আল হাসানাইন (আ.)

কোরআনের তাফসীর

সূরা ইব্রাহীম;(১২তম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(১২তম পর্ব)

মুমিন বিশ্বাসীদের প্রতি আল্লাহর সাহায্য আসতে দেরী হলে আল্লাহ ও তার সর্বময় ক্ষমতার ব্যাপারে সন্দিহান হওয়া উচিত নয়। এছাড়া অবিশ্বাসী কাফের ও সীমালংঘনকারীদের আল্লাহ যে সময় ও সুযোগ দেন তা তাঁর প্রজ্ঞা অনুযায়ী দেয়া হয়। এ থেকে এটা ধারণা করার কোন অবকাশ নেই যে, আল্লাহ অবাধ্যচারীদের ব্যাপারে উদাসীন ও তাদের খোঁজ খবর নিতে ভুলে গেছেন।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম;(১১ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(১১ম পর্ব) হযরত ইব্রাহিম নিজের, নিজের পরিবারের এবং সকল বিশ্বাসী লোকের জন্য দোয়া করেন যা থেকে বোঝা যায় তিনি গোটা সমাজকে নিয়েই চিন্তা করতেন। ইসলামে এ বিষয়ে বারবার গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, নিজের চেয়ে অন্যের কল্যাণ কামনা করে বেশী বেশী দোয়া করো। কাজেই দেখা যাচ্ছে, আল্লাহর খাঁটি বান্দাগণের দোয়ার মধ্যে মহান আল্লাহর বিশালত্ব এবং তাঁর তুলনায় মানুষের অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে। এছাড়া আমাদের উচিত দোয়া করার সময় আমাদের পূর্ববর্তী বংশধরদের আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি অনাগত সন্তানদের কল্যাণ কামনা করা।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম;(১০ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(১০ম পর্ব) হযরত ইব্রাহিম (আ.) মক্কার লোকদের রিজক বা রুজি বৃদ্ধি এবং তাদের মনে ভালোবাসা সৃষ্টি করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে এই আয়াতে বললেন : হে আল্লাহ! তুমি তো সর্বজ্ঞ এবং তোমার অগোচরে কিছুই নেই। মানুষের মনের কথা ও কাজ কিংবা তোমার তৈরি বিশ্বপ্রকৃতি এবং আকাশমণ্ডলী ও ভূপৃষ্ঠের সব বিষয়ে তুমি সম্যক অবহিত। সূরা ইব্রাহিমের এই আয়াতে সৃষ্টজগতের ওপর আল্লাহর একচ্ছত্র আধিপত্যের প্রমাণ রয়েছে। আল্লাহর কাছে ছোট-বড়, মানুষ, আকাশ বা প্রকাশ্য ও গোপন বস্তু- সব কিছুই সমান। এছাড়া ভালো কোন কাজ করলে সেজন্য অহঙ্কার করা উচিত নয়।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম;(৯ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(৯ম পর্ব) মহান আল্লাহ মানুষকে দুনিয়া ও আখেরাতে সুখ ও সমৃদ্ধির জন্য নামাজ আদায় এবং যথাসম্ভব দান করার আদেশ দিয়েছেন। এই আয়াতে বলা হচ্ছে, সেই আল্লাহর সামনে সিজদায় অবনত হও যিনি এত বিশাল সৃষ্টিজগতের মালিক। এছাড়া আল্লাহর রাস্তায় দান করো- কারণ তোমাদের অধীনে যা কিছু রয়েছে তার সব তারই দান।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম;(৮ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(৮ম পর্ব) ঐশী বাণীতে যে কোন ধরনের প্রক্ষেপ, পরিবর্তন বা বিকৃতিই কুফরি। তা ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে করা হলেও একই কথা। আর কুফরি দুনিয়ায় যেমন একটি সমাজকে ধ্বংসের অতলে নিয়ে যায় তেমনি আখেরাতও বরবাদ করে দেয়।