আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ধর্ম এবং মাযহাব
নাহজুল বালাঘায় আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার

নাহজুল বালাঘায় আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার

যারা আপনজনকে সাহায্য করা থেকে হাত গুটিয়ে রাখে তারা প্রয়োজনের সময় অনেক হাত গুটানো দেখতে পাবে। যে কেউ মিষ্টি স্বভাবের হবে তার প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা-ভালবাসা চিরস্থায়ী হয়ে থাকে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা আত তাওবা;(৩য় পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(৩য় পর্ব)

মুশরিকরা যদি চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয় তাহলে একতরফাভাবে মুসলমানরা তা মেনে চলতে বাধ্য নয়। তবে মুশরিক বা শত্রুদের সাথে আচরণের ব্যাপারে মুসলমানদেরকে তাকওয়া বা খোদাভীতি বিবেচনায় রাখতে হবে, কোনো অবস্থায়ই ন্যায় ও ইনসাফের সীমা লংঘন করা যাবে না।

কোরআনের তাফসীর
সূরা আত তাওবা;(২য় পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(২য় পর্ব)

প্রতিপক্ষ যদি মুশরিক বা বড় শত্রুও হয় তাদের সাথে কখনও চুক্তি ভঙ্গ করা যাবে না, যদি তারা ওই চুক্তিতে অটল থাকে। আরেকটি বিষয় আমরা বুঝে নিতে পারি যে, প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি ভঙ্গ না করা তাক্‌ওয়ার লক্ষণ। কারণ শুধু নামাজ, রোজা করলেই মুত্তাকি হওয়া যায় না। মুত্তকি হওয়ার জন্য সামাজিক বন্ধন ও চুক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাও জরুরী।

ইমাম হোসাইন (আ.)
আশুরা আন্দোলনের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক দিক

আশুরা আন্দোলনের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক দিক

কোন শিক্ষালয়ই কারবালার শিক্ষালয়ের মতো উত্তম ও সফল শিক্ষার্থী তৈরি ও প্রশিক্ষিত করতে পারেনি। কারবালার ন্যায় কোন শিক্ষাকেন্দ্রেই এত বৈচিত্র্যময় শিক্ষাবিভাগ নেই। খোদাপরিচিত,খোদাপ্রেম,মর্যাদাকর বৈশিষ্ট্য,লক্ষ্যের পথে চূড়ান্ত দৃঢ়তা প্রদর্শন,ধৈর্য,সাহসিকতা,একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর দাসত্বসহ অসংখ্য বিভাগে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সফলতার শীর্ষে আরোহণ করেছেন। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুগ্ধপোষ্য শিশু,কিশোর,তরুণ,যুবক,মধ্যবয়সী,প্রবীণ,বৃদ্ধ,পুরুষ-নারী,স্বাধীন মানুষ ও দাস সকলেই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ লাভ করেছেন।

ইমাম হোসাইন (আ.)
আধ্যাত্মিক পথ পরিক্রমায় ক্রন্দনের ভূমিকা

আধ্যাত্মিক পথ পরিক্রমায় ক্রন্দনের ভূমিকা

এরফান ও অধ্যাত্মবাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ইমাম হোসাইনের জন্য শোক প্রকাশ ও ক্রন্দন-আহাজারিকে আল্লাহর ভালোবাসা ও আধ্যাত্মিক পরিভ্রমণের (আল্লাহর দিকে যাত্রা) সাথে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে

কোরআনের তাফসীর
সূরা আত তাওবা;(১ম পর্ব)

সূরা আত তাওবা;(১ম পর্ব)

মুফাসসিরগণ মনে করেন এই সূরার শুরুতেই যেহেতু চুক্তি ভঙ্গকারী মুশরিকদের সাথে যুদ্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে কঠিন অবস্থান গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাতে মুশরিকদের ব্যাপারে মহান আল্লাহর ক্ষোভের বিষয়টিই প্রতিফলিত হয়েছে। ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ হচ্ছে আল্লাহর রহমত ও কৃপার প্রতীক। ফলে এই সূরার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ ব্যবহৃত হয়নি।

কোরআনের তাফসীর
সূরা আল আনফাল;(১৭তম পর্ব)

সূরা আল আনফাল;(১৭তম পর্ব)

কাফেরদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তারা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক এবং ঐক্যবদ্ধ। তাই মুসলমানরা নিজেরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হয় তাহলে তাদেরকে মহা বিপর্যয় ও ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এ ছাড়া মুসলমানদেরকে সব সময়ই এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে কাফেররা মুসলিম দেশ বা জাতির ওপর হামলা করার কোনো অজুহাত খুঁজে না পায়।

হযরত আলী (আ.)
আকাশ, পৃথিবী ও হযরত আদম (আ.) সৃষ্টি সম্পর্কে হযরত আলীর (আ.) বক্তব্য

আকাশ, পৃথিবী ও হযরত আদম (আ.) সৃষ্টি সম্পর্কে হযরত আলীর (আ.) বক্তব্য

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। তাঁর গুণরাজী কোন বর্ণনাকারী বর্ণনা করে শেষ করতে পারে না। তার নেয়ামতসমূহ গণনাকারীগণ গুনে শেষ করতে পারে না। প্রচেষ্টাকারীগণ তাঁর নেয়ামতের হক আদায় করতে পারে না। আমাদের সমুদয় প্রচেষ্টা ও জ্ঞান দ্বারা তাঁর পরিপূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় এবং আমাদের সমগ্র বোধশক্তি দ্বারা তার মাহাত্ম্য অনুভব করা সম্ভব নয়। তাঁর সিফাত বর্ণনার কোন পরিসীমা নির্ধারিত নেই এবং সেজন্য কোন লেখা বা বক্তব্য, কোন সময় বা স্থিতিকাল নির্দিষ্ট করা হয় নি। তিনি নিজ কুদরতে সৃষ্টিকে অস্তিত্বশীল করেছেন, আপন করুণায় বাতাসকে প্রবাহিত করেছেন এবং শিলাময় পাহাড় দ্বারা কম্পমান পৃথিবীকে সুদৃঢ় করেছেন।

ইমাম হোসাইন (আ.)
‘ইমাম হোসাইন (আ.) মযলুম ছিলেন’- এ বাক্যটির অর্থ কী?

‘ইমাম হোসাইন (আ.) মযলুম ছিলেন’- এ বাক্যটির অর্থ কী?

আরবি ভাষায় ‘মাযলুম’ শব্দটি ‘মুনযালাম’ শব্দ থেকে ভিন্ন। মুনজালাম শব্দটির অর্থ হলো যে ব্যক্তি অন্যায়কে বরণ করে নেয় এবং কোন প্রতিবাদই করে না; কিন্তু মাযলুম ঐ ব্যক্তিকে বলা হয় যার প্রতি অন্যায় করা হয় এবং এর বিপরীতে সে প্রতিবাদ করে ও সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রতিহত করে। ইসলামী সংস্কৃতিতে অন্যায়কে বরণ করা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বর্জিত কর্ম হিসেবে ধরা হয়েছে কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদ করাকে কাঙ্ক্ষিত ও পছন্দনীয় ধরা হয়েছে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা আল আনফাল;(১৬তম পর্ব)

সূরা আল আনফাল;(১৬তম পর্ব)

সকল অপরাধীর জন্য ক্ষমার রাস্তা খোলা। এমনকি যারা আল্লাহর নবীর বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করেছে তারাও তওবা বা অনুশোচনার মাধ্যমে এবং ইসলামের ডাকে সাড়া দিয়ে অতীত ভুলের জন্য ক্ষমা লাভ করতে পারেন।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)