আল হাসানাইন (আ.)

ইমাম হোসাইন (আ.)

আশুরার ঘটনাবলীঃ তাবু লুট ও অগ্নিসংযোগ

আশুরার ঘটনাবলীঃ তাবু লুট ও অগ্নিসংযোগ

ফাতেমা সোগরা বলেছেন, “আমি তাবুর দরজায় দাড়িয়ে আমার বাবার মাথাবিহীন লাশ এবং ধূলায় পড়ে থাকা প্রিয়জন-সহচরদের দেহগুলো দেখছিলাম। দুশমনের ঘোড়াগুলো যখন এসব লাশের উপর দিয়ে দলে দলে চলছিল আমি কান্নায় ফেটে পড়ছিলাম। চিন্তায় ছিলাম পিতার অবর্তমানে বনি উমাইয়া গোষ্ঠী আমাদের সাথে কি আচরণই না করে বসে। আমাদেরকে কি তারা হত্যা করে না বন্দী করে নিয়ে যায়। হটাৎ এক ব্যক্তিকে দেখলাম সে বর্শা উচিয়ে নারীদেরকে একদিকে হাকিয়ে নিয়ে যাচ্ছ। নারীগণ আশ্রয় গ্রহণ করার জন্য ছুটোছুটি করছে। এ সময় নারীদের বোরকা ও অলংকার সব লুন্ঠন হয়ে গেছে, আর নারীগণ চিৎকার দিয়ে বলছিল-

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ যুদ্ধের ময়দানে শহীদগণের নেতা ইমাম হোসাইন (আ.)

আশুরার ঘটনাবলীঃ যুদ্ধের ময়দানে শহীদগণের নেতা ইমাম হোসাইন (আ.) একজন বর্ণনাকারী লিখেছেনঃ আল্লাহর শপথ! দুশমন বেষ্টিত সন্তান, পরিবার ও সাথীদের লাশ চোখের সামনে। এ অবস্থায় হোসাইন (আ.) এর চেয়ে অধিক দৃঢ়চিত্ত বীর আর কেউ হতে পারে না। যখনই শত্রুবাহিনী সম্মিলিত হামলা চালাতো তিনি তাদের দিকে তরবারী হানতেন পুরো বাহিনী চতুর্দিকে নেকড়ের মত ছিটকে পড়তো। এক হাজারের অধিক সৈন্য এক সাথে তার উপর হামলা চালায়। ইমাম (আ.) এর সামনে এসে পঙ্গপালের মতো পালাতে থাকে। একটু দূরে গিয়েই বলতে থাকে-

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ হযরত আবুল ফজল আব্বাস (আ.) এর ত্যাগ ও শাহাদত

আশুরার ঘটনাবলীঃ হযরত আবুল ফজল আব্বাস (আ.) এর ত্যাগ ও শাহাদত হোসাইন (আ.) পিপাসায় কাতর হয়ে তার ভাই আব্বাসকে সাথে নিয়ে ফোরাতের তীরে উপস্থিত হলেন। ইবনে সা’দের বাহিনী ঝাপিয়ে পড়ল দু’জনার উপর। তাদের পথ বন্ধ করল। বনি দারম গোত্রের এক দুরাচার আবুল ফজল আব্বাস (আ.) এর দিকে তীর নিক্ষেপ করলে তার পবিত্র মুখে বিদ্ধ হয়। ইমাম হোসাইনই (আ.) তা টেনে বের করে নেন তার হাত রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায়। রক্তগুলো ছুড়ে ফেলে বললেন-হে খোদা! এ জনগোষ্ঠী তোমার নবী নন্দিনীর সন্তানের উপর এ জুলুম চালাচ্ছে এদের বিরুদ্ধে তোমার দরবারে বিচার দিচ্ছি । ইবনে সা’দের বাহিনী মুহূর্তের মধ্যে ইমাম হোসাইন (আ.) থেকে হযরত আব্বাস (আ.) কে ছিনিয়ে নেয়। চতুর্মুখী আক্রমণ, তরবারীর সম্মিলিত আঘাতে হযরত আব্বাস (আ.) শাহাদাতের শরবত পান করেন। হোসাইন (আ.) তার শাহাদাতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। কবি তাই তো বলেছেন-