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম;(৭ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(৭ম পর্ব) আল্লাহ তা'লা ঈমানের কারণে ঈমানদারদেরকে অবিচল এবং সুপ্রতিষ্ঠিত রাখেন। এবং কাফেরদের ষড়যন্ত্র থেকে তাদেরকে রক্ষা করেন। এমনকি কাফেরদের ষড়যন্ত্র ব্যার্থ করে দিয়ে তাদেরকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে দেন। এটাই আল্লাহর নিয়ম। তিনি ন্যায় ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে যা ভালো মনে করেন তাই করে থাকেন। আল্লাহর সিদ্ধান্ত পাল্টে দেয়ার ক্ষমতা কারো নেই।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম;(৬ষ্ঠ পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(৬ষ্ঠ পর্ব) নানা কুমন্ত্রণার মাধ্যমে পাপ কাজের প্রতি অনুপ্রাণিত করা শয়তানের কাজ। শয়তান কখনো মানুষকে পাপে লিপ্ত হতে বাধ্য করতে পারে না। কাজেই কেয়ামতের আদালতে পাপচারের জন্য শয়তানকে দায়ী করে পার পাওয়া যাবে না।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম;(৫ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(৫ম পর্ব) প্রকৃত মুমিন কখনো হতাশ হয় না। তারা জুলুম-অত্যাচারের অপসারণ এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে বিরামহীন সংগ্রামে লিপ্ত থাকে । আর যারা অন্যায় কাজে লিপ্ত হবে এবং সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে অবিশ্বাস করবে তারা পরকালে তাদের পরিণাম ভোগ করবেই। এ থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার কোন পথ তাদের নেই।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম; (৪র্থ পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম; (৪র্থ পর্ব) আল্লাহর ওপর নির্ভর করার অর্থ এই নয় যে, মানুষ সমাজে কোনঠাসা হয়ে নিভৃতে বসে থাকবে। ‘তাওয়াক্কুল’ বা আল্লাহর উপর নির্ভরতার অর্থ হচ্ছে সত্য ও ন্যায়ের পথে মানুষ অবিচল থাকবে। এ পথে যে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা আসবে তা ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করবে। এটাই মুমিন বিশ্বাসীদের বৈশিষ্ট্য। এটা মনে রাখতে হবে মুমিন বিশ্বাসীদের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আর অবিশ্বাসী কাফেরদের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে মানুষ। আল্লাহর শক্তির সাথে যার কোন তুলনাই হয় না ।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম; (৩য় পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম; (৩য় পর্ব) ইতিহাস পাঠ এবং কুরআনে বর্ণিত জাতিগুলোর পরিণতি থেকে শিক্ষা নেয়া হবে বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া কাফেররা গোঁড়ামি ও একগুয়েমির কারণে সত্যের সন্ধান পায়নি এবং হেদায়াত থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম; (২য় পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম; (২য় পর্ব) যারা এই নশ্বর জগতকে চিরস্থায়ী জগতের ওপর প্রধান্য দেয় এবং পার্থিব ভোগ-বিলাসিতাই যাদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য তারা কখনোই আল্লাহর দ্বীনকে গ্রহণ করবে না। নবী রাসূলদের আহ্বান তাদের হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারবে না। এই আয়াতে বলা হচ্ছে, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন প্রত্যেক জাতির নিকট একই ভাষাভাষীর নবী বা রাসূল পাঠিয়েছেন। নবী রাসূলগণও তাদের জাতির শিক্ষা ও সামর্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে অত্যন্ত বোধগম্য করে তাদের সাথে কথা বলেছেন, সত্যের বাণী তুলে ধরেছেন।

