আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ইসলামী ব্যাক্তিত্ব
মহিয়সী নারী ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.)'র শুভ জন্মবার্ষিকী

মহিয়সী নারী ফাতেমা মাসুমা (সা.আ.)'র শুভ জন্মবার্ষিকী

নবীজীর আহলে বাইতের মহিয়সী নারী হযরত মাসুমা (সা)'র শুভ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আপনাদের সবার প্রতি রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তিনি ১৭৩ হিজরীর জিলক্বাদ মাসের ১লা তারিখে পবিত্র মদীনায় জন্ম গ্রহণ করেন । তার আসল নাম ছিল ফাতেমা। আর তার উপাধি ছিল  মাসুমা।

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ;(১২তম পর্ব)

সূরা হুদ;(১২তম পর্ব)

প্রকৃতপক্ষে হযরত নূহ (আ.)ই মানব জাতির দ্বিতীয় পিতা। মহাপ্লাবনে সব ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার পর হযরত নূহ ও তার অনুসারী মুমিনদের মাধ্যমেই পৃথিবীতে পুনরায় মানব বংশের বিস্তার ঘটে। এরপর ক্রমান্বয়ে মানব জাতি পুনরায় মুমিন ও কাফির দুই শ্রেণীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। মুমিনদের প্রতি আল্লাহর দেয়া কল্যাণ শান্তি, সৌভাগ্য ও প্রাচুর্য বয়ে আনে। অপর দিকে অবিশ্বাসী কাফিররা যে কল্যাণপ্রাপ্ত হয় তা বস্তুজগতেই তাদেরকে তৃপ্ত করে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ;(১১তম পর্ব)

সূরা হুদ;(১১তম পর্ব)

হযরত নূহ (আ.) এর সময়কার এই ঘটনা থেকে মানুষের শিক্ষা নেয়া উচিত। অন্যায় পাপাচার এবং সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করার পরিণতি যে কত ভয়াবহ হতে পারে তা এই ঘটনা থেকেই উপলদ্ধি করা যায়। এছাড়া বন্যা ও ভূমিকম্পের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগ যে অনেক ক্ষেত্রে মানুষের পাপের পরিণতিতেই হয়ে থাকে তাও এ ঘটনা থেকে আমরা উপলদ্ধি করতে পারি।

ইসলামী বিশ্বাস
বিচারবুদ্ধির আলোকে জাবর্ ও এখতিয়ার

বিচারবুদ্ধির আলোকে জাবর্ ও এখতিয়ার

বিচারবুদ্ধির দৃষ্টিতে জাবারীয়াহ্ মতবাদ একটি ভ্রান্ত মতবাদ যা আল্লাহ্ তা‘আলা সম্বন্ধে অত্যন্ত ঘৃণ্য ধরনের ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করে। এর বিপরীতে বিভিন্ন এখতিয়ারিয়্যাহ্ চিন্তাধারার মধ্যে যারা মানুষের ইচ্ছা ও কর্মশক্তির পরিপূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী তাদের চিন্তাধারাও ভারসাম্যহীন ও প্রান্তিক। যদিও মানুষের বিচারবুদ্ধি স্বীয় ইচ্ছা ও কর্মশক্তির স্বাধীনতা অনুভব করে ও প্রত্যক্ষ করে, অতএব, তার যে ইচ্ছা ও কর্মশক্তির স্বাধীনতা রয়েছে তাতে সন্দেহ নেই, কিন্তু এ স্বাধীনতা নিরঙ্কুশ ও নিয়ন্ত্রণহীন হওয়া সম্ভব নয়।

ইসলামী বিশ্বাস
অদৃষ্টবাদ: বিশ্বাস বনাম আচরণ

অদৃষ্টবাদ: বিশ্বাস বনাম আচরণ

আমাদের সমাজে ইসলামী পরিভাষা “তাক্বদীর্”( تقدیر )-এর অর্থ গ্রহণ করা হয় ‘ভাগ্য’ বা ‘ভাগ্যলিপি’। সাধারণভাবে প্রচলিত ধারণা হচ্ছে এই যে,আমাদের ভালো-মন্দ সব কিছুই আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে পূর্ব হতেই নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। এর ভিত্তি হচ্ছে “ঈমানে মুফাছ্বছ্বাল্” (বিস্তারিত ঈমান) নামে শৈশবে মুসলমানদেরকে যে বাক্যটি মুখস্ত করানো হয় তার অংশবিশেষ-যাতে বলা হয়: والقدر خيره و شره من الله تعالی (আর ভাগ্য; এর ভালো ও মন্দ আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত), যদিও কোরআন মজীদের কোথাওই এ বাক্যাংশটি নেই।

