আল হাসানাইন (আ.)

ধর্ম এবং মাযহাব

মুবাহালাহর দিবস

মুবাহালাহর দিবস

নাজরানের প্রধান ধর্মযাজক তখন বললেনঃ আমি এমন সব পবিত্র মুখমণ্ডল দেখতে পাচ্ছি যে, যখনই তাঁরা হাত তুলে দুআ করে মহান আল্লাহর দরবারে সবচেয়ে পাহাড়কে উপড়ে ফেলতে বলবেন, তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের দুআয় সাড়ায় দেয়া হবে। সুতরাং এ সব আলোকিত (নূরানী) মুখমণ্ডল এবং সুমহান মর্য্যাদার অধিকারী ব্যক্তির সাথে আমাদের মুবাহালা করা কখনই ঠিক হবে না। কারণ এতে করে আমাদের ধ্বংসা হয়ে যাওয়া বিচিত্র কিছু নয় এবং স্রষ্টার শাস্তি ব্যাপকতা লাভ করে বিশ্বের সকল খ্রীস্টানকে সমূলে ধ্বংস করে দিতে পারে। তখন পৃথিবীর বুকে একজন খ্রীষ্টানও অবশিষ্ট থাকবে না।

বিস্তারিত

কুরআনের দৃষ্টিতে নবী-রাসূলগণ

কুরআনের দৃষ্টিতে নবী-রাসূলগণ প্রতিটি মানবগোষ্ঠীর মধ্যেই সত্য, ন্যায়, পবিত্রতা ও হক্‌-ইনসাফের যে অনুভূতিটুকু পাওয়া যায় সেসবই কোনো না কোনোভাবে নবী-রাসূলগণের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সাথে সম্পর্কিত। এই বিশাল সৃষ্টিজগতের পশ্চাতে একজন সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রণকারীর সুনিপুণ হাত কার্যকর এ বাস্তব ধারণা এবং তৎসঙ্গে ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা, কল্যাণ-অকল্যাণ, হক-ইনসাফ প্রভৃতি অনুভূতি একান্তভাবেই নবী-রাসূলগণের প্রদত্ত শিক্ষারই উত্তরাধিকার।

বিস্তারিত

নবী পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অঙ্গ

নবী পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অঙ্গ আহলে বাইত বা নবী পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ইসলামের অন্যতম কার্যাবলীরই একটি। যুব সম্প্রদায় এবং ইমামদের মধ্যে আবেগপূর্ণ সম্পর্ক তাদেরকে (যুবকদেরকে) যে কোন ভুলত্রুটি অথবা ক্ষতিকর ব্যাপার থেকে রক্ষা করে থাকে। তাছাড়া আহলে বাইতের কর্মপন্থা অনুসরণ করে তারা জীবনের সঠিক পথ পেতে পারে। কুরআনে করীমেও আহলে বাইত কর্তৃক জনগণকে পথপ্রদর্শন এবং পরিচালনার বিষয়টিকে তাদের ভালোবাসা এবং বন্ধুত্বের প্রকাশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিস্তারিত

দরিদ্রতার চেয়ে মৃত্যু ভাল

দরিদ্রতার চেয়ে মৃত্যু ভাল ধনসম্পদ থাকলেই মানুষ সুখী হতে পারে না। কারণ অতিরিক্ত ধন-সম্পদ মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। অপরদিকে অতিরিক্ত দারিদ্র্যও মানুষের ঈমানকে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই ইসলাম সবসময় মানুষের দারিদ্র্য দূর করার চেষ্টা করে। অভাব মোকাবেলার ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী সম্পর্কে আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.) বলেছেন, দরিদ্রতার জন্য চেয়ে মৃত্যু ভাল।

বিস্তারিত

মহানবী (সাঃ)-এর আহলে বাইতকে ভালবাসা ফরজ

মহানবী (সাঃ)-এর আহলে বাইতকে ভালবাসা ফরজ মহানবী (সাঃ) যে রেসালা„তের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন, আল্লাহ তার বান্দার কাছ থেকে তাঁর রেসালা„তের পারিশ্রমিক বাবদ মহানবী (সাঃ) -এর আহলে বাইত-এর মুয়াদ্দাত (আনুগত্যপূর্ণ ভালোবাসা) ফরয করে দিয়েছেন। যদি আমরা আহলে বাইতকে প্রাণাধিক ভালো না বাসি, আনুগত্য না করি, তাহ„লে আল্লাহর হুকুম অকার্যকর থেকে যা„বে বা মানা হবে না, তাই হুকুম হচ্ছে। “বলুন, আমি আমার রিসালা„তের পারিশ্রমিক তোমাদের কা„ছে কিছুই চাই না, শুধু আমার কুরবা (আলী, ফাতেমা, হাসান ও হোসাইন)-এর মুয়াদ্দাত (আনুগত্যপূর্ণ ভা„লাবাসা) ব্যতিত।” (সূরা-শুরা, আয়াত-২৩) ।

