আল হাসানাইন (আ.)

ধর্ম এবং মাযহাব

'খ্রিস্টানরা চির-বিলুপ্ত হতো মুহাম্মাদের (সা.) সঙ্গে মুবাহিলা হলে '

'খ্রিস্টানরা চির-বিলুপ্ত হতো মুহাম্মাদের (সা.) সঙ্গে মুবাহিলা হলে '

‘মুবাহিলা’ বলতে মিথ্যাবাদী কে তা প্রমাণের লক্ষ্যে মিথ্যাবাদীর ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষণের জন্য দোয়া বা প্রার্থনা করাকে বোঝায়। পবিত্র কুরআনের সুরা আলে ইমরানের ৬১ নম্বর আয়াতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে:  

বিস্তারিত

ইসলামে ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির গুরুত্ব

ইসলামে ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির গুরুত্ব ইসলামে ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে স্বতন্ত্র সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্ববহ নিবন্ধ প্রকাশ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। প্রকৃতপক্ষে সমসাময়িক বিশ্বে ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবস্থাপনার বিষয়টি গবেষকদের কাছে অপরিচিত। এমনকি শিক্ষিত মুসলমান, যারা আদর্শগতভাবে ইসলামে বিশ্বাস করে, তারা ইসলামী ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধে সাধারণ ধারণা থাকা সত্ত্বেও বিস্তারিতভাবে এর ব্যাখ্যা কামনা করে।  

বিস্তারিত

কোরবানির তাৎপর্য ও শিক্ষা

কোরবানির তাৎপর্য ও শিক্ষা মানবজাতির ইতিহাসে পিতা-মাতা-পুত্রের চরম আত্মোৎসর্গের এরূপ দৃষ্টান্ত আর কখনো দেখা যায় না। তাই আল্লাহ মানবজাতিকে অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে এ চরম ও অত্যুজ্জ্বল আত্মোৎসর্গের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছেন ঈদুল আজহা ও কোরবানির মাধ্যমে।  

বিস্তারিত

কোরবানির ইতিহাস

কোরবানির ইতিহাস আজকে মুসলিম সমাজে কোরবানির যে প্রচলন তা মূলত মুসলিম মিল্লাতের বা জাতির পিতা হজরত ইব্রাহীম (আ.) এর দেখানো পথ বা সুন্নাত। হজরত ইব্রাহীম (আ.) এর শতবর্ষ বয়সের পর আল্লাহ তায়ালা তাঁকে যে সন্তান দান করেছিলেন, তিনি আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক আদিষ্ট হয়ে তাঁর সে কলিজার টুকরা হজরত ইসমাইল (আ.) এর কোরবানির সূত্র ধরে আজও কোরবানি প্রচলিত আছে।

বিস্তারিত

আহকাম বা বিধিবিধান জানার পথ

আহকাম বা বিধিবিধান জানার পথ মুকাল্লিফ দ্বীনি বিধান সম্পর্কে জানার ও সে অনুযায়ী আমল করার জন্য তিনটি কাজ ও পন্থা অবলম্বন করতে পারে: ১. ইজতিহাদ করা ২. ইহতিয়াত ও সতর্কতা অবলম্বন  ৩. তাকলিদ

বিস্তারিত

তাকলিদ

তাকলিদ যে কোন বুদ্ধিমান ও আকলসম্পন্ন মানুষ তার প্রাত্যহিক জীবনে যে সকল বিষয়ে নিজে অবগত নয় বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে থাকে; তেমনিভাবে ধর্মীয় বিষয়েও যেহেতু সে বিশেষজ্ঞ নয় সেহেতু তাকে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞের (মার্জায়ে তাকলিদ) শরণাপন্ন হতে হয়। এরূপ শরণাপন্ন হওয়াকেই ‘তাকলিদ’ বা অনুসরণ বলা হয়।

বিস্তারিত

‘হুকম’ ও ‘ফতওয়া’ এ দুই পরিভাষার মধ্যে পার্থক্য

‘হুকম’ ও ‘ফতওয়া’ এ দুই পরিভাষার মধ্যে পার্থক্য ‘হুকম’ হল শরীয়তের বৈধ শাসক ও ফকিহ আলেম কর্তৃক কোন ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় বিধানকে কার্য্ কর ও বাস্তবায়নের স্থান অথবা সময় অথবা তার বিষয়বস্তু ও দৃষ্টান্তকে নির্ধারণ করা এবং কল্যাণ চিন্তার ভিত্তিতে কোন কাজকে সম্পাদন অথবা পরিত্যাগের আবশ্যকতা ঘোষণা। আর ‘ফতওয়া’ ফকিহদের পরিভাষায় বিশেষজ্ঞ ফকিহ কর্তৃক আল্লাহর বিধান বর্ণিত হওয়া

