আল হাসানাইন (আ.)

কোরআনের তাফসীর

সূরা আত তাওবা;(২৯তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(২৯তম পর্ব)

আল্লাহর ওপর গভীর বিশ্বাস ও আস্থা শক্তিশালী শক্রর বিরুদ্ধে বিজয়কে সহজ করে দেয়। ইসলামের ইতিহাসকে এর বাস্তব দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা যায়। কাজেই সংখ্যায় অবিশ্বাসীদের আধিক্যের কারণে ইসলামের সত্যতার ব্যাপারে সংযমী হওয়া কিংবা হতাশ হয়ে পড়া উচিত নয়; এটা ঈমানদারদের বৈশিষ্ট্য নয়।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা;(২৮তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(২৮তম পর্ব) যিনি আল্লাহর বিধান পালনের ব্যাপারে যত্নবান তিনিই প্রকৃত ঈমানদার। তাকওয়া ও পরহেজগারী হচ্ছে ঈমানদারদের ভূষণ। তবে ইসলামের শক্রদের ব্যাপারে ঈমানদারদের মনোভাব অত্যন্ত দৃঢ়। এ ব্যাপারে তারা আপোষহীন ও অবিচল।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২৭তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২৭তম পর্ব) একজন ঈমানদারকে অবশ্যই কাজে-কর্মে সত ও নিষ্ঠাবান হতে হবে। শুধু মুখে বললেই ঈমান অর্জিত হয় না। অন্তরে বিশ্বাস, মৌখিক ঘোষণা এবং কার্যে তা পরিণত করাকে ঈমান বলা হয়।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২৬তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২৬তম পর্ব) আত্মীয়-স্বজন হলেও মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা সংগত নয়। কারণ যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন বস্তুকে সমকক্ষ হিসেবে দাঁড় করায় বা শিরক করে এবং সে অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় তারা জাহান্নামী। কাজেই তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা সংগত নয়।    