বিস্তারিত

সুন্নাত না ইতরাত

সুন্নাত না ইতরাত এই হাদীসটি “কোরআন ও হাদীস বা সুন্নাহ্” উম্মত„কে কিন্তু বিভ্রান্তি„তে ফেলে দিয়েছে। এই বিভ্রান্তি মুসলমানদের ফেরকাবন্দী বা দল বিভক্তির কার„ণ হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত লেখনীতে আমি মহানবী (সাঃ) তার উম্মত„কে “কোরআন ও ইতরাত, আহলে বাইত” (আলী, ফাতেমা, হাসান ও হোসাইন (আঃ)-ƒকেই অনুসরণ করতে হুকুম করে গিয়েছেন। তা কোরআন-হাদীস ও আহলে সুন্নাতের প্রসিদ্ধ আলেমগণের উক্তিও প্রমাণ স্বরূ€প সুন্দরভা„ব তু„লে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিস্তারিত

উলিল আমর

উলিল আমর কেউ “উলিল আমর”-ƒকে রাষ্ট্রনায়ক, কেউ আবার বিচারক হিসা„বে মত প্রকাশ করেছেন, (তাফসীরে মা„রেফুল কোরআন); মূলতঃ এ„তে আহলে বাইতের মাসুম ইমামদের কথা বলা হয়েছে। কেননা আল্লাহ্ যেখা„নে নিজের সঙ্গে রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্যের হুকুম দিচ্ছেন; সেখানে উলিল আম„রের আনুগত্যও সকল বান্দা„দের উপর ওয়াজিব ঘোষণা করেছেন। এখা„ন উলিল আমরকে আল্লাহ্ ও রাসূ„লের প্রতিনিধি ঘোষণা করেছেন। তাঁ„কে অবশ্যই মাসুম (নিষ্পাপ) হতে হবে।

বিস্তারিত

ধর্মে কোন জোর-জুলুম নেই

ধর্মে কোন জোর-জুলুম নেই ধর্মে জোর-জবরদস্তি করার কোন সুযোগ নেই –এ আয়াতটি বক্তব্যের দিক থেকে পবিত্র কোরআনের একটি স্পষ্ট আয়াত। পবিত্র কোরআন বলছে যে, ঈমানের ক্ষেত্রে যদি শক্তি প্রয়োগ করা সঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য হতো তাহলে আল্লাহ্‌তায়ালা নিজেই তাঁর সৃষ্ট ক্ষমতা বলে সমস্ত মানুষকে ঈমানদার বানাতে পারতেন কিন্তু ঈমান এমন এক জিনিস যা মানুষ নিজেই বাছাই করবে। আর তাই কোরআনের অন্যত্র বলা হয়েছে “তোমার রবের পক্ষ থেকে সত্য এসেছে এখন যার ইচ্ছে তা গ্রহণ করুক, আর যার ইচ্ছে একে প্রত্যাখ্যান করুক।” (১৮:২৯)

বিস্তারিত

গিবনের চোখে কুরআন, বিশ্বনবী, আলী ও হুসাইন (আ) এবং ইহুদি-নৃশংসতা

গিবনের চোখে কুরআন, বিশ্বনবী, আলী ও হুসাইন (আ) এবং ইহুদি-নৃশংসতা গিবনের লেখা ‘রোমান সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতনের ইতিহাস’ শীর্ষক বইটি প্রামাণ্য তথ্য, নিরপেক্ষতা ও চমৎকার ভাষার জন্য ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। এ বইয়ে তিনি প্রচলিত তথা বিকৃত হয়ে-পড়া খ্রিস্ট ও ইহুদি ধর্মের তীব্র সমালোচনা করেছেন। গিবন রোমান সভ্যতার উত্থান ও পতনের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা সভ্যতা, ইসলামের বিস্তার এবং মোঙ্গলদের হামলার গতিধারার এক আকর্ষণীয় চিত্রময় বর্ণনা তুলে ধরেছেন তার এ বইয়ে।

বিস্তারিত

অস্থায়ী বিবাহ প্রসঙ্গে

অস্থায়ী বিবাহ প্রসঙ্গে মুত্‘আহ্ (অস্থায়ী বিবাহ) মুসলমানদের দু’টি প্রধান ধারা শিয়া ও সুন্নীর মধ্যকার বিতর্কের অন্যতম প্রধান বিষয় - যা এ দুই ধারার মধ্যকার দূরত্বকে ব্যাপক বিস্তৃত করেছে। শিয়া মায্হাব অস্থায়ী বিবাহকে বৈধ গণ্য করে এবং সুন্নী মায্হাবগুলো এটিকে অবৈধ, বরং ব্যভিচারের সমতুল্য বলে গণ্য করে থাকে। এ বিতর্কের মূল কারণ, দ্বীনী বিধিবিধানের তথা ফরয ও হারাম সংক্রান্ত বিধানের প্রকৃত উৎসের দিকে দৃষ্টিপাত না করে সংশয়মূলক ( ظنی ) দলীল, মনীষীদের মতামত ও ব্যক্তিগত পসন্দ-অপসন্দকে অগ্রাধিকার প্রদান করা।