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ কাসেম বিন হাসানের (আ.) শাহাদত

আশুরার ঘটনাবলীঃ কাসেম বিন হাসানের (আ.) শাহাদত আলী আকবর (আ.) এর শাহাদাতের পর এমন একজন যুবক ময়দানে এসে যুদ্ধ শুরু করলেন যার চেহারা ছিল পূর্ণ চাঁদের মতো। ইবনে ফুজাইল আযদী তার মাথায় এমন জোরে তরবারী চালিয়ে দেয় এতে তার মাথা দু’ভাগ হয়ে যায়। তিনি ধূলায় লুটিয়ে পড়ে চিৎকার দিয়ে বলে ওঠেনঃ ‘হে চাচা! হোসাইন (আ.) শিকারী বাজপাখির মতো ময়দানে ঝাপিয়ে পড়লেন । ক্রোধান্বিত বাঘের মত ইবনে ফুজাইলের উপর হামলা চালান। এতে তার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার চীৎকার শুনে কুফাবাসী সৈন্যরা তাকে রক্ষার জন্য হামলা চালায় কিন্তু সে ঘোড়ার পায়ের নীচে ছিন্নভিন্ন ও ধূলিস্যাৎ হয়ে যায়।

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ আলী আকবর (আ.)-এর বীরত্ব

আশুরার ঘটনাবলীঃ আলী আকবর (আ.)-এর বীরত্ব ইমাম হোসাইন (আ.)এর সঙ্গীরা ক্ষতবিক্ষত ও রক্তাক্ত অবস্থায় একে একে ভূমিতে লুটিয়ে পড়েন। আহলে বাইত ছাড়া আর কেউ বেচে নেই। এ সময় সবচেয়ে সুন্দর অবয়ব, সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী আলী বিন হোসাইন (আ.) তার পিতার কাছে এসে যুদ্ধের অনুমতি প্রার্থনা করেন। ইমাম হোসাইন (আ.) তৎক্ষণাৎ অনুমতি দেন। এরপর তার দিকে উদ্বেগের দৃষ্টি ফেলেন আর ইমামের দু’চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। অশ্রুসিক্ত অবস্থায় বললেনঃ

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ কারবালার বীরত্বগাঁথা

আশুরার ঘটনাবলীঃ কারবালার বীরত্বগাঁথা ইমাম হোসাইন (আ.) এর সাথীরা এমন বীর পুরুষ তাদেরকে যখন বিপদ উত্তরণের জন্য আহ্বান করা হয় অথচ দুশমনের দল তীর বর্শা বা তরবারী নিয়ে সম্মিলিত আক্রমণ চালায়-তখন তারা বীরত্বের বর্ম পরিধান করে নিজেদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে কুন্ঠিত হয় না।

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ ইমাম হোসাইন (আ.) এর তাবুতে হোর ইবনে ইয়াজিদের আগমন

আশুরার ঘটনাবলীঃ ইমাম হোসাইন (আ.) এর তাবুতে হোর ইবনে ইয়াজিদের আগমন ওমর বিন সাদ যখন ইমাম হোসাইনের তাবু লক্ষ করে  তীর নিক্ষেপ করল তখন হোর বিন ইয়াজিদ রিয়াহী ওমর বিন সাদকে লক্ষ্য করে বললেন- “হোসাইনের সাথে যুদ্ধ করতে চাও?” ওমর জবাব দেয়- হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ এমন যুদ্ধ করব যাতে সহজেই শরীর থেকে মাথাগুলো বিচ্ছিন্ন করা যায় আর হাতগুলো ধড় থেকে পৃথক করা যায়। এ কথাগুলো শোনার পর হোর তার সাথীদের কাতার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ ওমর সাদের মাধ্যমেই যুদ্ধ শুরু

