আল হাসানাইন (আ.)

জ্ঞান চর্চার গুরুত্ব

1 বিভিন্ন মতামত 01.0 / 5
আল হোসাইন (আ.)শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড । শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারেনা ।  একটি জাতির সভ্যতা-সাংস্কৃতির উন্নতি-অবনতি সবকিছু নির্ভর করে তার শিক্ষার উপর । যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত ও সমৃদ্ধ । শিক্ষাহীন ব্যাক্তি চোক থাকতেও অন্ধ আর তাই বলা হয় অজ্ঞতা অন্ধকারের সমতুল্য । তাই সমাজের জন্য প্রয়োজন শিক্ষার আলো । জ্ঞান কেবল বই-পুস্তকের মাধ্যমেই অর্জন করা যায় না। আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনযাপন থেকেও আমরা জ্ঞান অর্জন করতে পারি। জ্ঞানের মাধ্যমেই সাগরের বিশাল তিমি আর ডাঙার বিশাল হাতিকে বশ কর সম্ভব । জ্ঞানের কারণেই মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে । ইসলামে জ্ঞান চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। আর তাইতো ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, প্রত্যক মুসলমান নর-নারীর জ্ঞান অর্জন করা ফরজ । পবিত্র কুরআনে নামাজ পড়ার ব্যাপারে ৮২ জায়গায় তাগিদ দেয়া হয়েছে, আর জ্ঞান-চর্চার উপর তাগিদ দেয়া হয়েছে ৯২ জায়গায় । নবী করীম (সা.) এর প্রতি মহান রাব্বুল আলামীনের প্রথম আদেশই  হল (ইক্বরা) অর্থাৎ পড় । মহান আল্লাহ তাআলা বলেন :-
 اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِيْ خَلَقَخَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍاقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ الَّذِيْ عَلَّمَ بِالْقَلَمِعَلَّمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ
পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি (সকল কিছু) সৃষ্টি করেছেন  তিনি মানুষকে ঘনীভূত রক্ত হতে সৃষ্টি করেছেন   পাঠ কর, আর তোমার প্রতিপালক মহিমান্বিত   যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন  শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না। (আলাক্ব ১-৫)
কোরআনে ও হাদীসে জ্ঞান চর্চার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।


কোরআনের আলোকে জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব :
পবিত্র কোরআনে জ্ঞান চর্চার ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এ সম্পর্কে  মহান আল্লাহর কিছু বাণী উল্লেখ করা হল :
اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ
১. ‘পাঠ কর, তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।’ -সূরা আলাক : আয়াত ১।
وَقُلْ رَّبِّ زِدْنِىْ عِلْمًا
২. ‘বলো: হে প্রভু! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।’ -সূরা তোয়াহা : আয়াত ১১৪।
فَأَسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
৩. ‘যদি তোমরা না জানো, তবে জ্ঞানীদের জিজ্ঞেস করে জেনে নাও।’ -সূরা আন নহল : আয়াত ৪৩।
يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ
৪. ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের সুউচ্চ মর্যাদা দান করবেন। -সূরা  মুজাদালা : আয়াত ১১।
هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ
৫. ‘যারা জানে আর যারা জানে না তারা উভয় কি সমান হতে পারে?’ -সূরা জুমার : আয়াত ৯।
وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ
৬. ‘যে বিষয়ে তোমাদের কোন জ্ঞান নেই তার অনুসরণ কর না ।’ -সূরা বনি ইসরাঈল : আয়াত ৩৬।
فَاذْكُرُوا اللَّهَ كَمَا عَلَّمَكُمْ
৭. ‘আল্লাহকে সেভাবে স্মরণ করো, যেভাবে তিনি তোমাদের শিক্ষা দিয়েছেন।’ -সূরা আল বাকারা : আয়াত ২৩৯।
يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ
৮. ‘আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হিকমত (বিশেষ জ্ঞান ) দান করেন এবং যাকে (আল্লাহর পক্ষ হতে) হিকমত দান করা হয়েছে, নিঃসন্দেহে তাকে প্রভূত কল্যাণ দেওয়া হয়েছে।  -সূরা বাকারা : আয়াত ২৬৯।
كَمَا أَرْسَلْنَا فِيكُمْ رَسُولًا مِنْكُمْ يَتْلُو عَلَيْكُمْ آيَاتِنَا وَيُزَكِّيكُمْ وَيُعَلِّمُكُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُعَلِّمُكُمْ مَا لَمْ تَكُونُوا تَعْلَمُونَ
9. (হে মুসলমানগণ!) যেমন আমি তোমাদের মাঝে তোমাদের মধ্য হতে একজন রসূল প্রেরণ করেছি, সয তোমাদেরকে আমার আয়াত পড়ে শুনায়, তোমাদের পরিশুদ্ধ করে এবং তোমাদের আল কোরআন ও প্রজ্ঞা শিক্ষা দেয়; তোমাদের আরো শিক্ষা দেয় যা তোমরা কখনই জানতে না সেগুলো।’ -সূরা আল বাকারা : আয়াত ১৫১।
 