বিস্তারিত

'খ্রিস্টানরা চির-বিলুপ্ত হতো মুহাম্মাদের (সা.) সঙ্গে মুবাহিলা হলে '

'খ্রিস্টানরা চির-বিলুপ্ত হতো মুহাম্মাদের (সা.) সঙ্গে মুবাহিলা হলে ' ‘মুবাহিলা’ বলতে মিথ্যাবাদী কে তা প্রমাণের লক্ষ্যে মিথ্যাবাদীর ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষণের জন্য দোয়া বা প্রার্থনা করাকে বোঝায়। পবিত্র কুরআনের সুরা আলে ইমরানের ৬১ নম্বর আয়াতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে:  

বিস্তারিত

ইসলামে ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির গুরুত্ব

ইসলামে ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির গুরুত্ব ইসলামে ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে স্বতন্ত্র সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্ববহ নিবন্ধ প্রকাশ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। প্রকৃতপক্ষে সমসাময়িক বিশ্বে ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবস্থাপনার বিষয়টি গবেষকদের কাছে অপরিচিত। এমনকি শিক্ষিত মুসলমান, যারা আদর্শগতভাবে ইসলামে বিশ্বাস করে, তারা ইসলামী ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধে সাধারণ ধারণা থাকা সত্ত্বেও বিস্তারিতভাবে এর ব্যাখ্যা কামনা করে।  

বিস্তারিত

কোরবানির তাৎপর্য ও শিক্ষা

কোরবানির তাৎপর্য ও শিক্ষা মানবজাতির ইতিহাসে পিতা-মাতা-পুত্রের চরম আত্মোৎসর্গের এরূপ দৃষ্টান্ত আর কখনো দেখা যায় না। তাই আল্লাহ মানবজাতিকে অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে এ চরম ও অত্যুজ্জ্বল আত্মোৎসর্গের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছেন ঈদুল আজহা ও কোরবানির মাধ্যমে।  

বিস্তারিত

কোরবানির ইতিহাস

কোরবানির ইতিহাস আজকে মুসলিম সমাজে কোরবানির যে প্রচলন তা মূলত মুসলিম মিল্লাতের বা জাতির পিতা হজরত ইব্রাহীম (আ.) এর দেখানো পথ বা সুন্নাত। হজরত ইব্রাহীম (আ.) এর শতবর্ষ বয়সের পর আল্লাহ তায়ালা তাঁকে যে সন্তান দান করেছিলেন, তিনি আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক আদিষ্ট হয়ে তাঁর সে কলিজার টুকরা হজরত ইসমাইল (আ.) এর কোরবানির সূত্র ধরে আজও কোরবানি প্রচলিত আছে।

বিস্তারিত

আহকাম বা বিধিবিধান জানার পথ

আহকাম বা বিধিবিধান জানার পথ মুকাল্লিফ দ্বীনি বিধান সম্পর্কে জানার ও সে অনুযায়ী আমল করার জন্য তিনটি কাজ ও পন্থা অবলম্বন করতে পারে: ১. ইজতিহাদ করা ২. ইহতিয়াত ও সতর্কতা অবলম্বন  ৩. তাকলিদ

বিস্তারিত

তাকলিদ

তাকলিদ যে কোন বুদ্ধিমান ও আকলসম্পন্ন মানুষ তার প্রাত্যহিক জীবনে যে সকল বিষয়ে নিজে অবগত নয় বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে থাকে; তেমনিভাবে ধর্মীয় বিষয়েও যেহেতু সে বিশেষজ্ঞ নয় সেহেতু তাকে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞের (মার্জায়ে তাকলিদ) শরণাপন্ন হতে হয়। এরূপ শরণাপন্ন হওয়াকেই ‘তাকলিদ’ বা অনুসরণ বলা হয়।

বিস্তারিত

‘হুকম’ ও ‘ফতওয়া’ এ দুই পরিভাষার মধ্যে পার্থক্য

‘হুকম’ ও ‘ফতওয়া’ এ দুই পরিভাষার মধ্যে পার্থক্য ‘হুকম’ হল শরীয়তের বৈধ শাসক ও ফকিহ আলেম কর্তৃক কোন ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় বিধানকে কার্য্ কর ও বাস্তবায়নের স্থান অথবা সময় অথবা তার বিষয়বস্তু ও দৃষ্টান্তকে নির্ধারণ করা এবং কল্যাণ চিন্তার ভিত্তিতে কোন কাজকে সম্পাদন অথবা পরিত্যাগের আবশ্যকতা ঘোষণা। আর ‘ফতওয়া’ ফকিহদের পরিভাষায় বিশেষজ্ঞ ফকিহ কর্তৃক আল্লাহর বিধান বর্ণিত হওয়া