আশুরার ঘটনাবলীঃ ওমর সাদের মাধ্যমেই যুদ্ধ শুরু দশই মহর্রমের দিন ওমর বিন সাদ সামনে অগ্রসর হয়ে হোসাইন (আ.) এর সঙ্গীদের দিকে একটি তীর নিক্ষেপ করল এবং বলল হে জনতা আমীরের কাছে সাক্ষী দিও আমিই প্রথম তীর নিক্ষেপ করেছি। এরপরই বৃষ্টির মত তীর ছুড়তে শুরু করে। হোসাইন (আ.) তার সাথীদের বললেনঃ

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ আশুরার দিন ভোরে ইমাম হোসাইন (আ.) এর ভাষণ

আশুরার ঘটনাবলীঃ আশুরার দিন ভোরে ইমাম হোসাইন (আ.) এর ভাষণ আশুরার দিন ভোরে ওমর বিন সাদের অশ্বারোহী বাহিনী অগ্রসর হল। ইমাম হোসাইন (আ.) বারির বিন খুজাইরকে তাদের কাছে পাঠালেন। বারির তাদেরকে উপদেশ দিলেন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেন। কিন্তু তারা বিন্দু মাত্র কর্ণপাত করেনি। এসব নছিহত তাদের মনে কোন প্রভাব ফেলেনি। এরপর ইমাম হোসাইন (আ.) তার উটে মতান্তরে অশ্বে আরোহণ করে ওমর বিন সাদের বাহিনীর সামনে দাঁড়ালেন। তাদেরকে গভীর মনযোগ দিয়ে তার কথা শোনার আহবান জানালেন। তারা নিরবে শুনতে লাগলো। ইমাম হোসাইন (আ.) অত্যন্ত উচ্চাঙ্গের শব্দ ও বাক্য প্রয়োগ করে মহান আল্লাহর প্রশংসা এবং মুহাম্মদ (সা.) ফেরেশতাকুল ও সকল নবীদের উপর দরুদ পড়ার পর বললেন

বিস্তারিত

আশুরার ঘটনাবলীঃ কারবালায় ইমাম হোসাইন (আ.) এর প্রথম ভাষণ

আশুরার ঘটনাবলীঃ কারবালায় ইমাম হোসাইন (আ.) এর প্রথম ভাষণ (কারবালার ময়দানে তৃষ্ণার্ত ইমাম বাহিনী এক দিকে-অপর দিকে ওমর বিন সা’দের বিশাল বাহিনী। এ অবস্থায় শত্রু সৈন্যদের উদ্দেশ্যে ইমাম তার তরবারীর উপর ভর দিয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠে প্রথম যে ভাষণ প্রদান করেন তা নিম্নরূপ।)

বিস্তারিত

মদিনা হতে ইমাম হোসাইনের (আ.) হিজরত

মদিনা হতে ইমাম হোসাইনের (আ.) হিজরত ৬০ হিজরীর ৩রা শাবান ইমাম হোসাইন (আ.) মক্কার দিকে রওয়ানা হন । আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ও আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর তার খেদমতে উপস্থিত হন । তারা বলেন যে, আপনি মক্কাতেই অবস্থান করুন । তিনি বললেন- রাসূলে খোদার (সা.) তরফ থেকে আমার উপর যে নির্দেশ আছে তা আমাকে পালন করতেই হবে । ইবনে আব্বাস ইমাম হোসাইন (আ.)-এর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেলেন । পথে তিনি বলছিলেন- হায় হোসাইন ! এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আসেন এবং বললেন- এখানকার পথহারা লোকদের সংশোধন করাই উত্তম হবে । যুদ্ধের পদক্ষেপ নিবেন না ।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর অন্তিম মুহূর্ত

