আল হাসানাইন (আ.)

ইমাম হোসাইন (আ.)

আমার বাইয়াত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

আমার বাইয়াত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

মুআবিয়া হিজরী ৬০ সালের রজব মাসে মারা যায় । ইয়াজিদ মদীনার তৎকালীন গভর্ণর ওলিদ ইবনে ওতবার কাছে এক পত্র লিখল । ঐ পত্রে নির্দেশ ছিল যে আমার আনুগত্যের পক্ষে মদীনার সব লোক বিশেষ করে হোসাইনের কাছ থেকে বাইআত গ্রহণ কর । হোসাইন যদি বাইআত করতে অস্বীকার করে তাহলে তার গর্দান উড়িয়ে দাও এবং আমার কাছে পাঠিয়ে দাও । ওলিদ মারওয়ানকে দরবারে ডেকে পাঠায় এবং এ ব্যাপারে তার পরামর্শ জানতে চায় । মারওয়ান বলল যে, হোসাইন (আ.) শির নত করবে না এবং কিছুতেই ইয়াজিদের হাতে বাইআত করবে না ।

বিস্তারিত

হোসাইন (আ.) এর শাহাদত সম্পর্কে জিব্রাইল (আ.) এর সংবাদ প্রদান

হোসাইন (আ.) এর শাহাদত সম্পর্কে জিব্রাইল (আ.) এর সংবাদ প্রদান ইয়া আল্লাহ! মুহাম্মদ তোমার বান্দা এবং তোমার রাসূল । এ দু’জন আমার বংশের পবিত্র এবং সম্মানিত ব্যক্তি । তাদেরকে আমার উম্মতের মাঝে আমার উত্তরাধিকারী হিসেবে রেখে যাচ্ছি । জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছে যে, আমার এই সন্তানদের লাঞ্ছিত করা হবে । ইয়া আল্লাহ তাদেরকে তুমি শাহাদতের সূধা পান করাও । তাদেরকে শহীদদের সর্দার বানাও এবং তাদের হত্যাকারী এবং লাঞ্ছনাকারীদের জন্য তা অশুভ কর ।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর জন্ম সংক্রান্ত একটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর জন্ম সংক্রান্ত একটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা উম্মুল ফজল বলেন- হোসাইন (আ.)এর জন্মের পূর্বে এক রাতে স্বপ্নে দেখলাম পয়গাম্বর (সা.) এর শরীর হতে এক টুকরা গোশত পৃথক হয়ে আমার কোলে এসে পড়ল । এ স্বপ্নের ব্যাখ্যা সারাসরি রাসূল (সা.) এর কাছে জানতে চাইলাম । তিনি বললেন, তোমার স্বপ্ন যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে অচিরেই আমার কন্যা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিবে এবং আমি তাকে দুধ পান করানোর জন্য তোমার কছে দিব ।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(শেষ পর্ব)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(শেষ পর্ব) নিঃসন্দেহে কারবালার মর্ম বিদারী ঘটনা মানব ইতিহাসের দীর্ঘ পরিক্রমায় ঘটে যাওয়া অজস্র ঘটনাবলীর মধ্যে শিক্ষা ও গুরুত্বের দিক থেকে অনন্য। এটা এমন এক মহা-বিস্ময়কর ঘটনা, যার সামনে মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষ বিশ্বের মহান চিন্তাবিদরা থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন,পরম বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে তারা স্তুতি-বন্দনায় মুখরিত হয়েছেন এই নজিরবিহীন আত্মত্যাগের। কারণ, কারবালার কালজয়ী বিপ্লবের মহানায়করা ‘অপমান আমাদের সয়না’-এই স্লোগান ধ্বনিত করে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সংখ্যায় হাতে গোনা হওয়া সত্ত্বেও খোদায়ী প্রেম ও শৌর্যে পূর্ণ টগবগে অন্তর নিয়ে জিহাদ ও শাহাদাতের ময়দানে আবির্ভূত হন এবং প্রতারণা ও প্রবঞ্চনার অধঃজগতকে পেছনে ফেলে উর্ধ্বজগতে মহান আল্লাহর সনে পাড়ি জমান।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(ছয়)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(ছয়) হযরত ইমাম হুসাইন (আ) ও আশুরার মহা-বিপ্লবও মহাকালের পাখায় চির-দেদীপ্যমান এমনই এক বিষয়। আপনি যতই বাক্যবাগীশ বা উঁচু মানের গবেষক কিংবা বিশ্লেষক হন না কেন কারবালার মহাবিপ্লব এবং এর রূপকার ও তাঁর অমর সঙ্গীদের মহত্ত্ব আর গুণ-কীর্তন পুরোপুরি তুলে ধরতে পারবেন না কখনও। তাই যুগের পর যুগ ধরে তাঁদের গুণ আর অশেষ অবদানের নানা দিক নিত্য-নতুনরূপে অশেষ সৌন্দর্যের আলো হয়ে চিরকাল প্রকাশিত হতেই থাকবে। কবির ভাষায়: যতদিন এ দুনিয়া রবে, চাঁদ সুরুজ আকাশে বইবে, তোমাদের নামের বাঁশী বাজিতে রইবে ভবে।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইনের হন্তাকারীদের করুণ পরিণতি

