আল হাসানাইন (আ.)

ধর্ম এবং মাযহাব

ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষ

ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষ

মানুষ হলো দেহ ও আত্মার সমন্বয়ে গঠিত অস্তিত্বঃ মৃত্যুর পর যার দেহ বিন্বনষ্ট হয়। কিন্তু আত্মা জীবনপথে অগ্রসর হয়। সে কেয়ামত সংঘটিত হওয়া পর্যন্ত বারযাখের জীবন অতিবাহিত করবে। কোরআন মাজীদ মানব সৃষ্টির বর্ণনা করতে গিয়ে শেষ পর্যায়কে মানুষের দেহে রূহ ফুঁকে দেয়ার পর্যায় বলে উল্লেখ করেছে

বিস্তারিত

মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব-শেষ অংশ

মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব-শেষ অংশ খলিফা বা প্রতিনিধি হল সেই ব্যক্তি যে প্রতিনিধি নিয়োগকারীর স্থলাভিষিক্ত হয়। কখনও প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি সময়গত। অর্থাৎ সময়ের দৃষ্টিতে প্রতিনিধিত্ব লাভকারীব্যক্তি প্রতিনিধি নিয়োগকারীর পরে আসে এবং কখনও প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি পর্যায় বা মর্যাদাগত। প্রথম ক্ষেত্রে মর্যাদার দিক থেকে প্রতিনিধি নিয়োগকারী প্রতিনিধির ওপর শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হওয়া অপরিহার্য নয়। খলিফা বা প্রতিনিধি যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে তার থেকে শ্রেষ্ঠ হতে পারে,আবার নিম্নতরও হতে পারে। এক্ষেত্রে বিষয়টি রহিত ও রহিতকারী বিধানের ন্যায়,যে ক্ষেত্রে রহিতকারী বিধান রহিত বিধান অপেক্ষা শক্তিশালী। কিন্তু কখনও প্রতিনিধিত্বের এ বিষয়টি অস্তিত্বের ক্রম ও মর্যাদার দৃষ্টিতেবিবেচিত হয়। এ দৃষ্টিতে প্রতিনিধি নিয়োগকারী অবশ্যই প্রতিনিধি থেকে শ্রেষ্ঠ এবংপ্রতিনিধি তার শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি নিয়োগদাতার মনোনয়নের কারণে লাভ করে। তার বৈধতা,ক্ষমতা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়োগদাতার অনুগ্রহ ও সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল এবং তার অনুগ্রহ ব্যতীত প্রতিনিধির কোন ক্ষমতা ও বৈধতা নেই। সুতরাং প্রতিনিধি অস্তিত্বগতভাবে মর্যাদায় তার নিয়োগকারী হতে নিম্ন পর্যায়ে। এরূপ ক্ষেত্রে প্রতিনিধি কখনও নিজেকে শ্রেষ্ঠ বা নিয়োগকারীর সমপর্যায়ে গণ্য করতে পারে না। এরূপ করলে সে তার বৈধতা হারাবে। এ কারণেই ঐশী প্রতিনিধি ও নবিগণ কখনও নিজেকে আল্লাহর সমকক্ষ ও সমমর্যাদা দানের মত অংশীবাদী চিন্তা করতে পারেননা। তেমনি কোন নবীর ওয়াসি ও প্রতিনিধি ঐ নবীর ওপর শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করতেপারেন না

বিস্তারিত

মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব-২য় অংশ

মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব-২য় অংশ মানুষের ঐশী খেলাফত বা প্রতিনিধিত্বের মূল ভিত্তি হল আল্লাহর পূর্ণতম নামসমূহ সম্পর্কে তার জ্ঞান ও সেগুলোর প্রকাশস্থল হওয়া। যেহেতু মহান আল্লাহ অসীম এবং তাঁর সকল বৈশিষ্ট্যই অসীম সেহেতু মানুষের এ প্রতিনিধিত্ব লাভ সৃষ্টিজগতে আল্লাহর ক্ষমতা ও অস্তিত্বগত সীমাবদ্ধতার কারণে নয়;বরং যে অস্তিত্ব জগতের ওপর ঐশী মানবের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে আল্লাহর অনুগ্রহ ধারণের ক্ষেত্রে সেটির (অস্তিত্বজগতের) অক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতাই এ ঐশী মানবের প্রতিনিধিত্বের কারণ। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ্ সকল কিছুকে বেষ্টন করে আছেন এবং নিরঙ্কুশভাবে প্রকাশিত।