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২৫তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২৫তম পর্ব) মদীনার মোনাফিকরা তাদের ততপরতা চালানোর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিল। মহান আল্লাহর নির্দেশে মহানবী (সা.) ওই মসজিদ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। এ আয়াতে আল্লাহ মহানবী ও মুমিনদের সম্বোধন করে বলেছেন, খোদাভীতির কারণে যে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে সে মসজিদই প্রকৃত মসজিদ। যে মসজিদ বিভেদ সৃষ্টির জন্য ও ষড়যন্ত্র করার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে সে মসজিদের কোনো মূল্য নেই।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২৪তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২৪তম পর্ব) মুনাফিকরা ঈমানদার মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতি এবং মসজিদকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। এছাড়া মুসলিম সমাজে মতপার্থক্য সৃষ্টি করা এবং তাদের মধ্যকার ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা করা কুফরীর সমতুল্য। কাজেই কোনো মসজিদও যদি বিভেদ ও অনৈক্যের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তাহলে তা মসজিদে যারবারের মত ভেঙ্গে দেয়া উচিত।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২৩তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২৩তম পর্ব) একটি ইসলামী সমাজের জন্য মুনাফিকরা যে কত ভয়ংকর হতে পারে সে বিষয়টিই এই আয়াতে পুণরায় উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মদীনা শহর এবং এর আশেপাশে বহু লোক আছে যারা নিজেদেরকে মুসলমান দাবি করে আর মুসলমানরাও তাদেরকে ঈমানদার হিসেবেই মনে করে। আসলে তারা আল্লাহ ও কেয়ামতে বিশ্বাসী নয়। মুসলমানরা তাদের বাহ্যিক চেহারা দেখে বিভ্রান্ত হলেও আল্লাহ তো তাদের মনের কথা জানেন।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২২তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২২তম পর্ব) মুনাফিক এবং অসৎ মানুষের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা উচিত। তাদের সাথে সম্পর্ক না রাখাই উত্তম কাজ। কারণ মুনাফিকী এবং কপটতা সংক্রামক ব্যাধির মত।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২১তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২১তম পর্ব) ইসলামের নির্দেশ মানুষের শক্তি ও সামর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সামর্থের বাইরে কোন নির্দেশ ইসলাম মানুষের ওপর চাপিয়ে দেয় না। যদি কোন কাজ কারো পক্ষে আঞ্জাম দেয়া আসলেই অসম্ভব হয়। তাহলে ইসলামী আইন তাকে সে কাজ থেকে অব্যাহতি দেয়।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৯তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৯তম পর্ব) ইসলামী বিধান এবং ঈমানদার মুসলমানদের নিয়ে বিদ্রুপ বা উপহাস করা অত্যন্ত জঘন্য পাপ, যা বিদ্রুপকারীকে কুফরিতে নিমজ্জিত করে। ফলে এ ধরনের পাপাচারী সৎপথে ফিরে আসার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। এই আয়াতে এটাই বুঝানো হয়েছে যে, আল্লাহ ও তার নবী-রাসূলরা ক্ষমার ব্যাপারে কোনো কার্পণ্য করেন না। কিন্তু কিছু মানুষ এতবেশি অন্যায় ও পাপে লিপ্ত হয় যে তারা ক্ষমা লাভের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (২০তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২০তম পর্ব) সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের প্রাচুর্য সব সময় সবার জন্য কল্যাণ ও প্রশান্তি বয়ে আনে না। এসব অনেকের জন্য অশান্তি ও ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই কারো বাহ্যিক প্রতিপত্তি দেখে হীনমন্যতায় ভোগা উচিত নয়। কারণ মানসিক ও পারিবারিক প্রশান্তিই মানুষের বড় সফলতা। সম্পদের আধিক্য সব সময় এই প্রশান্তি বয়ে আনতে পারে না।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৮তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৮তম পর্ব) আসলে মুখ এবং আচরণে যদি কপটতা থাকে তাহলে এক সময় মানুষের অন্তর ও স্বভাব কপটতায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। দরিদ্র এবং অসহায়-নিঃস্ব মানুষকে দান করার ব্যাপারে যারা কার্পণ্য করে তারা দুনিয়ার জীবনেই অশান্তি ও দুঃখ-যাতনায় নিষ্পেষিত হয়। এ জন্য আল্লাহর অনুগ্রহের ব্যাপারে কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৭তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৭তম পর্ব) সৎকাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং অসৎকাজে বিরত রাখা ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এই বিধানের কারণে ব্যক্তিগত পর্যায়ের বাইরেও সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের প্রতি দৃষ্টি রাখা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৬তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৬তম পর্ব) মুনাফিকদের মৌলিক বৈশিষ্ট্যের কয়েকটি হচ্ছে, তারা ঈমানদার মুসলমানদেরকে অবজ্ঞা করে, তাদের ভাল কাজ নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে, পাপাচারীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে এবং তাদের কাজকর্মকে আদর্শ ও আধুনিক বলে মনে করে। মুনাফিক বা কপট চরিত্রের মানুষের এসব আচরণের ফলে সমাজের অন্যান্য মানুষ ভালো কাজের ব্যাপারে নিরুতসাহিত হয় এবং অসত কাজের ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হয়।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৫তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৫তম পর্ব) ধর্মীয় বিশ্বাসের অপব্যবহার কপট বা মুনাফিক চরিত্রের মানুষের একটি সাধারণ অভ্যাস। ঈমানদার মুসলমানদের লক্ষ্য হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। কিন্তু মুনাফিকদের উদ্দেশ্য ঠিক এর উল্টো। তাদের সব কাজের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৪তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৪তম পর্ব) আল্লাহতালা ধনীদের সম্পদে গরীবের অধিকার সংরক্ষণ করেছেন। ধনীরা যদি ঠিকমত যাকাত আদায় করে তাহলে সমাজে দারিদ্র অভাব অনটন এত বেশি দেখা দিত না। আসলে যাকাত সম্পদের ভারসাম্য এবং ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার ব্যবধান কমিয়ে আনে। এ ছাড়া যাকাত প্রদানের ফলে মানুষের মনে দানশীলতা এবং ভালোবাসার এক স্বর্গীয় অনুভূতি জাগ্রত হয়। ফলে দুনিয়াদারী এবং বৈষয়িক বিষয়ে মানুষের ঝোঁকপ্রবণতা নিয়ন্ত্রিত হয়। কাজেই দারিদ্র বিমোচন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যাকাত হচ্ছে অত্যন্ত কার্যকরী এবং ফলপ্রদ একটি ইসলামী বিধান।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১৩তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৩তম পর্ব) আসলে অনেক কিছুই বাহ্যিকভাবে কল্যাণকর মনে হলেও বাস্তবে তা অকল্যাণই বয়ে আনে। সন্তানসন্ততি ও সম্পদ আল্লাহর নেয়াতম হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় এসব প্রশান্তি ও কল্যাণকর হয়ে ওঠে না।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১১তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১১তম পর্ব) আসলে ধর্মীয় ও সামাজিক আচার অনুষ্ঠান দিয়ে প্রকৃত মুমিন-মুত্তাকী যাচাই করা সম্ভব নয়। একমাত্র জিহাদের ময়দানেই প্রকৃত মুমিন মুত্তাকী চেনা সম্ভব। যিনি প্রকৃত মুত্তাকী বা পরহেজগার তিনি জিহাদের ময়দানে অবর্তীর্ণ হবেন এতে কোনো সন্দেহ নেই।  

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১২তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১২তম পর্ব) যখনই কোনো স্থানে অনৈক্য, বিভেদ ও ফেতনা দেখা দেবে তখনই কপট মুনাফিক চরিত্রের মানুষগুলোর ভূমিকা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিতে হবে। প্রত্যেক মানুষের চরিত্র যাচাই করে মুনাফিকদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।

বিস্তারিত

সূরা আত তাওবা; (১০ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১০ম পর্ব) ইসলামের প্রসার এবং স্থায়িত্ব মানুষের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল নয়। কারণ আল্লাহ নিজেই তার দ্বীনকে হেফাজত করবেন। কাজেই ধর্মের জন্য কোনো কাজ করে গর্ববোধ করার কোনো অবকাশ নেই। আল্লাহর ইচ্ছাই চূড়ান্ত এবং কাফেরদের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে বাধ্য।  

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)