হাদিসের আলোকে জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব :
জ্ঞানার্জন সম্পর্কে রসূলুল্লাহও (সা.) বিশেষভাবে তাগিদ করেছেন। তিনি বলেছেন :
১. ‘আল্লাহ যখন তার কোন বান্দার কল্যাণ করতে ইচ্ছা পোষণ, তাকে তিনি ধর্মিয় বিষয়ে পান্ডিত্য দান করেন।’ -আল কফি, ১ম খণ্ড, পৃ-৩২।
২. ‘সোনা রূপার খনির মতো মানুষও (বিভিন্ন প্রকারের) খনি। তাদের মধ্যে যারা ইসলাম গ্রহণের পূর্বে উত্তম (গুণ বৈশিষ্ট্যধারী) হয়ে থাকে, দীনের সঠিক বুঝ-জ্ঞান লাভ করতে পারলে ইসলাম গ্রহণের পরও তারাই উত্তম মানুষ হয়ে থাকে।’ -সহীহ মুসলিম : আবু হুরাইরা রা.।
৩. ‘জ্ঞান বিজ্ঞানের কথা জ্ঞানী ও বিজ্ঞানীদের হারানো ধন। সুতরাং যেখানেই তা পাওয়া যাবে, প্রাপকই তার অধিকারী। -তিরমিযি।
৪.‘ইসলামের একজন সঠিক জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তি শয়তানের জন্যে হাজারো (অজ্ঞ) ইবাদতগুজারের চাইতে ভয়ংকর।’ -তিরমিযি।
৫. ‘জ্ঞানান্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের একটি অবশ্য কর্তব্য ।’ – আল কফি, ১ম খণ্ড, পৃ-৩৮।
৬. ‘দীনের জ্ঞানী ব্যক্তি কতইনা উত্তম মানুষ। তার কাছে লোকেরা এলে তিনি তাদের উপকৃত করেন, আর না এলে তিনি কারো মুখাপেক্ষী হন না।’ -রিযযীন, মিশকাত।
৭. ‘জ্ঞানের আধিক্য (নফল) ইবাদতের আধিক্যের চাইতে উত্তম।” -বায়হাকি : আয়েশা রা.।
৮. ‘সর্বোত্তম মানুষ হলো তারা, জ্ঞানীদের মধ্যে যারা উত্তম।’ -দারমি।
৯. ইমাম বাকের (আ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে : জ্ঞানের যাকাত হল অন্যকে জ্ঞান শিক্ষা দেয়া।
জ্ঞানী ব্যক্তির মর্যাদা সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেন :
১. ‘যে ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের কোনো পথ অবলম্বন করে, তাতে আল্লাহ তার জন্যে জান্নাতের একটি পথ সহজ করে দেন। যখন কিছু লোক আল্লাহর কোনো ঘরে একত্রিত হয়ে আল্লাহর কিতাব (কোরআনে) পড়ে এবং নিজেদের মাঝে তার মর্ম আলোচনা করে, তখন তাদের উপর নেমে আসে প্রশান্তি, ঢেকে নেয় তাদেরকে আল্লাহর রহমত, পরিবেষ্টিত করে তাদেরকে ফেরেশতাকুল। তাছাড়া আল্লাহ তাঁর কাছের ফেরেশতাদের নিকট তাদের কথা আলোচন করেন। যার আমল (কর্ম) তাকে পিছিয়ে দেয়, তার বংশ তাকে এগিয়ে দিতে পারে না।’ -সহীহ মুসলিম।
২. ‘ফেরেশতারা জ্ঞানান্বেষণকারীদের জন্যে নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেয় (অর্থাৎ তাদের সহযোগিতা করে ও উৎসাহিত করে)’। -মুসনাদে আহমদ।
৩. ‘যে ব্যক্তি জ্ঞানান্বেষণে আত্মনিয়োগ করে, এ কাজের ফলে তার অতীতের দোষত্রুটি মুছে যায়।’ -তিরমিযি, দারমি।
৪. ‘তোমাদের মাঝে সবচেয়ে ভালো মানুষ সে, যে নিজে কোরআনে শিখে এবং অন্যদের শিখায়।’ -বুখারি : উসমান রা.।
৫. ‘যে ব্যক্তি জ্ঞানান্বেষণ করে তা অর্জন করেছে, তার জন্যে দ্বিগুণ প্রতিদান রয়েছে। আর যদি তা লাভ করতে নাও পেরে থাকে তবু তার জন্যে একগুণ প্রতিদান রয়েছে।’ -দারমি।
৬. ‘রাতের কিছু অংশ জ্ঞান চর্চা করা, সারা রাত (ইবাদতে) জাগ্রত থাকার চাইতে উত্তম।’ -দারমি।
৭. ‘জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে আকাশ ও পৃথিবীর অধিবাসীরা, এমনকি পানির নিচের মাছ। অজ্ঞ ইবাদতগুজারের তুলনায় জ্ঞানী ব্যক্তি ঠিক সেরকম মর্যাদাবান, যেমন পূর্ণিমা রাতের চাঁদ পৃথিবীবাসীর কাছে তারকারাজির উপর দীপ্তিমান। আর জ্ঞানীরা নবীদের ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারী।’ -আহমদ, তিরমিযি, আবু দাউদ।

জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ও হাদিসের বক্তব্যের পর এ পর্যায়ে এ সম্পর্কেই কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা বলব।
 
১.“একবার এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.) এর কাছে উপস্থিত হয়ে জানতে চাইল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কোনো ব্যক্তির জানাযার একই সময়ে কোনো ইলমী জলসা অর্থাৎ জ্ঞানার্জনের বৈঠক থাকে তাহলে আমি কোনটিতে অংশ নিতে পারি? রাসূলেখোদা বললেন, জানাযায় অংশগ্রহণ ও দাফন-কাফন করার জন্যে অন্য লোক থাকলে তুমি ইলমী জলসায় উপস্থিত হও। নিশ্চয়ই জ্ঞান চর্চার অনুষ্ঠানে হাজির হওয়া হাজারটা জানাযায় অংশগ্রহণ থেকে, হাজারটা অসুস্থ লোকের খোঁজ নেয়া থেকে, হাজার রাত ইবাদত করা থেকে, হাজার দিন রোযা পালন থেকে, হাজার দেরহাম সদকা দেয়া থেকে, হাজার বার নফল হজ্জ করা থেকে এবং হাজারটা নফল জিহাদে অংশগ্রহণ করা থেকে উত্তম। এরপর রাসূল (সা.) বললেন, “ইলম দ্বারাই আল্লাহর আনুগত্য হয়, ইলমের দ্বারাই আল্লাহর ইবাদত সম্পন্ন হয়। জ্ঞানের মধ্যে দুনিয়া ও আখেরাতের মঙ্গল নিহিত যেমনিভাবে মুর্খতার সাথে দুনিয়া ও পরকালের অনিষ্টতা নিহিত রয়েছে।”
 