বিস্তারিত

ইসলামে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের স্বাধীনতা

ইসলামে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের স্বাধীনতা ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার তার মুসলমান অধিবাসীদের থেকে যে পরিমাণ অর্থ কর (যেমন: আয়কর, খাজনা ও ভূমিকর প্রভৃতি) হিসেবে গ্রহণ করে থাকে, তার ইহুদী ও খ্রিষ্টান নাগরিকদের থেকে জিযিয়া হিসাবে তার চেয়েও কম অর্থ গ্রহণ করে থাকে। এটি যথার্থ হিসেব করেই করা হয়ে থাকে। মুসলমানরা খুম্স ও যাকাত দেয়া ছাড়াও ইসলামী রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কখনো কখনো নিজের উপার্জন ও মূলধন হতেও খরচ করতে বাধ্য। অন্যদিকে ইহুদী ও খ্রিষ্টানরা ইসলামের নিরাপত্তার পতাকাতলে জীবন যাপন করবে, তাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত অধিকারগুলো ভোগ করবে অথচ তারা ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকারকে রক্ষার জন্য যুদ্ধ করতে ও এজন্য অর্থ খরচ করতে বাধ্য নয়। তাই এটি অন্যায্য কোন বিষয় নয়।

বিস্তারিত

ইসলাম জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত

ইসলাম জ্ঞানগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত    ইসলাম যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও জ্ঞানগত ধারার ওপর প্রতিষ্ঠিত পবিত্র কোরআন তার সুস্পষ্ট সাক্ষ্য বহন করে। গণনা করে দেখা গেছে, ‘জ্ঞান’ ( علم ) শব্দটি কোরআনে মোট প্রায় ৭৮০ বার, ‘বুদ্ধিবৃত্তি’ ( عقل ) শব্দটি মোট ৪৮ বার ও ‘চিন্তা’ ( فکر ) শব্দটি মোট ১৮ বার ব্যবহৃত হয়েছে। আর পবিত্র কোরআন আগাগোড়াই বিভিন্ন দার্শনিক যুক্তিতে পরিপূর্ণ যা ইতোপূর্বে কোন দার্শনিকই উল্লেখ করেন নি এবং পরবর্তীতেও কোন চিন্তাবিদ তা খণ্ডন করতে পারেন নি। বুদ্ধিবৃত্তিক এসব আয়াত অত্যন্ত সূক্ষ্ম যুক্তি ও গভীর জ্ঞানগত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত- যা অস্বীকার করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

বিস্তারিত

নাহজুল বালাগায় পরাপ্রাকৃতিক (আধ্যাত্মিক-অজড়) বিষয়াদির ক্ষেত্রে দার্শনিক অনুধাবন ও উপলব্ধিসমূহের মূল্য

নাহজুল বালাগায় পরাপ্রাকৃতিক (আধ্যাত্মিক-অজড়) বিষয়াদির ক্ষেত্রে দার্শনিক অনুধাবন ও উপলব্ধিসমূহের মূল্য নাহজুল বালাগা’য় স্রষ্টাতত্ত্ব সংক্রান্ত বিষয়াদি দু’ভাবে উপস্থাপিত ও আলোচিত হয়েছে : এর একটি প্রক্রিয়ায় ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগৎ (বস্তুজগৎ) অথবা এর সমুদয় ব্যবস্থা যেগুলো এর মাঝে বিদ্যমান ও ক্রিয়াশীল সেগুলো এমন এক আয়নাতুল্য দেখানো হয়েছে যা এর অস্তিত্বদাতার (স্রষ্টা) জ্ঞান ও পূর্ণতা নির্দেশক। আর অন্য প্রক্রিয়ায় খাঁটি বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তাধারা এবং বিশুদ্ধ দার্শনিক বিচার-বিশ্লেষণ ব্যবহার করা হয়েছে। নাহজুল বালাগার স্রষ্টাত্তত্ব বিষয়ক অধিকাংশ আলোচনার ভিতই হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তাধারা এবং দার্শনিক বিচার-বিশ্লেষণ। মহান আল্লাহর পবিত্র সত্তার পূর্ণতা নির্দেশক (গুণ ও বিষয়াদি) এবং দোষ-ক্রটি প্রত্যাখ্যানকারী গুণ ও বিষয়াদির ক্ষেত্রে কেবল এ দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটিই ব্যবহার করা হয়েছে।