বিস্তারিত

ইসলামে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের স্বাধীনতা

ইসলামে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের স্বাধীনতা ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার তার মুসলমান অধিবাসীদের থেকে যে পরিমাণ অর্থ কর (যেমন: আয়কর, খাজনা ও ভূমিকর প্রভৃতি) হিসেবে গ্রহণ করে থাকে, তার ইহুদী ও খ্রিষ্টান নাগরিকদের থেকে জিযিয়া হিসাবে তার চেয়েও কম অর্থ গ্রহণ করে থাকে। এটি যথার্থ হিসেব করেই করা হয়ে থাকে। মুসলমানরা খুম্স ও যাকাত দেয়া ছাড়াও ইসলামী রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কখনো কখনো নিজের উপার্জন ও মূলধন হতেও খরচ করতে বাধ্য। অন্যদিকে ইহুদী ও খ্রিষ্টানরা ইসলামের নিরাপত্তার পতাকাতলে জীবন যাপন করবে, তাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত অধিকারগুলো ভোগ করবে অথচ তারা ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকারকে রক্ষার জন্য যুদ্ধ করতে ও এজন্য অর্থ খরচ করতে বাধ্য নয়। তাই এটি অন্যায্য কোন বিষয় নয়।

বিস্তারিত

ইসলাম জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত

ইসলাম জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত    ইসলাম যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও জ্ঞানগত ধারার ওপর প্রতিষ্ঠিত পবিত্র কোরআন তার সুস্পষ্ট সাক্ষ্য বহন করে। গণনা করে দেখা গেছে, ‘জ্ঞান’ ( علم ) শব্দটি কোরআনে মোট প্রায় ৭৮০ বার, ‘বুদ্ধিবৃত্তি’ ( عقل ) শব্দটি মোট ৪৮ বার ও ‘চিন্তা’ ( فکر ) শব্দটি মোট ১৮ বার ব্যবহৃত হয়েছে। আর পবিত্র কোরআন আগাগোড়াই বিভিন্ন দার্শনিক যুক্তিতে পরিপূর্ণ যা ইতোপূর্বে কোন দার্শনিকই উল্লেখ করেন নি এবং পরবর্তীতেও কোন চিন্তাবিদ তা খণ্ডন করতে পারেন নি। বুদ্ধিবৃত্তিক এসব আয়াত অত্যন্ত সূক্ষ্ম যুক্তি ও গভীর জ্ঞানগত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত- যা অস্বীকার করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

বিস্তারিত

নাহজুল বালাগায় পরাপ্রাকৃতিক (আধ্যাত্মিক-অজড়) বিষয়াদির ক্ষেত্রে দার্শনিক অনুধাবন ও উপলব্ধিসমূহের মূল্য

নাহজুল বালাগায় পরাপ্রাকৃতিক (আধ্যাত্মিক-অজড়) বিষয়াদির ক্ষেত্রে দার্শনিক অনুধাবন ও উপলব্ধিসমূহের মূল্য নাহজুল বালাগা’য় স্রষ্টাতত্ত্ব সংক্রান্ত বিষয়াদি দু’ভাবে উপস্থাপিত ও আলোচিত হয়েছে : এর একটি প্রক্রিয়ায় ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগৎ (বস্তুজগৎ) অথবা এর সমুদয় ব্যবস্থা যেগুলো এর মাঝে বিদ্যমান ও ক্রিয়াশীল সেগুলো এমন এক আয়নাতুল্য দেখানো হয়েছে যা এর অস্তিত্বদাতার (স্রষ্টা) জ্ঞান ও পূর্ণতা নির্দেশক। আর অন্য প্রক্রিয়ায় খাঁটি বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তাধারা এবং বিশুদ্ধ দার্শনিক বিচার-বিশ্লেষণ ব্যবহার করা হয়েছে। নাহজুল বালাগার স্রষ্টাত্তত্ব বিষয়ক অধিকাংশ আলোচনার ভিতই হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তাধারা এবং দার্শনিক বিচার-বিশ্লেষণ। মহান আল্লাহর পবিত্র সত্তার পূর্ণতা নির্দেশক (গুণ ও বিষয়াদি) এবং দোষ-ক্রটি প্রত্যাখ্যানকারী গুণ ও বিষয়াদির ক্ষেত্রে কেবল এ দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটিই ব্যবহার করা হয়েছে।

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)