ইমাম হোসাইনের হন্তাকারীদের করুণ পরিণতি কারবালার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের হাজারো করুণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার একটি। ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ই মহররম কারবালার ময়দানে ইমাম হোসাইন (আ.) ও ইয়াজিদ বাহিনীর মধ্যে এ অসম যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই ঘটনার নেপথ্যে যারা কাজ করছে তারা ইতিহাসের পাতায় ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(পাঁচ)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(পাঁচ) আশুরার পূর্ব দিন অর্থাৎ ৬১ হিজরির নয়ই মহররম কুফায় ইয়াজিদের নিযুক্ত কুখ্যাত গভর্নর ইবনে জিয়াদ ইমাম হুসাইন (আ.)’র ছোট্ট শিবিরের ওপর অবরোধ জোরদারের ও হামলার নির্দেশ দেয়। এর আগেই আরোপ করা হয়েছিল অমানবিক পানি-অবরোধ। পশু-পাখী ও অন্য সবার জন্য ফোরাতের পানি ব্যবহার বৈধ হলেও এ অবরোধের কারণে কেবল নবী-পরিবারের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় এই নদীর পানি। ইয়াজিদ বাহিনীর সেনা সংখ্যাও ক্রমেই বাড়তে থাকে এবং দশই মহররমের দিনে তা প্রায় বিশ বা ত্রিশ হাজারে উন্নীত হয়।

বিস্তারিত

কারবালা থেকে পশ্চিম তীর-জাগো হুসাইনি সেনা

কারবালা থেকে পশ্চিম তীর-জাগো হুসাইনি সেনা সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্ব চিরন্তন। তাই বলা হয়, প্রতিটি ভূমিই কারবালা ও প্রত্যেক দিনই আশুরা। আজ সিরিয়াতে, ইরাকে, আফগানিস্তানে ও পাকিস্তানে একদল ধর্মান্ধকে লেলিয়ে দিয়ে নিরীহ ও বেসামরিক মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে। অথচ এই ধর্মান্ধরা মুসলমানদের জাত শত্রু ও দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এরা মিয়ানমারের অসহায় মুসলমানদের রক্ষার জন্যও কোনো উদ্যোগ কখনও নেয়নি।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(চার)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(চার) গত পর্বের আলোচনায় আমরা জেনেছি ইমাম হুসাইন (আ) ইয়াজিদকে মুসলিম জাহানের খলিফা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর জনগণ ও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তির দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় এই মহান ইমামের প্রতি। ইমাম মদীনা ছেড়ে চলে আসেন মক্কায়। মক্কায় হজের মওসুমে ইয়াজিদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করেন ইমাম হুসাইন (আ)। ইরাকের ও বিশেষ করে কুফার হাজার হাজার বিপ্লবী মুসলমান বিপ্লব ও মুক্তির আহ্বান জানিয়ে ইমামের কাছে চিঠি লেখেন।