বিস্তারিত

নাহজুল বালাগায় মোনাফিকের বর্ণনা

নাহজুল বালাগায় মোনাফিকের বর্ণনা মোনাফেক সম্পর্কে আমি তোমাদের সতর্ক করে দিচ্ছি। কারণ তারা নিজেরা গোমরাহ এবং অন্যদেরকেও গোমরাহ করে। তারা নিজেরা আছাড় খেয়েছে এবং অন্যদেরকেও আছাড় খাওয়াতে চায়। তারা বহুরূপী এবং বহু পথ অবলম্বন করে। তারা তোমাকে তাদের অনুসারী করতে ওৎ পেতে থাকে এবং সকল প্রকারের সহায়তা নিয়ে তোমার দিকে এগিয়ে আসে। তাদের মুখমণ্ডল পরিচ্ছন্ন হলেও হৃদয় রোগাক্রান্ত। তারা গোপনে চলাফেরা করে এবং রুগ্নের মতো পদচারণা করে। তাদের কথা চিকিৎসার মতো কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ড দুরারোগ্য ব্যাধির মতো।

বিস্তারিত

নাহজুল বালাগা অবলম্বনে পরহেজগার ব্যক্তির গুণাবলী

নাহজুল বালাগা অবলম্বনে পরহেজগার ব্যক্তির গুণাবলী পরহেজগার ও খোদা-ভীরু ব্যত্তিকে আল্লাহর ভয় তীরের মতো কৃশ করে ফেলেছে। যে কেউ তাদের দিকে তাকালে তাদেরকে মনে করবে রুগ্ন,আসলে তা নয়। কেউ কেউ মনে করবে তারা পাগল;আসলে আল্লাহর ভয় তাদেরকে পাগল করে দিয়েছে। তারা তাদের অল্প সৎ আমলে সন্তুষ্ট হয় না এবং তাদের সৎ আমলকে বৃহৎ কিছু মনে করে না। তারা সর্বদা নিজেদেরকে দোষারোপ করে এবং তাদের কাজের জন্য ভীত সন্ত্রস্ত থাকে।

বিস্তারিত

জ্ঞান অর্জনের দায়িত্ব-কর্তব্য (২য় অংশ)

জ্ঞান অর্জনের দায়িত্ব-কর্তব্য (২য় অংশ) অন্যান্য আবশ্যিক দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক ইসলামী দায়িত্ব পালন নির্ভর করে জ্ঞান অর্জনের ওপর। জ্ঞান অর্জন অন্যান্য আবশ্যিক দায়িত্ব ও ইসলামী বিষয় সম্পাদন করার চাবিকাঠি হিসাবে পরিচিত-ইসলামী আইনশাস্ত্রে যাকে ‘প্রাথমিক বাধ্যবাধকতা’ বলা হয়েছে। সুতরাং যদি মুসলমানদের অবস্থার উন্নতি হয় এবং বিজ্ঞান থেকে তারা আরও অধিক লাভবান হয় তাহলে জ্ঞান অর্জন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এবং এর ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করবে।

বিস্তারিত

জ্ঞান অর্জনের দায়িত্ব-কর্তব্য (১ম অংশ)

জ্ঞান অর্জনের দায়িত্ব-কর্তব্য (১ম অংশ) জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলমানের জন্য বাধ্যতামূলক এবং কোন একটি বিশেষ শ্রেণী বা উপশ্রেণীর জন্য তা নির্দিষ্ট নয়। ইসলামের পূর্ববর্তী সভ্যতাসমূহে জ্ঞান অর্জন কেবল একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর অধিকারের ব্যাপার ছিল। কিন্তু ইসলামে জ্ঞান অর্জন একটি বাধ্যতামূলক (ফরয) কাজ এবং নামায আদায় করা, রোযা রাখা, যাকাত প্রদান করা, হজ্বে যাওয়া, জিহাদে অংশগ্রহণ করা এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধের মতো জ্ঞান অর্জন করাও প্রত্যেকের ওপর আবশ্যিক দায়িত্ব।