বিস্তারিত

মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব- প্রথম অংশ

মানুষের ঐশী প্রতিনিধিত্ব- প্রথম অংশ মানুষের মর্যাদার একটি মূল্যবান দিক হল সে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বজনীন প্রতিনিধিত্ব লাভ করেছে। হযরত আদম (আ.) সকল মানবীয় মর্যাদার অধিকারী হিসাবে এক্ষেত্রে ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপিত হয়েছেন। মানুষকে এ প্রতিনিধিত্বের জন্য মনোনয়নের পেছনে যুক্তি হিসাবে মহান আল্লাহর (পবিত্র) নামসমূহ সম্পর্কে তাঁর অবগতির বিষয়টি পবিত্র কুরআনে উল্লিখিত হয়েছে। ইসলামী জ্ঞানের উৎসসমূহে আল্লাহর নামসমূহ বলতে অদৃশ্য জগৎ ও তার রহস্যময় ভাণ্ডারই উদ্দেশ্য। মানুষের এ ঐশী প্রতিনিধিত্ব পৃথিবীতে সীমাবদ্ধ নয়;বরং সে পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলী সর্বত্রই আল্লাহর খলিফা বা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত। প্রতিনিধিত্বের দৃষ্টিতে তার মধ্যে উপাস্য (ইলাহ্) হওয়া ও নিরঙ্কুশ শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার হওয়া ব্যতীত স্রষ্টার সকল গুণবাচক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

বিস্তারিত

হারাম খাদ্যের প্রভাব

হারাম খাদ্যের প্রভাব ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য রিজিক হালাল হওয়া খুবই জরুরি। হালাল রিজিকের প্রভাব শুধু নিজের দুনিয়া ও আখিরাতের সৌভাগ্যের জন্যই যে জরুরি তা নয়, নিজের সন্তানের ওপরও এর প্রভাব থাকে। রুজি-রোজগারের মধ্যে খুব সামান্য ও এমনকি বিন্দু পরিমাণ হারাম এবং সুদের প্রভাব সন্তানের মধ্যে প্রকাশ পায়

বিস্তারিত

জ্ঞানের সাথে মুসলমানদের সম্পর্কের উৎস

জ্ঞানের সাথে মুসলমানদের সম্পর্কের উৎস জর্জি যাইদানের মতে মুসলমানদের জ্ঞানের দিকে ঝুঁকে পড়ার অন্যতম কারণ হলো জ্ঞানার্জনের জন্য ইসলামের পুনঃপুন অনুপ্রেরণা দান ও তাকিদ। মুসলমানরা "সত্য জ্ঞানকে ভ্রান্ত বিশ্বাসীদের নিকট হতে হলেও গ্রহণ কর, কিন্তু ভ্রান্ত ধারণাকে সত্যপন্থীর নিকট হতে হলেও গ্রহণ কর না এবং যে কোন কথা পর্যালোচনা ও যাচাই কর।” --এ হাদিসটিকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করেছিল

বিস্তারিত

কে মু’তা বিবাহ নিষিদ্ধ করেছে? (২)

কে মু’তা বিবাহ নিষিদ্ধ করেছে? (২) দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর তার খেলাফত কালে মিম্বারে বসে জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তৃতার এক পর্যায়ে উল্লেখ করেন: “রাসূলের (সা.) যুগে দু’ধরনের মু’তার প্রচলন ছিল। কিন্তু আমি সে দু’টি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছি। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে তামাত্তু হজ্ব এবং অপরটি মু’তাতুন্নেসা বা সাময়িক বিবাহ।

