আল হাসানাইন (আ.)

ধর্ম এবং মাযহাব

গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি

গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি

জিহ্বার দ্বারা যে সব কঠিন পাপ কাজ সংঘটিত হয় তার অন্যতম হল গীবত। গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি। গীবত করার ফলে মানুষের অন্তর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে তা আল্লাহর ক্ষমা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যের ছিদ্রান্বেষণ ও গীবত বর্তমানে আমাদের অনেকেরই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে আমরা এর কুফল বেমালুম ভুলে গেছি। বড় ও ছোট কেউই এ দোষ থেকে মুক্ত নয়।

বিস্তারিত

আল্লাহর নবীদের সংখ্যা

আল্লাহর নবীদের সংখ্যা ইতিহাসের সাক্ষানুসারে আল্লাহর অসংখ্য নবীই এ পৃথিবীতে এসেছেন । পবিত্র কুরআনও এ বিষয়েরই সাক্ষী দেয় । যাদের মধ্যে অনেকের নাম ও ইতিহাসই পবিত্র কুরআন উল্লেখ করেছে । আবার তাদের অনেকের নামই পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত হয়নি ।

বিস্তারিত

খলিফাতুর রাসূলের প্রয়োজনীয়তা ও তার নিয়োগ প্রণালী

খলিফাতুর রাসূলের প্রয়োজনীয়তা ও তার নিয়োগ প্রণালী যেহেতু রাসূল (সঃ) দ্বীনের কোন বিষয় অসম্পূর্ণ রেখে যাননি। সেহেতু তাঁর অবর্তমানে তাঁর প্রাণপ্রিয় ইসলামের এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (খলিফাতুর রাসূল) অসম্পূর্ণ বা অমীমাংসিত রেখে যেতে পারেন না,এটাই সর্বসম্মত মত। হয়ত তিনি এমন কর্মপন্থা প্রস্তাব করে গেছেন যা কার্যকর হলে অন্যদের হস্তক্ষেপ থেকে দ্বীন নিরাপদ থাকত। এখন প্রশ্ন হলো সেই কর্মপন্থাটি কী?

বিস্তারিত

নাহজুল বালাঘায় আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার

নাহজুল বালাঘায় আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার যারা আপনজনকে সাহায্য করা থেকে হাত গুটিয়ে রাখে তারা প্রয়োজনের সময় অনেক হাত গুটানো দেখতে পাবে। যে কেউ মিষ্টি স্বভাবের হবে তার প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা-ভালবাসা চিরস্থায়ী হয়ে থাকে।

বিস্তারিত

পবিত্র কোরআনের সঙ্গে আহলে বাইতের সম্পর্ক

পবিত্র কোরআনের সঙ্গে আহলে বাইতের সম্পর্ক পবিত্র কোরআন, হাদীস এবং বিভিন্ন ইসলামী গ্রন্থে কাদেরকে আহলে বাইত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে? এবং কোরআনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কি? আদি কাল থেকেই এ বিষয়টা নিয়ে মুফাসসিরগণ ও কালাম শাস্ত্রবিদগণ বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও পর্যালোচনা করে আসছেন। এ ব্যাপারে অনেক গ্রন্থও রচিত হয়েছে। এই লেখনিগুলো থেকে পরিস্কারভাবে বোঝা যায় যে, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর পরিবারের কিছুসংখ্যক সদস্যকে আহলে বাইত বলা হয়েছে।

বিস্তারিত

পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই ইসলামের লক্ষ্য

পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই ইসলামের লক্ষ্য আদিকাল থেকেই মানব সমাজে ‘ন্যায়বিচার’ প্রসঙ্গ আলোচিত হয়ে এসেছে। সৃষ্টিলগ্ন থেকে মানুষকে আল্লাহ যে স্বাধীনতা (সীমিত আকারে) দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তার সাথে ন্যায়বিচারের প্রসঙ্গ সরাসরি জড়িত। মানুষ জীবনে চলার পথে স্বেচ্ছায় ও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জুলুম-অত্যাচার কিংবা শান্তি ও ন্যায়পরায়ণতা এ দু’পথের কোন্ পথে সে অগ্রসর হবে তা সে নিজেই নির্বাচন করে। অন্যথায় দায়িত্ব-কর্তব্য,হিসাব-নিকাশ এবং পরিণতিতে শাস্তি ও পুরস্কার (দোযখ ও বেহেশত) এ সব কিছুই অর্থহীন হয়ে পড়ে। পবিত্র কোরআনের ভাষায় “আমি তাকে পথ প্রদর্শন করেছি,হয় সে কৃতজ্ঞ হবে না হয় অকৃতজ্ঞ হবে

বিস্তারিত

ইসলামী সন্ত্রাস : বাস্তবতা না কল্পকথা?