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর অন্তিম মুহূর্ত আমি শুনলাম এক ব্যক্তি বলছে খোদার শপথ আমাদের বশ্যতা স্বীকার না করলে পানি দেব না যতক্ষণ না তা হবে জালাতনের গরম পানি। আমি শুনলাম ইমাম (আ.) বলছেন আমি তোমাদের কাছে নত হব না আমি আমার নানা রাসূলের (সা.) সান্নিধ্যে পৌছব এবং বেহেশতে তার সাথে এক সাথে থাকব আর তথাকার সুমিষ্ট পানি পান করবো এবং তোমাদের জুলুমসমূহের বিচার চাইব।

বিস্তারিত

আমার বাইয়াত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

আমার বাইয়াত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মুআবিয়া হিজরী ৬০ সালের রজব মাসে মারা যায় । ইয়াজিদ মদীনার তৎকালীন গভর্ণর ওলিদ ইবনে ওতবার কাছে এক পত্র লিখল । ঐ পত্রে নির্দেশ ছিল যে আমার আনুগত্যের পক্ষে মদীনার সব লোক বিশেষ করে হোসাইনের কাছ থেকে বাইআত গ্রহণ কর । হোসাইন যদি বাইআত করতে অস্বীকার করে তাহলে তার গর্দান উড়িয়ে দাও এবং আমার কাছে পাঠিয়ে দাও । ওলিদ মারওয়ানকে দরবারে ডেকে পাঠায় এবং এ ব্যাপারে তার পরামর্শ জানতে চায় । মারওয়ান বলল যে, হোসাইন (আ.) শির নত করবে না এবং কিছুতেই ইয়াজিদের হাতে বাইআত করবে না ।

বিস্তারিত

হোসাইন (আ.) এর শাহাদত সম্পর্কে জিব্রাইল (আ.) এর সংবাদ প্রদান

হোসাইন (আ.) এর শাহাদত সম্পর্কে জিব্রাইল (আ.) এর সংবাদ প্রদান ইয়া আল্লাহ! মুহাম্মদ তোমার বান্দা এবং তোমার রাসূল । এ দু’জন আমার বংশের পবিত্র এবং সম্মানিত ব্যক্তি । তাদেরকে আমার উম্মতের মাঝে আমার উত্তরাধিকারী হিসেবে রেখে যাচ্ছি । জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছে যে, আমার এই সন্তানদের লাঞ্ছিত করা হবে । ইয়া আল্লাহ তাদেরকে তুমি শাহাদতের সূধা পান করাও । তাদেরকে শহীদদের সর্দার বানাও এবং তাদের হত্যাকারী এবং লাঞ্ছনাকারীদের জন্য তা অশুভ কর ।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর জন্ম সংক্রান্ত একটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর জন্ম সংক্রান্ত একটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা উম্মুল ফজল বলেন- হোসাইন (আ.)এর জন্মের পূর্বে এক রাতে স্বপ্নে দেখলাম পয়গাম্বর (সা.) এর শরীর হতে এক টুকরা গোশত পৃথক হয়ে আমার কোলে এসে পড়ল । এ স্বপ্নের ব্যাখ্যা সারাসরি রাসূল (সা.) এর কাছে জানতে চাইলাম । তিনি বললেন, তোমার স্বপ্ন যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে অচিরেই আমার কন্যা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিবে এবং আমি তাকে দুধ পান করানোর জন্য তোমার কছে দিব ।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(শেষ পর্ব)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(শেষ পর্ব) নিঃসন্দেহে কারবালার মর্ম বিদারী ঘটনা মানব ইতিহাসের দীর্ঘ পরিক্রমায় ঘটে যাওয়া অজস্র ঘটনাবলীর মধ্যে শিক্ষা ও গুরুত্বের দিক থেকে অনন্য। এটা এমন এক মহা-বিস্ময়কর ঘটনা, যার সামনে মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষ বিশ্বের মহান চিন্তাবিদরা থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন,পরম বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে তারা স্তুতি-বন্দনায় মুখরিত হয়েছেন এই নজিরবিহীন আত্মত্যাগের। কারণ, কারবালার কালজয়ী বিপ্লবের মহানায়করা ‘অপমান আমাদের সয়না’-এই স্লোগান ধ্বনিত করে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সংখ্যায় হাতে গোনা হওয়া সত্ত্বেও খোদায়ী প্রেম ও শৌর্যে পূর্ণ টগবগে অন্তর নিয়ে জিহাদ ও শাহাদাতের ময়দানে আবির্ভূত হন এবং প্রতারণা ও প্রবঞ্চনার অধঃজগতকে পেছনে ফেলে উর্ধ্বজগতে মহান আল্লাহর সনে পাড়ি জমান।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(ছয়)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(ছয়) হযরত ইমাম হুসাইন (আ) ও আশুরার মহা-বিপ্লবও মহাকালের পাখায় চির-দেদীপ্যমান এমনই এক বিষয়। আপনি যতই বাক্যবাগীশ বা উঁচু মানের গবেষক কিংবা বিশ্লেষক হন না কেন কারবালার মহাবিপ্লব এবং এর রূপকার ও তাঁর অমর সঙ্গীদের মহত্ত্ব আর গুণ-কীর্তন পুরোপুরি তুলে ধরতে পারবেন না কখনও। তাই যুগের পর যুগ ধরে তাঁদের গুণ আর অশেষ অবদানের নানা দিক নিত্য-নতুনরূপে অশেষ সৌন্দর্যের আলো হয়ে চিরকাল প্রকাশিত হতেই থাকবে। কবির ভাষায়: যতদিন এ দুনিয়া রবে, চাঁদ সুরুজ আকাশে বইবে, তোমাদের নামের বাঁশী বাজিতে রইবে ভবে।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইনের হন্তাকারীদের করুণ পরিণতি

