আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ইমাম মুহাম্মাদ বিন আলী আল জাওয়াদ (আ.)
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-জাওয়াদ আত-তাকী

ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-জাওয়াদ আত-তাকী

আজ (১০ই রজব) বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)'র পবিত্র আহলে বাইতের অন্যতম সদস্য ও আহলে বাইতের ধারায় নবম ইমাম হযরত জাওয়াদ (আ.)'র জন্ম-বার্ষিকী।১৯৫ হিজরীর এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর নাম মুহাম্মদ,কুনিয়াহ আবু জাফর এবং তাঁর প্রসিদ্ধ উপাধি হচ্ছে ‘তাকী’এবং ‘জাওয়াদ’। এই মহান ইমামের জন্মদিন উপলক্ষে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা 

কোরআনের তাফসীর
সূরা নাহল;(৩০তম পর্ব)

সূরা নাহল;(৩০তম পর্ব)

মুসলমানের বিতর্কের পন্থা হওয়া উচিত প্রতিপক্ষের চেয়ে উত্তম এবং সত্য ও ন্যায়ভিত্তিক। সংলাপে প্রতিপক্ষকে মিথ্যা বলা, ধোঁকা দেয়া, উপহাস করা, অবমাননা করা, হুমকি দেয়া বা চিতকার করে কথা বলা ইসলামে অনুমোদিত নয়। কারণ, কারণ ইসলাম প্রচারকের লক্ষ্য হল সত্য প্রচার করা ও প্রতিপক্ষকে আকৃষ্ট করা। দ্বন্দ্ব, বিরোধিতা বা একগুঁয়েমি প্রদর্শন প্রচারকের লক্ষ্য নয়।

কোরআনের তাফসীর
সূরা নাহল;(২৯তম পর্ব)

সূরা নাহল;(২৯তম পর্ব)

পরিমাণ বা সংখ্যার আধিক্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। কখনও কখনও একজন খাঁটি মুমিনই একটি জাতির সমান গুরুত্বপূর্ণ বা প্রভাবশালী। যা মানুষকে মহীয়ান করে তা হল আল্লাহর প্রতি স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে বিনম্র এবং অনুগত থাকা তথা আল্লাহর বিধানগুলো মেনে চলা।

হযরত ফাতিমা (সা.আ.)
নবী-নন্দিনী হযরত ফাতিমা জাহরা (সালামুল্লাহি আলাইহা)র জন্মদিন

নবী-নন্দিনী হযরত ফাতিমা জাহরা (সালামুল্লাহি আলাইহা)র জন্মদিন

বিশে জমাদিউসসানি ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য খুশির দিন। ১৪৪৩ বছর আগের এই দিনে জন্ম নিয়েছিলেন গোটা মানবজাতির মধ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নারী ও বিশ্ব-ইতিহাসের শীর্ষস্থানীয় মানুষ নবী-নন্দিনী হযরত ফাতিমা জাহরা (সালামুল্লাহি আলাইহা)। তাঁর জন্ম হয়েছিল হিজরতের ৮ বছর আগে। বিশ্বনবী (সা.) ও হযরত খাদিজা (সালামুল্লাহি আলাইহা)'র মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হয়ে জ্ঞান আর মহত্ত্বের শীর্ষস্থানীয় পর্যায়ে উন্নীত হন এই মহীয়সী নারী

কোরআনের তাফসীর
সূরা নাহল;(২৮তম পর্ব)

সূরা নাহল;(২৮তম পর্ব)

ধর্মে নতুনত্ব সৃষ্টি করা বা বিদআত চালু করা হারাম। যারাই কুরআন হাদিসের দলিল ছাড়া কোনো কিছু হালাল বা হারাম ঘোষণা করে কিংবা নতুন ইবাদতের রীতি চালু করে তা হবে বিদআত। এমনকি কেউ যদি তা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে বলে দাবি নাও করে তবুও ধর্মের মধ্যে নতুন বিষয় চালু করার কারণে তা আল্লাহর ওপরই মিথ্যা আরোপের শামিল। তাই এটাও বলা যাবে না অমুক বিষয় উত্তম বিদআত বা "বিদআতে হাসনা" বলে গ্রহণযোগ্য, বরং সব বিদআতই হারাম।

কোরআনের তাফসীর
সূরা নাহল;(২৭তম পর্ব)

সূরা নাহল;(২৭তম পর্ব)

ইসলাম মানুষের সব দিকের চাহিদা মেটায় ও সব ক্ষেত্রেই পথ দেখায়। এ ধর্ম শুধু পরকালকেন্দ্রীক ধর্ম নয়। কোন কোন জিনিস খাওয়া যাবে বা যাবে না তাও ঠিক করে দিয়েছে ইসলাম।