ইসলামী সন্ত্রাস : বাস্তবতা না কল্পকথা? পবিত্র কুরআন ও হাদীসে সন্ত্রাস নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও তালেবান ও আলকায়দার মতো দলগুলো মুসলিম বিশ্বে আত্মঘাতি হামলা চালিয়ে বা বোমা হামলা চালিয়ে নিরপরাধ ও বেসামরিক মুসলমানদের হত্যা করছে। আর এসব কাজে কুরআন ও হাদীসের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেছে। আসলে এটা সঠিক বাক্যকে ভুল কাজে ব্যবহারের দৃষ্টান্তের মতো।

বিস্তারিত

ধর্মকে কেন্দ্র করেই পৃথিবীতে সভ্যতার বিকাশ হয়েছে

ধর্মকে কেন্দ্র করেই পৃথিবীতে সভ্যতার বিকাশ হয়েছে বাংলাদেশে ইদানীং তরুণদের মাঝে নীতি-নৈতিকতাহীনতা ব্যাপক মাত্রায় লক্ষ্য করা যায়। মাদক সেবন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি মেয়েদের ওপর লাঞ্ছনার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটির মেয়েদের সম্ভ্রমহানী ঘটছে। অনেক মেয়ে আত্মহত্যা করতেও বাধ্য হয়েছে।

বিস্তারিত

কবরের উপর সৌধ নির্মাণ

কবরের উপর সৌধ নির্মাণ কবরের উপর সৌধ নির্মাণ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শামিল। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তাঁর নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে নির্দেশ দিয়েছেন,কারণ তা অন্তরের পরহেজগারীর (আত্মসংযম) প্রমাণ।  

বিস্তারিত

ওযূতে পা মাসেহ্ নাকি ধৌত করতে হবে?

ওযূতে পা মাসেহ্ নাকি ধৌত করতে হবে? ওযূ, নামায, রোযা ইত্যাদি ‘ইবাদত মূলক কাজসমূহের প্রকৃতি হচ্ছে স্রেফ্ আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্যের নিদর্শন; এগুলোতে বস্তুজাগতিক কোনো কল্যাণ যদি নিহিত থাকেও তথাপি বস্তুজাগতিক কল্যাণের উদ্দেশ্যে এগুলোর নির্দেশ দেয়া হয় নি। সুতরাং ওযূর পিছনে শারীরিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যগত কল্যাণের উদ্দেশ্য সন্ধান করা কোনোভাবেই ঠিক নয়।

বিস্তারিত

মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল-কুদ্‌সকে কেন পরে পরিবর্তন করা হলো

মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল-কুদ্‌সকে কেন পরে পরিবর্তন করা হলো দ্বিতীয় হিজরিতে একদিন মহানবী বনি সালিমের মসজিদে জোহরের নামায পড়ছিলেন। দুই রাকাত পড়ার পর ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.) এসে মহানবীর দুই হাত ধরে তাঁকে কাবার দিকে ঘুরিয়ে দিলেন। তখন থেকেই কাবা মুসলমানদের কিবলায় পরিণত হলো।

বিস্তারিত

ইসলামের সর্বজনীন ঐক্যচিন্তা

ইসলামের সর্বজনীন ঐক্যচিন্তা পবিত্র কুরআনে সুস্পষ্টভাবে এই নীতি ঘোষণা করা হয়েছে যে, ইসলাম কোন নতুন ধর্ম নয়। কেননা, সমগ্র ইতিহাসে ধর্ম কেবল একটাই মনোনীত করা হয়েছে। প্রত্যেক নবীকে সময়ের প্রেক্ষাপট ও যুগের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে।

বিস্তারিত

ধর্ম ও রাজনীতি

ধর্ম ও রাজনীতি রাজনীতির সঠিক ব্যাখ্যা হচ্ছে প্রশাসনিক শক্তির বলে একটি সমাজের ভিতরগত ও বাইরের সকল বিষয়ের শাসন,নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা। আর ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা হচ্ছে,এতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সমন্বিত ঐশী ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা মানুষের সকল ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজন এবং পারলৌকিক জীবনের সকল প্রয়োজনও পূরণের নিশ্চয়তা বিধান করে।

বিস্তারিত

ইসলাম জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত

ইসলাম জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত ইসলাম জ্ঞানগত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসগুলোসহ অন্য শাখা-প্রশাখামূলক বিধি-বিধানও দলিল-প্রমাণ সহকারে বর্ণিত হয়েছে; এমন কি যারা আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে অস্বীকার করে তাদেরকেও কোরআন সপক্ষের যুক্তি-প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানায়। তাই ক্রমাগতভাবে বলা হয়েছে, “বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে প্রমাণ পেশ কর।”

বিস্তারিত

পবিত্র কুরআনের দৃষ্টিতে ‘উলুল আমর’

পবিত্র কুরআনের দৃষ্টিতে ‘উলুল আমর’ নবী (সা.)-এর আনুগত্য করা যেমন সকল মুমিনের জন্য ফরজ তেমনি উলিল আমরের আনুগত্য করা সকল মুমিনের জন্য ফরজ। এমন হওয়া অসম্ভব যে, উলিল আমরের কোন সদস্যের আনুগত্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির ওপর আবশ্যক হবে ও অন্যদের ওপর অনাবশ্যক হবে। কারণ, আয়াতে বর্ণিত উলিল আমরের আনুগত্যকে আল্লাহ সকল মুমিনের ওপর ফরজ করেছেন।

