষণস্থায়ী পার্থিব জীবনকে অনন্ত জীবনের ওপর প্রাধান্য দেয়ার চেয়ে মানুষের জন্য বড় ক্ষতি আর কি হতে পারে?  

বিস্তারিত

সূরা ইউনুস;(৯ম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(৯ম পর্ব) মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে মানুষের জ্ঞান ও চিন্তা শক্তি রয়েছে যা অন্যান্য প্রাণীর নেই। মানুষের যেমন দেখা বা শোনার শক্তি আছে পশু-পাখিরও তেমনি দেখা বা শ্রবণের শক্তি রয়েছে। কিন্তু পশু-পাখি তাদের দেখা বা শোনার বিষয়কে নিয়ে চিন্তা করতে পারে না। মানুষের উচিত তার জ্ঞান প্রজ্ঞাকে কাজে লাগানো। সত্য মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে সত্যকে গ্রহণ করতে না পারলে মানুষের ও অন্যান্য প্রাণীর আর কি পার্থক্য থাকে!  

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)