ধর্ম এবং মাযহাব
ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষ

ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষ

মানুষ হলো দেহ ও আত্মার সমন্বয়ে গঠিত অস্তিত্বঃ মৃত্যুর পর যার দেহ বিন্বনষ্ট হয়। কিন্তু আত্মা জীবনপথে অগ্রসর হয়। সে কেয়ামত সংঘটিত হওয়া পর্যন্ত বারযাখের জীবন অতিবাহিত করবে। কোরআন মাজীদ মানব সৃষ্টির বর্ণনা করতে গিয়ে শেষ পর্যায়কে মানুষের দেহে রূহ ফুঁকে দেয়ার পর্যায় বলে উল্লেখ করেছে

ধর্ম এবং মাযহাব
মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব-শেষ অংশ

মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব-শেষ অংশ

খলিফা বা প্রতিনিধি হল সেই ব্যক্তি যে প্রতিনিধি নিয়োগকারীর স্থলাভিষিক্ত হয়। কখনও প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি সময়গত। অর্থাৎ সময়ের দৃষ্টিতে প্রতিনিধিত্ব লাভকারীব্যক্তি প্রতিনিধি নিয়োগকারীর পরে আসে এবং কখনও প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি পর্যায় বা মর্যাদাগত। প্রথম ক্ষেত্রে মর্যাদার দিক থেকে প্রতিনিধি নিয়োগকারী প্রতিনিধির ওপর শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হওয়া অপরিহার্য নয়। খলিফা বা প্রতিনিধি যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে তার থেকে শ্রেষ্ঠ হতে পারে,আবার নিম্নতরও হতে পারে। এক্ষেত্রে বিষয়টি রহিত ও রহিতকারী বিধানের ন্যায়,যে ক্ষেত্রে রহিতকারী বিধান রহিত বিধান অপেক্ষা শক্তিশালী। কিন্তু কখনও প্রতিনিধিত্বের এ বিষয়টি অস্তিত্বের ক্রম ও মর্যাদার দৃষ্টিতেবিবেচিত হয়। এ দৃষ্টিতে প্রতিনিধি নিয়োগকারী অবশ্যই প্রতিনিধি থেকে শ্রেষ্ঠ এবংপ্রতিনিধি তার শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি নিয়োগদাতার মনোনয়নের কারণে লাভ করে। তার বৈধতা,ক্ষমতা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়োগদাতার অনুগ্রহ ও সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল এবং তার অনুগ্রহ ব্যতীত প্রতিনিধির কোন ক্ষমতা ও বৈধতা নেই। সুতরাং প্রতিনিধি অস্তিত্বগতভাবে মর্যাদায় তার নিয়োগকারী হতে নিম্ন পর্যায়ে। এরূপ ক্ষেত্রে প্রতিনিধি কখনও নিজেকে শ্রেষ্ঠ বা নিয়োগকারীর সমপর্যায়ে গণ্য করতে পারে না। এরূপ করলে সে তার বৈধতা হারাবে। এ কারণেই ঐশী প্রতিনিধি ও নবিগণ কখনও নিজেকে আল্লাহর সমকক্ষ ও সমমর্যাদা দানের মত অংশীবাদী চিন্তা করতে পারেননা। তেমনি কোন নবীর ওয়াসি ও প্রতিনিধি ঐ নবীর ওপর শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করতেপারেন না

কোরআনের তাফসীর
সূরা নাহল;(২৬তম পর্ব)

সূরা নাহল;(২৬তম পর্ব)

যদি দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসার কারণে কেউ আখেরাতকে ভুলে যায়, তাহলে সে আল্লাহর হেদায়েত থেকে বঞ্চিত হবে। দুনিয়ার ক্ষতি প্রকৃত ক্ষতি নয়, আখেরাতের ক্ষতিই আসল ক্ষতি।

কোরআনের তাফসীর
সূরা নাহল;(২৫তম পর্ব)

সূরা নাহল;(২৫তম পর্ব)

শুধুমাত্র পবিত্র কুরআনের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়া এবং আল্লাহর আয়াতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমেই মানুষ সত্যিকারের হেদায়েত পেয়ে পরিপূর্ণতা অর্জন করতে পারে। আর বাকিরা যেমন হেদায়েত পাননি তেমনি তারা হেদায়েত করার ক্ষমতাও রাখে না। মিথ্যাবাদী অন্যকে নিজের মত মিথ্যাবাদী মনে করে।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)