বিস্তারিত

কে মু’তা বিবাহ নিষিদ্ধ করেছে? (১)

কে মু’তা বিবাহ নিষিদ্ধ করেছে? (১) দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর তার খেলাফত কালে মিম্বারে বসে জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তৃতার এক পর্যায়ে উল্লেখ করেন: “রাসূলের (সা.) যুগে দু’ধরনের মু’তার প্রচলন ছিল। কিন্তু আমি সে দু’টি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছি। একটি হচ্ছে তামাত্তু হজ্ব এবং অপরটি মু’তাতুন্নেসা বা সাময়িক বিবাহ

বিস্তারিত

পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে সাময়িক বিবাহ

পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে সাময়িক বিবাহ শিয়া ও সুন্নী উভয় মাযহাবের শীর্ষস্থানীয় আলেমবৃন্দ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করেন যে, রাসূলুল্লাহর (সা.) যুগে সাময়িক বিবাহের প্রচলন ছিল। কিন্তু সুন্নী মাযহাবের অধিকাংশ ফিকাহবিদগণ মন্তব্য করেছেন যে, এ বিবাহের বিধানটি পরবর্তিতে রহিত করা হযেছে।

বিস্তারিত

বিভিন্ন ফিকাহর দৃষ্টিতে খুম্‌স

বিভিন্ন ফিকাহর দৃষ্টিতে খুম্‌স ইমামী মাজহাবের ফকীহগণ ফিকাহর কিতাবসমূহে ‘খুম্‌স’ শিরোনামে একটি বিশেষ অধ্যায় সংযোজন করেছেন যা ‘যাকাত’ অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে। এ অধ্যায়ের মূল কোরআন মজীদের সূরা আনফালের ৪১ নং আয়াতে নিহিত রয়েছে। এ আয়াতে বলা হয়েছে..

বিস্তারিত

মুবাহালাহর দিবস

মুবাহালাহর দিবস নাজরানের প্রধান ধর্মযাজক তখন বললেনঃ আমি এমন সব পবিত্র মুখমণ্ডল দেখতে পাচ্ছি যে, যখনই তাঁরা হাত তুলে দুআ করে মহান আল্লাহর দরবারে সবচেয়ে পাহাড়কে উপড়ে ফেলতে বলবেন, তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের দুআয় সাড়ায় দেয়া হবে। সুতরাং এ সব আলোকিত (নূরানী) মুখমণ্ডল এবং সুমহান মর্য্যাদার অধিকারী ব্যক্তির সাথে আমাদের মুবাহালা করা কখনই ঠিক হবে না। কারণ এতে করে আমাদের ধ্বংসা হয়ে যাওয়া বিচিত্র কিছু নয় এবং স্রষ্টার শাস্তি ব্যাপকতা লাভ করে বিশ্বের সকল খ্রীস্টানকে সমূলে ধ্বংস করে দিতে পারে। তখন পৃথিবীর বুকে একজন খ্রীষ্টানও অবশিষ্ট থাকবে না।

বিস্তারিত

কুরআনের দৃষ্টিতে নবী-রাসূলগণ

কুরআনের দৃষ্টিতে নবী-রাসূলগণ প্রতিটি মানবগোষ্ঠীর মধ্যেই সত্য, ন্যায়, পবিত্রতা ও হক্‌-ইনসাফের যে অনুভূতিটুকু পাওয়া যায় সেসবই কোনো না কোনোভাবে নবী-রাসূলগণের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সাথে সম্পর্কিত। এই বিশাল সৃষ্টিজগতের পশ্চাতে একজন সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রণকারীর সুনিপুণ হাত কার্যকর এ বাস্তব ধারণা এবং তৎসঙ্গে ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা, কল্যাণ-অকল্যাণ, হক-ইনসাফ প্রভৃতি অনুভূতি একান্তভাবেই নবী-রাসূলগণের প্রদত্ত শিক্ষারই উত্তরাধিকার।