বিস্তারিত

আহলে বাইত

আহলে বাইত নবী করিম (সা.)-এর আহলে বাইতকে ভালবাসার ব্যাপারে মুসলমানদের মধ্যে কোন দ্বিমত নেই । তবে আহলে বাইত কারা– এ ব্যাপারে যথেষ্ট মতানৈক্য বিদ্যমান । মুসলমানদের কোন এক সম্প্রদায় আহলে বাইত বলতে শুধুমাত্র তার সম্মানীতা স্ত্রীগণকে বুঝিয়ে থাকেন । আবার অন্য এক সম্প্রদায় এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র হযরত ফাতিমা, তার স্বামী ও সন্তানদ্বয়কে রাসুলের সাথে সংযোগ করে থাকেন । আবার নবী (সা.) এর আহলে বাইতের মধ্যে হযরত আব্বাস, আক্বীল ও জাফর তাইয়্যারকেও শামিল করে থাকেন ।

বিস্তারিত

বিচারবুদ্ধি ও ইসলাম

বিচারবুদ্ধি ও ইসলাম বিচারবুদ্ধিকে পুরোপুরি বর্জন করা অথবা শুধু বিচারবুদ্ধির ওপর নির্ভর করা উভয়ই ভুল কর্মপন্থা। বরং বিচারবুদ্ধিকে যথাযথ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে - এটাই ‘আক্বল্ বা বিচারবুদ্ধির দাবী; ইসলামের আবেদনও এটাই। বিচারবুদ্ধি হচ্ছে ইসলাম গৃহের দরযা; এ পথেই ইসলামে প্রবেশ করতে হবে এবং এরপর ইসলামকে সঠিকভাবে জানা-বুঝা ও অনুসরণের ক্ষেত্রে বিচারবুদ্ধির ভূমিকা হচ্ছে সহায়ক বা হাতিয়ারের ভূমিকা।

বিস্তারিত

জীবন জিজ্ঞাসার জবাব সন্ধানে জ্ঞানতত্ত্বের পথনির্দেশ

জীবন জিজ্ঞাসার জবাব সন্ধানে জ্ঞানতত্ত্বের পথনির্দেশ বিচারবুদ্ধি স্বয়ং জ্ঞানের উৎস এবং অন্যান্য জ্ঞানসূত্রের সত্যাসত্য বিচারকারী। অবশ্য বিভিন্ন কারণে বিচারবুদ্ধি ভুল করতে পারে, তবে বিচারবুদ্ধির বিশ্লেষণেই সে ভুল ধরা পড়ে ও সংশোধিত হয়। এমতাবস্থায় জীবন ও জগতের মহাসত্য সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাসমূহের সঠিক জবাব পেতে হলে স্বয়ং বিচারবুদ্ধির কাছ থেকে জবাব শুনতে হবে এবং অন্যান্য সূত্রে প্রাপ্ত জবাবসমূহকেও বিচার-বিশ্লেষণের জন্য বিচারবুদ্ধির সামনে পেশ করতে হবে।

বিস্তারিত

কোরআনের দৃষ্টিতে : আহলে নাজাত্ কা’রা?

কোরআনের দৃষ্টিতে : আহলে নাজাত্ কা’রা? কোরআন মজীদের দৃষ্টিতে আহলে নাজাত বা মুক্তিপ্রাপ্তির অধিকারী জনগোষ্ঠী কেবল বর্তমানে প্রচলিত ‘মুসলিম’ পরিভাষার আওতাভুক্ত লোকেরা নয়, বরং কোরআন মজীদে শব্দটির যে ব্যাপক অর্থ ভিত্তিক ব্যবহার হয়েছে তার আওতাভুক্ত লোকেরা অর্থাৎ প্রথম মানুষ হযরত আদম (‘আঃ) থেকে শুরু করে যারাই প্রকৃত অর্থে একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলার কাছে (তা তাদের কাছে তাঁর নাম ‘আল্লাহ্’ না হয়ে অন্য কিছু হলেও) আত্মসমর্পণ করেছে ও করবে তারাই প্রকৃত মুসলিম (তা তারা নিজেদের জন্য ‘মুসলিম’ শব্দ ব্যবহার করুক বা না-ই করুক) এবং তারাই আহলে নাজাত।

বিস্তারিত

ইসলাম এবং বিশ্বজনীন শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন

ইসলাম এবং বিশ্বজনীন শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিশ্বব্যাপী শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য একদল উপযুক্ত ও পরিশুদ্ধ ব্যক্তিত্ব প্রয়োজন যারা ন্যায়ের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবে ও ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করবে যদিও এটি তাদের স্বার্থের প্রতিকূলে হয়। কুরআন উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য সম্বলিত নেতৃত্বকে ‘উলুল আমর’ (সূরা নিসা : ৫৯) এবং এরূপ নেতৃত্বের সহযোগীদের ‘ইবাদুন সালেহ’ (সূরা আম্বিয়া : ১০৫) বলে অভিহিত করেছে। আর যে বিধি-বিধান ও পরিকল্পনা বিশ্বে বাস্তবায়িত হলে বিশ্বব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করেছে তা হল ইসলামী শরীয়ত।

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)