বিস্তারিত

গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি

গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি জিহ্বার দ্বারা যে সব কঠিন পাপ কাজ সংঘটিত হয় তার অন্যতম হল গীবত। গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি। গীবত করার ফলে মানুষের অন্তর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে তা আল্লাহর ক্ষমা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যের ছিদ্রান্বেষণ ও গীবত বর্তমানে আমাদের অনেকেরই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে আমরা এর কুফল বেমালুম ভুলে গেছি। বড় ও ছোট কেউই এ দোষ থেকে মুক্ত নয়।

বিস্তারিত

আল্লাহর নবীদের সংখ্যা

আল্লাহর নবীদের সংখ্যা ইতিহাসের সাক্ষানুসারে আল্লাহর অসংখ্য নবীই এ পৃথিবীতে এসেছেন । পবিত্র কুরআনও এ বিষয়েরই সাক্ষী দেয় । যাদের মধ্যে অনেকের নাম ও ইতিহাসই পবিত্র কুরআন উল্লেখ করেছে । আবার তাদের অনেকের নামই পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত হয়নি ।

বিস্তারিত

খলিফাতুর রাসূলের প্রয়োজনীয়তা ও তার নিয়োগ প্রণালী

খলিফাতুর রাসূলের প্রয়োজনীয়তা ও তার নিয়োগ প্রণালী যেহেতু রাসূল (সঃ) দ্বীনের কোন বিষয় অসম্পূর্ণ রেখে যাননি। সেহেতু তাঁর অবর্তমানে তাঁর প্রাণপ্রিয় ইসলামের এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (খলিফাতুর রাসূল) অসম্পূর্ণ বা অমীমাংসিত রেখে যেতে পারেন না,এটাই সর্বসম্মত মত। হয়ত তিনি এমন কর্মপন্থা প্রস্তাব করে গেছেন যা কার্যকর হলে অন্যদের হস্তক্ষেপ থেকে দ্বীন নিরাপদ থাকত। এখন প্রশ্ন হলো সেই কর্মপন্থাটি কী?

বিস্তারিত

নাহজুল বালাঘায় আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার

নাহজুল বালাঘায় আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার যারা আপনজনকে সাহায্য করা থেকে হাত গুটিয়ে রাখে তারা প্রয়োজনের সময় অনেক হাত গুটানো দেখতে পাবে। যে কেউ মিষ্টি স্বভাবের হবে তার প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা-ভালবাসা চিরস্থায়ী হয়ে থাকে।

বিস্তারিত

পবিত্র কোরআনের সঙ্গে আহলে বাইতের সম্পর্ক

পবিত্র কোরআনের সঙ্গে আহলে বাইতের সম্পর্ক পবিত্র কোরআন, হাদীস এবং বিভিন্ন ইসলামী গ্রন্থে কাদেরকে আহলে বাইত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে? এবং কোরআনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কি? আদি কাল থেকেই এ বিষয়টা নিয়ে মুফাসসিরগণ ও কালাম শাস্ত্রবিদগণ বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও পর্যালোচনা করে আসছেন। এ ব্যাপারে অনেক গ্রন্থও রচিত হয়েছে। এই লেখনিগুলো থেকে পরিস্কারভাবে বোঝা যায় যে, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর পরিবারের কিছুসংখ্যক সদস্যকে আহলে বাইত বলা হয়েছে।

বিস্তারিত

পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই ইসলামের লক্ষ্য

পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই ইসলামের লক্ষ্য আদিকাল থেকেই মানব সমাজে ‘ন্যায়বিচার’ প্রসঙ্গ আলোচিত হয়ে এসেছে। সৃষ্টিলগ্ন থেকে মানুষকে আল্লাহ যে স্বাধীনতা (সীমিত আকারে) দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তার সাথে ন্যায়বিচারের প্রসঙ্গ সরাসরি জড়িত। মানুষ জীবনে চলার পথে স্বেচ্ছায় ও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জুলুম-অত্যাচার কিংবা শান্তি ও ন্যায়পরায়ণতা এ দু’পথের কোন্ পথে সে অগ্রসর হবে তা সে নিজেই নির্বাচন করে। অন্যথায় দায়িত্ব-কর্তব্য,হিসাব-নিকাশ এবং পরিণতিতে শাস্তি ও পুরস্কার (দোযখ ও বেহেশত) এ সব কিছুই অর্থহীন হয়ে পড়ে। পবিত্র কোরআনের ভাষায় “আমি তাকে পথ প্রদর্শন করেছি,হয় সে কৃতজ্ঞ হবে না হয় অকৃতজ্ঞ হবে

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)