ইমাম হোসাইনের হন্তাকারীদের করুণ পরিণতি কারবালার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের হাজারো করুণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার একটি। ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ই মহররম কারবালার ময়দানে ইমাম হোসাইন (আ.) ও ইয়াজিদ বাহিনীর মধ্যে এ অসম যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই ঘটনার নেপথ্যে যারা কাজ করছে তারা ইতিহাসের পাতায় ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(পাঁচ)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(পাঁচ) আশুরার পূর্ব দিন অর্থাৎ ৬১ হিজরির নয়ই মহররম কুফায় ইয়াজিদের নিযুক্ত কুখ্যাত গভর্নর ইবনে জিয়াদ ইমাম হুসাইন (আ.)’র ছোট্ট শিবিরের ওপর অবরোধ জোরদারের ও হামলার নির্দেশ দেয়। এর আগেই আরোপ করা হয়েছিল অমানবিক পানি-অবরোধ। পশু-পাখী ও অন্য সবার জন্য ফোরাতের পানি ব্যবহার বৈধ হলেও এ অবরোধের কারণে কেবল নবী-পরিবারের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় এই নদীর পানি। ইয়াজিদ বাহিনীর সেনা সংখ্যাও ক্রমেই বাড়তে থাকে এবং দশই মহররমের দিনে তা প্রায় বিশ বা ত্রিশ হাজারে উন্নীত হয়।

বিস্তারিত

কারবালা থেকে পশ্চিম তীর-জাগো হুসাইনি সেনা

কারবালা থেকে পশ্চিম তীর-জাগো হুসাইনি সেনা সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্ব চিরন্তন। তাই বলা হয়, প্রতিটি ভূমিই কারবালা ও প্রত্যেক দিনই আশুরা। আজ সিরিয়াতে, ইরাকে, আফগানিস্তানে ও পাকিস্তানে একদল ধর্মান্ধকে লেলিয়ে দিয়ে নিরীহ ও বেসামরিক মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে। অথচ এই ধর্মান্ধরা মুসলমানদের জাত শত্রু ও দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এরা মিয়ানমারের অসহায় মুসলমানদের রক্ষার জন্যও কোনো উদ্যোগ কখনও নেয়নি।

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)