বিস্তারিত

সূরা ইব্রাহীম; (১ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম; (১ম পর্ব) নবী-রাসূল এবং ঐশী গ্রন্থ পাঠানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে, মানুষকে কুপ্রবৃত্তির শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করা এবং তাদেরকে খোদাদ্রোহী তাগুতি শাসকের হাত থেকে উদ্ধার করা। এছাড়া সমাজ থেকে কুসংস্কার ও ভ্রান্ত প্রথা অপসারণ করাও নবী-রাসূলদের বড় একটি দায়িত্ব। এই বিষয়গুলো যে সমাজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে সেখানে একত্ববাদী বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে এবং মানুষ অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ধাবিত হবে

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (১৪তম পর্ব)

সূরা রা’দ; (১৪তম পর্ব) অনেক মানুষ মনে করে আল্লাহকে বুঝি ফাঁকি দেয়া সম্ভব। তারা এটা ভাবে না যে ফাঁকি তাকেই দেয়া সম্ভব যার জ্ঞান সীমিত। আল্লাহ যে সর্বজ্ঞানী এবং তাঁর জ্ঞনের যে কোন সীমা নেই তা তারা ভাবতেও পারে না।

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (১৩তম পর্ব)

সূরা রা’দ; (১৩তম পর্ব) মুবাল্লিগ বা ধর্ম প্রচারকদের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের কাছে সত্যের দাওয়াত পৌছে দেয়া। কার পরিণতি কী হবে তা নির্ধারণ করা আল্লাহর কাজ। এটা মানুষের কাজ নয়।

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (১২তম পর্ব)

সূরা রা’দ; (১২তম পর্ব) আসলে মানুষের চাওয়া পাওয়ার কোন শেষ নেই। কাজেই মানুষের সকল চাহিদা পূরণ করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ এবং এটা অস্বাভাবিক। যদি কেউ সত্য সন্ধানি হয় তাহলে তার সামনে সত্য প্রতিভাত হওয়ার সাথে সাথে সে তা গ্রহণ করে নেয়। কিন্তু আসলে সত্যকে পাওয়া বা গ্রহণ করা যার উদ্দেশ্য নয় তার সামনে হাজারো মুজিজা বা অলৌকিক নিদর্শন উপস্থাপন করা হলেও সে তা গ্রহণ করবে না।

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (১১তম পর্ব)

সূরা রা’দ; (১১তম পর্ব) পাপ বা অন্যায় করার পরও দেখা যায় অনেকেরই কিছুই হয় না কিংবা তাদের ওপর ঐশী শাস্তি আসতে দেখা যায় না। এর কারণ হলো মহান আল্লাহ অনেক সময় বান্দাকে অনুশোচনার জন্য সময় দেন। কিন্তু যখন সময় পেয়েও মানুষ নিজের পাপ বা অন্যায়ের জন্য অনুতপ্ত হয় না বা তওবা করে না, তখনই তার ওপর নেমে আসে নানা বিপদাপদ। এ জন্য পাপাচারি মানুষকে জীবনের কোন এক সময় তার পাপের শাস্তি ভোগ করতে হয়।

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (১০ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (১০ম পর্ব) পবিত্র কুরআনে সাধারণত ঈমানের পাশাপাশি সৎকর্মের বিষয়টিকে স্থান দেয়া হয়েছে। বিষয়টি এমন যে ঈমান এবং সৎকর্ম যেন অবিচ্ছেদ্য। যারা ঈমানদার তাদের বৈশিষ্ট্য মুনাফিক এবং ফাসেকের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন ফাসেকের মনে আল্লাহর বিশ্বাস থাকলেও সে অনেক ক্ষেত্রে পাপে লিপ্ত হয়ে পড়ে, কিন্তু মুনাফিক মন থেকে আল্লাহকে বিশ্বাস না করলেও জন সম্মুখে নিজেকে ঈমানদার বা মুসলমান হিসেবে প্রকাশ করে।

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (৯ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (৯ম পর্ব) আসলে যারা জ্ঞানী এবং সত্য সন্ধানী তারা নবীদের জ্ঞান-প্রজ্ঞা এবং যে কোন মুজিজা দেখা মাত্রই সত্যকে গ্রহণ করে নেয় কিন্তু যারা হঠকারী এবং যারা একগুঁয়েমি স্বভাবের তারা মুজিজা বা অলৌকিক ক্ষমতা প্রত্যক্ষ করলেও সত্যকে মেনে নিতে চায় না বরং আরো বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করতে থাকে। তারা পাপ এবং গোঁয়ার্তুমির কারণে এক ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত। ভালো কথা এবং ঐশী বাণী তাদের অন্তরে জ্বালার সৃষ্টি করে।

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (৮ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (৮ম পর্ব) বিত্ত বৈভবের মালিক হওয়ার পর কেউ যেন আল্লাহর অনুগ্রহের কথা ভুলে না যায়। আবার অভাবে পড়লে যেন হতাশ হয়ে না পড়ি। এটা মনে রাখতে হবে যে দুনিয়া হচ্ছে পরীক্ষার জায়গা আর প্রকৃত পুরস্কার লাভের স্থান হচ্ছে আখেরাত।

বিস্তারিত

সূরা রা’দ; (৭ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (৭ম পর্ব) মানুষের সেবা করা ছাড়া আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক করা যায় না। সমাজের দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি সচ্ছলদের দায়িত্ব রয়েছে। সে দিকে প্রতিটি মুসলমানের সচেতন থাকতে হবে।  

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)