২. একবার রাসূলেখোদা মসজিদে নববীতে গেলেন। সেখানে গিয়ে দেখলেন দু’দল লোক গোল হয়ে বসে কোনো কাজে ব্যস্ত আছে। একদল আল্লাহর যিকির-আযকার ও ইবাদত-বন্দেগী করছে আরেকদল জ্ঞানচর্চার কাজে মশগুল। রাসূলুল্লাহ (সা.) দু’দলকে দেখেই খুশী হলেন এবং তাঁর সাথের লোকদেরকে বললেন, “এ দু’দল লোকই ভালো কাজে ব্যস্ত আছে এবং এরা সবাই উত্তম ও পূণ্যবান। কিন্তু আমাকে পাঠানো হয়েছে লোকজনকে শিক্ষা দিয়ে জ্ঞানী করে গড়ে তোলার জন্য।”
এ কথা বলেই তিনি সেই দলের দিকে এগিয়ে গেলেন যারা শিক্ষা দান ও গ্রহণের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনিও তাদের সঙ্গে বসলেন এবং শিক্ষাদানের কাজে লেগে গেলেন।
রাসূলে খোদা (সা.) মুর্খতাকে অপছন্দ করতেন বলেই আজীবন তিনি জ্ঞান বিতরণ করেছেন এবং সবখানে শিক্ষার আলো জ্বালানোর চেষ্টা করেছেন।
৩.  দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ই রমজান শুক্রবার অনুষ্ঠিত বদরের যুদ্ধে । ৭০ জন কাফেরকে বন্দী করে মদীনায় আনা হয়। এই বন্দীদের মুক্তিপণ হিসাবে অর্থ বা অন্য কোন সম্পদ নির্ধারণ না করে  আমাদের প্রিয় নবী ঘোষণা দেন যে, বন্দীদের মধ্যে যারা শিক্ষিত, তারা প্রত্যেকে ১০জন করে নিরক্ষরকে শিক্ষা দান করতে পারলে বন্দী জীবন থেকে মুক্তি পাবে।
জ্ঞানই সবকিছুর ভিত্তিমূল । জ্ঞানের আলোকেই মানুষ ন্যায়-অন্যায় ও ভাল-মন্দের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে পারে। জ্ঞান তথা শিক্ষার উপর ভিত্তি করেই রচিত হয় জাতিসত্তা। কোন জাতির সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি হ’ল শিক্ষা। জাতীয় আশা-আকাঙ্খা পূরণ, জাতীয় আদর্শের ভিত্তিতে চরিত্র গঠন, জীবনের সকল ক্ষেত্রে ও বিভাগে নেতৃত্বদানের উপযোগী ব্যক্তিত্ব তৈরি করা কেবলমাত্র উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেই সম্ভব। জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রধান উপকরণও শিক্ষা ।
কোন জাতিকে একটি সুনির্দিষ্ট আদর্শের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হ’লে সেই জাতির লোকদেরকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে । যখন তারা সেই আদর্শ অনুযায়ী তৈরি হবে তখনই একটি সফল সামাজিক বিপ্লব সাধন সম্ভব। সকলকে এই সত্যটি উপলদ্ধি করতে হবে । শিক্ষক মহোদয়, ছাত্র ছাত্রী দিগকে তাহাদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে অন্যথায় জাতির কোন আশা থাকবেনা ।  দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আজ জ্ঞান চর্চা ছেড়ে দিয়ে মুর্খতাকে গ্রহণ করে মুসলমানরা কুরআনের নির্দেশ থেকে যেমন দুরে সরে গেছে তেমনি নিজেদের অবস্থানকেও দুর্বল করে ফেলেছে। তাই নিজেদের হারানো গৌরব ফিরে পেতে হলে সবাইকে জ্ঞান চর্চায় এগিয়ে আসতে হবে।
 মহানবী (ছাঃ) মাত্র ২৩ বছরের মধ্যে জাহেলিয়াতের গাঢ় অন্ধকারে নিমজ্জিত ও কুসংস্কারে আচ্ছন্ন জাতিকে একটি বিশ্ববিজয়ী জাতিতে পরিণত করতে সক্ষম হন।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)