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ;(১০ম পর্ব)

সূরা হুদ;(১০ম পর্ব)

হযরত নূহ (আ.) যখন বড় নৌকা বা জাহাজ তৈরি করতে শুরু করলেন, তখন তার সম্প্রদায়ের লোকজন ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে বলতো, জীবনভর পয়গম্বরী করে এখন নৌকা ব্যবসায়ী হয়েছো। তারা আরো বলতো, ‘পাগলে কিনা করে’, ‘মরুভূমিতে জাহাজ বানাচ্ছে’- ইত্যাদি ইত্যাদি।

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ;(৯ম পর্ব)

সূরা হুদ;(৯ম পর্ব)

প্রত্যেক নবী রাসূলকে নিজ নিজ যুগে কাফির মুশরিকদের বিরোধীতা ও প্রতিবন্ধকতা ভেদ করে কাজ করতে হয়েছে। কাফির-মুশরিকরা পয়গম্বরদের এত বেশী বিরোধীতা করতো যে, তারা নবীদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও প্রবঞ্চণার অভিযোগও খাড়া করতো। হযরত নূহ (আ.)ও এ ধরনের অপপ্রচারণার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

আল্লাহর একত্ববাদ
তাওহীদের অর্থ ও প্রকারভেদ

তাওহীদের অর্থ ও প্রকারভেদ

তাওহীদ বা একত্ববাদকে তাত্ত্বিক ও বিশ্বাসগতভাবে মূলত সার্বিক তিনভাবে বিভক্ত করা হয়ে থাকে। যথা: সত্তাগত, গুণগত ও কর্মগত তাওহীদ। সত্তাগত তাওহীদকে আবার দুইভাগে –সংখ্যাগত তাওহীদ ও সত্তার ক্ষেত্রে অবিভাজ্যতা (ও মৌলিকত্ব)– এবং কর্মগত তাওহীদকেও কর্মের উৎস ও প্রভাবগত একত্বে ভাগ করা হয়ে থাকে।

নৈতিকতা ও মূল্যবোধ
ইসলাম ও জাতীয়তাবাদী

ইসলাম ও জাতীয়তাবাদী

জাতি ও বংশগৌরবের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উপর্যুপরি তাগিদ মুসলমানদের মনে বিশেষত অনারব মুসলমানদের মধ্যে প্রচণ্ড প্রভাব ফেলেছিল। এ কারণেই আরব-অনারব সকল মুসলমানই ইসলামকে তাদের স্বকীয় ও নিজস্ব বলে মনে করত। এ জন্যই উমাইয়্যা শাসকদের জাতিগত গোঁড়ামি অনারব মুসলমানদেরকে ইসলামের প্রতি বীতশ্রদ্ধ করতে পারে নি।  

নৈতিকতা ও মূল্যবোধ
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের সমস্যা ও আমাদের করণীয়

বর্তমান মুসলিম বিশ্বের সমস্যা ও আমাদের করণীয়

বর্তমানে সাম্রাজ্যবাদীরা মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করছে, বিচ্যুত চিন্তার মুসলমানদের জিহাদের নামে সংঘবদ্ধ করে মুসলমানদের পেছনে লেলিয়ে দিয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ইসলামকে ভীতিকর এক রূপে পরিচিত করানো ছাড়াও মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোতে নিজেদের উপস্থিতিকে বৈধতা দান করছে। আর তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করছে। তারা তাদের আধিপত্য ও দখলদারিত্ব বজায় রাখার স্বার্থে মধ্যযুগীয় রাজতন্ত্রের ধারক সমগ্রতাবাদী ও অধিকার হরণকারী রাজতান্ত্রিক শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। অপরদিকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে অবৈধ ইসরাইলী দখলদারীর বিরোধী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টায় রত হয়েছে।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)