বিস্তারিত

নবী পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অঙ্গ

নবী পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অঙ্গ আহলে বাইত বা নবী পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ইসলামের অন্যতম কার্যাবলীরই একটি। যুব সম্প্রদায় এবং ইমামদের মধ্যে আবেগপূর্ণ সম্পর্ক তাদেরকে (যুবকদেরকে) যে কোন ভুলত্রুটি অথবা ক্ষতিকর ব্যাপার থেকে রক্ষা করে থাকে। তাছাড়া আহলে বাইতের কর্মপন্থা অনুসরণ করে তারা জীবনের সঠিক পথ পেতে পারে। কুরআনে করীমেও আহলে বাইত কর্তৃক জনগণকে পথপ্রদর্শন এবং পরিচালনার বিষয়টিকে তাদের ভালোবাসা এবং বন্ধুত্বের প্রকাশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিস্তারিত

দরিদ্রতার চেয়ে মৃত্যু ভাল

দরিদ্রতার চেয়ে মৃত্যু ভাল ধনসম্পদ থাকলেই মানুষ সুখী হতে পারে না। কারণ অতিরিক্ত ধন-সম্পদ মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। অপরদিকে অতিরিক্ত দারিদ্র্যও মানুষের ঈমানকে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই ইসলাম সবসময় মানুষের দারিদ্র্য দূর করার চেষ্টা করে। অভাব মোকাবেলার ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী সম্পর্কে আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.) বলেছেন, দরিদ্রতার জন্য চেয়ে মৃত্যু ভাল।

বিস্তারিত

মহানবী (সাঃ)-এর আহলে বাইতকে ভালবাসা ফরজ

মহানবী (সাঃ)-এর আহলে বাইতকে ভালবাসা ফরজ মহানবী (সাঃ) যে রেসালা„তের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন, আল্লাহ তার বান্দার কাছ থেকে তাঁর রেসালা„তের পারিশ্রমিক বাবদ মহানবী (সাঃ) -এর আহলে বাইত-এর মুয়াদ্দাত (আনুগত্যপূর্ণ ভালোবাসা) ফরয করে দিয়েছেন। যদি আমরা আহলে বাইতকে প্রাণাধিক ভালো না বাসি, আনুগত্য না করি, তাহ„লে আল্লাহর হুকুম অকার্যকর থেকে যা„বে বা মানা হবে না, তাই হুকুম হচ্ছে। “বলুন, আমি আমার রিসালা„তের পারিশ্রমিক তোমাদের কা„ছে কিছুই চাই না, শুধু আমার কুরবা (আলী, ফাতেমা, হাসান ও হোসাইন)-এর মুয়াদ্দাত (আনুগত্যপূর্ণ ভা„লাবাসা) ব্যতিত।” (সূরা-শুরা, আয়াত-২৩) ।

বিস্তারিত

সুন্নাত না ইতরাত

সুন্নাত না ইতরাত এই হাদীসটি “কোরআন ও হাদীস বা সুন্নাহ্” উম্মত„কে কিন্তু বিভ্রান্তি„তে ফেলে দিয়েছে। এই বিভ্রান্তি মুসলমানদের ফেরকাবন্দী বা দল বিভক্তির কার„ণ হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত লেখনীতে আমি মহানবী (সাঃ) তার উম্মত„কে “কোরআন ও ইতরাত, আহলে বাইত” (আলী, ফাতেমা, হাসান ও হোসাইন (আঃ)-ƒকেই অনুসরণ করতে হুকুম করে গিয়েছেন। তা কোরআন-হাদীস ও আহলে সুন্নাতের প্রসিদ্ধ আলেমগণের উক্তিও প্রমাণ স্বরূ€প সুন্দরভা„ব তু„লে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিস্তারিত

