আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ধর্ম এবং মাযহাব
মহানবী (সাঃ)-এর আহলে বাইতকে ভালবাসা ফরজ

মহানবী (সাঃ)-এর আহলে বাইতকে ভালবাসা ফরজ

মহানবী (সাঃ) যে রেসালা„তের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন, আল্লাহ তার বান্দার কাছ থেকে তাঁর রেসালা„তের পারিশ্রমিক বাবদ মহানবী (সাঃ) -এর আহলে বাইত-এর মুয়াদ্দাত (আনুগত্যপূর্ণ ভালোবাসা) ফরয করে দিয়েছেন। যদি আমরা আহলে বাইতকে প্রাণাধিক ভালো না বাসি, আনুগত্য না করি, তাহ„লে আল্লাহর হুকুম অকার্যকর থেকে যা„বে বা মানা হবে না, তাই হুকুম হচ্ছে। “বলুন, আমি আমার রিসালা„তের পারিশ্রমিক তোমাদের কা„ছে কিছুই চাই না, শুধু আমার কুরবা (আলী, ফাতেমা, হাসান ও হোসাইন)-এর মুয়াদ্দাত (আনুগত্যপূর্ণ ভা„লাবাসা) ব্যতিত।” (সূরা-শুরা, আয়াত-২৩) ।

ধর্ম এবং মাযহাব
সুন্নাত না ইতরাত

সুন্নাত না ইতরাত

এই হাদীসটি “কোরআন ও হাদীস বা সুন্নাহ্” উম্মত„কে কিন্তু বিভ্রান্তি„তে ফেলে দিয়েছে। এই বিভ্রান্তি মুসলমানদের ফেরকাবন্দী বা দল বিভক্তির কার„ণ হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত লেখনীতে আমি মহানবী (সাঃ) তার উম্মত„কে “কোরআন ও ইতরাত, আহলে বাইত” (আলী, ফাতেমা, হাসান ও হোসাইন (আঃ)-ƒকেই অনুসরণ করতে হুকুম করে গিয়েছেন। তা কোরআন-হাদীস ও আহলে সুন্নাতের প্রসিদ্ধ আলেমগণের উক্তিও প্রমাণ স্বরূ€প সুন্দরভা„ব তু„লে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

ধর্ম এবং মাযহাব
উলিল আমর

উলিল আমর

কেউ “উলিল আমর”-ƒকে রাষ্ট্রনায়ক, কেউ আবার বিচারক হিসা„বে মত প্রকাশ করেছেন, (তাফসীরে মা„রেফুল কোরআন); মূলতঃ এ„তে আহলে বাইতের মাসুম ইমামদের কথা বলা হয়েছে। কেননা আল্লাহ্ যেখা„নে নিজের সঙ্গে রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্যের হুকুম দিচ্ছেন; সেখানে উলিল আম„রের আনুগত্যও সকল বান্দা„দের উপর ওয়াজিব ঘোষণা করেছেন। এখা„ন উলিল আমরকে আল্লাহ্ ও রাসূ„লের প্রতিনিধি ঘোষণা করেছেন। তাঁ„কে অবশ্যই মাসুম (নিষ্পাপ) হতে হবে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (২৯তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (২৯তম পর্ব)

আল্লাহ তালার কাছে অতীত বর্তমান ভবিষ্যত বলতে কিছু নেই, তিনি সব বিষয়েই জ্ঞান রাখেন। কোনো কিছুই তার অজানা নয়। নবী রাসূলগণকে আল্লাহতালাই অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞান দান করেন। নবী রাসূলদের অলৌকিক কর্ম এবং যাদুকরের যাদু এক নয়।

সমাজ এবং পরিবার
ইসলামে পরিবার ব্যবস্থা

ইসলামে পরিবার ব্যবস্থা

নারী-পুরুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই গড়ে ওঠে একটি পরিবার। ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবার হচ্ছে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় একটি পূর্ণাঙ্গ ইউনিট বা শাখা। পরিবারের জন্ম তথা উৎপত্তি বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে। সমাজের এ ক্ষুদ্র এককে নারী ও পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (২৮তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (২৮তম পর্ব)

হযরত ইউসুফ (আ.) এভাবে স্ববিনয়ে আল্লাহর কছে দোয়া করতেন। তিনি প্রকৃতই একজন আত্মসমর্পণকারী ছিলেন। ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌছার পরও তিনি এক মুহুর্তের জন্য আল্লাহর অনুগ্রহের কথা ভুলেননি।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (২৭তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (২৭তম পর্ব)

হযরত ইয়াকুব (আ.) এর এই ছেলেরাই একদিন রক্তমাখা জামা এনে বলেছিল ইউসুফকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে, আজ তারাই আবার হযরত ইউসুফের জামা এনে সুসংবাদ দিচ্ছে যে, তিনি শুধু বেঁচে আছেন তাই নয়, তিনি এখন মিশরের অত্যন্ত পরাক্রমশালী ব্যক্তিত্ব। আসলে আল্লাহর ইচ্ছার ওপর কারো হাত নেই।

ধর্ম এবং মাযহাব
ধর্মে কোন জোর-জুলুম নেই

ধর্মে কোন জোর-জুলুম নেই

ধর্মে জোর-জবরদস্তি করার কোন সুযোগ নেই –এ আয়াতটি বক্তব্যের দিক থেকে পবিত্র কোরআনের একটি স্পষ্ট আয়াত। পবিত্র কোরআন বলছে যে, ঈমানের ক্ষেত্রে যদি শক্তি প্রয়োগ করা সঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য হতো তাহলে আল্লাহ্‌তায়ালা নিজেই তাঁর সৃষ্ট ক্ষমতা বলে সমস্ত মানুষকে ঈমানদার বানাতে পারতেন কিন্তু ঈমান এমন এক জিনিস যা মানুষ নিজেই বাছাই করবে। আর তাই কোরআনের অন্যত্র বলা হয়েছে “তোমার রবের পক্ষ থেকে সত্য এসেছে এখন যার ইচ্ছে তা গ্রহণ করুক, আর যার ইচ্ছে একে প্রত্যাখ্যান করুক।” (১৮:২৯)

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (২৬তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (২৬তম পর্ব)

হযরত ইয়াকুব (আ.) নিজেও আল্লাহর নবী ছিলেন,সুস্থতার জন্য তার দোয়াই যথেষ্ট হতো কিন্তু এক্ষেত্রে তিনি হযরত ইউসুফ (আ.) এর জামার স্পর্শে আরোগ্য লাভ করলেন। এ থেকে বোঝা যায় যে,নবী-রাসূল এবং ওলী-আউলিয়ারা নিজেরা নিজেরা যেমন মানুষের জন্য কল্যাণকর, তেমনি তাদের ব্যবহৃত জিনিসপত্রও কল্যাণ ও মঙ্গল বয়ে আনতে পারে। কাজেই ওলি-আউলিয়াদের ব্যবহৃত কোনো জিনিস তাবার্‌রুক হিসেবে গ্রহণ করা অবৈধ কিছু নয়।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (২৫তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (২৫তম পর্ব)

বৈমাত্রেয় ভাইদের কাছে এভাবে হযরত ইউসুফের পরিচয় প্রকাশ হয়ে গেল, তারা হযরত ইউসুফের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির কারণে বিস্মিত ও শঙ্কিত হয়ে পড়লো। হযরত ইউসুফ (আ.) তাদেরকে বোঝালেন, সবই আল্লাহর ইচ্ছা, তিনিই তাকে ও তার সহোদরকে এই মর্যাদায় ভূষিত করেছেন এবং সবকে পুনরায় একত্রিত হওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)