উলিল আমর

উলিল আমর কেউ “উলিল আমর”-ƒকে রাষ্ট্রনায়ক, কেউ আবার বিচারক হিসা„বে মত প্রকাশ করেছেন, (তাফসীরে মা„রেফুল কোরআন); মূলতঃ এ„তে আহলে বাইতের মাসুম ইমামদের কথা বলা হয়েছে। কেননা আল্লাহ্ যেখা„নে নিজের সঙ্গে রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্যের হুকুম দিচ্ছেন; সেখানে উলিল আম„রের আনুগত্যও সকল বান্দা„দের উপর ওয়াজিব ঘোষণা করেছেন। এখা„ন উলিল আমরকে আল্লাহ্ ও রাসূ„লের প্রতিনিধি ঘোষণা করেছেন। তাঁ„কে অবশ্যই মাসুম (নিষ্পাপ) হতে হবে।

বিস্তারিত

ধর্মে কোন জোর-জুলুম নেই

ধর্মে কোন জোর-জুলুম নেই ধর্মে জোর-জবরদস্তি করার কোন সুযোগ নেই –এ আয়াতটি বক্তব্যের দিক থেকে পবিত্র কোরআনের একটি স্পষ্ট আয়াত। পবিত্র কোরআন বলছে যে, ঈমানের ক্ষেত্রে যদি শক্তি প্রয়োগ করা সঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য হতো তাহলে আল্লাহ্‌তায়ালা নিজেই তাঁর সৃষ্ট ক্ষমতা বলে সমস্ত মানুষকে ঈমানদার বানাতে পারতেন কিন্তু ঈমান এমন এক জিনিস যা মানুষ নিজেই বাছাই করবে। আর তাই কোরআনের অন্যত্র বলা হয়েছে “তোমার রবের পক্ষ থেকে সত্য এসেছে এখন যার ইচ্ছে তা গ্রহণ করুক, আর যার ইচ্ছে একে প্রত্যাখ্যান করুক।” (১৮:২৯)

বিস্তারিত

গিবনের চোখে কুরআন, বিশ্বনবী, আলী ও হুসাইন (আ) এবং ইহুদি-নৃশংসতা

গিবনের চোখে কুরআন, বিশ্বনবী, আলী ও হুসাইন (আ) এবং ইহুদি-নৃশংসতা গিবনের লেখা ‘রোমান সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতনের ইতিহাস’ শীর্ষক বইটি প্রামাণ্য তথ্য, নিরপেক্ষতা ও চমৎকার ভাষার জন্য ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। এ বইয়ে তিনি প্রচলিত তথা বিকৃত হয়ে-পড়া খ্রিস্ট ও ইহুদি ধর্মের তীব্র সমালোচনা করেছেন। গিবন রোমান সভ্যতার উত্থান ও পতনের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা সভ্যতা, ইসলামের বিস্তার এবং মোঙ্গলদের হামলার গতিধারার এক আকর্ষণীয় চিত্রময় বর্ণনা তুলে ধরেছেন তার এ বইয়ে।

বিস্তারিত

অস্থায়ী বিবাহ প্রসঙ্গে

অস্থায়ী বিবাহ প্রসঙ্গে মুত্‘আহ্ (অস্থায়ী বিবাহ) মুসলমানদের দু’টি প্রধান ধারা শিয়া ও সুন্নীর মধ্যকার বিতর্কের অন্যতম প্রধান বিষয় - যা এ দুই ধারার মধ্যকার দূরত্বকে ব্যাপক বিস্তৃত করেছে। শিয়া মায্হাব অস্থায়ী বিবাহকে বৈধ গণ্য করে এবং সুন্নী মায্হাবগুলো এটিকে অবৈধ, বরং ব্যভিচারের সমতুল্য বলে গণ্য করে থাকে। এ বিতর্কের মূল কারণ, দ্বীনী বিধিবিধানের তথা ফরয ও হারাম সংক্রান্ত বিধানের প্রকৃত উৎসের দিকে দৃষ্টিপাত না করে সংশয়মূলক ( ظنی ) দলীল, মনীষীদের মতামত ও ব্যক্তিগত পসন্দ-অপসন্দকে অগ্রাধিকার প্রদান করা।

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)