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(তিন)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(তিন) যদি তারা আমার কাছে ইয়াজিদের জন্য আনুগত্যের শপথ আদায় করতে নাও আসে তবুও আমি শান্ত ও নীরব হব না। কারণ, সরকারের সঙ্গে আমার বিরোধ কেবল ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্যের প্রশ্নে সীমিত নয় যে এ বিষয়ে তারা নীরব হলেই আমিও নীরব হয়ে যাব। বরং ইয়াজিদের ও তার বংশের তথা উমাইয়াদের অস্তিত্বই নানা ধরনের জুলুম আর দুর্নীতি এবং ইসলামের মধ্যে বিকৃতি ঘটানোর মাধ্যম। তাই এইসব অনাচার ও দুর্নীতি দূর করা, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে বাধা দেয়া, আমার নানা রাসুলে খোদার (সা) বিধি-বিধানসহ আমার বাবা আলী ইবনে আবি তালিবের রসম-রেওয়াজ পুনরুজ্জীবন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সব সংকট ও অসঙ্গতির মূল শেকড় বনি-উমাইয়াদের নির্মূল করার জন্য সক্রিয় হওয়া আমার দায়িত্ব।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইন (আ.)’র বিপ্লবই ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করেছে

ইমাম হোসাইন (আ.)’র বিপ্লবই ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করেছে পৃথিবীতে যা যত বেশি দামী বা গুরুত্বপূর্ণ তা অর্জনের জন্যও তত বেশি শ্রম বা মূল্য দিতে হয়। একত্ববাদ, স্বাধীনতা, মানবতা ও উচ্চতর সব মূল্যবোধেরই সমষ্টি হল ইসলাম। তাই ইসলাম মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর সবচেয়ে বড় উপহার। এই ইসলাম মানবজাতির কাছে এসেছে হাজার হাজার বছর ধরে এক লাখ বা দুই লাখ নবী বা খোদায়ী প্রেরিত পুরুষের অশেষ ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং রক্তের বিনিময়ে।

বিস্তারিত

ইতিহাসের পাতায় কারবালা

ইতিহাসের পাতায় কারবালা কারবালা; শব্দটি শুনলেই মন কেঁদে ওঠে। স্বভাবতই মানুষ যখনই কোন হৃদয়বিদারক ঘটনা দেখে বা অপর কেউ তার জন্য বর্ণনা করে তখন সে মর্মাহত হয়। আফসোস করে। যদিও ঘটনার শিকার ঐ ব্যক্তিটির সাথে তার পরিবারিক কোন সম্পর্ক নাও থাকে। আজ প্রায় ১৪ শতাব্দি পার হতে চলল, তবুও কারবালার ঘটনার স্মৃতি বিন্দু পরিমাণেও ঝাঁপসা হয়নি। এখনো সেই দৃশ্যপট স্মরণ করা মাত্রই চোখ হতে অশ্রু জারী হয়। কেননা সে ঘটনা তো এমন এক ব্যক্তি কেন্দ্রীক, যাকে আল্লাহ্ পাক বেহেশ্তের যুবকদের সর্দার বানিয়েছেন, আর রাসূলে খোদা (সা.) হেদায়েতের বাতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

বিস্তারিত

ইমাম হুসাইন (আ.)-এর হত্যায় ইয়াযীদের ভূমিকা

ইমাম হুসাইন (আ.)-এর হত্যায় ইয়াযীদের ভূমিকা উমাইয়্যা বংশীয় খলিফা ইয়াযীদ ইবনে মু‘আবিয়া তার তিন বছরের শাসনামলে তিনটি বড় ধরনের অপরাধে লিপ্ত হয়েছিল। তার শাসনামলের প্রথম বছরে তার নির্দেশে ইমাম হুসাইন (আ.) সহ মহানবী (সা.)-এর পরিবারের পঞ্চাশজন শিশু, যুবক ও পৌঢ় ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়; দ্বিতীয় বছরে তার সেনাদল মদীনায় আক্রমণ চালায় এবং আশিজন সাহাবীসহ দশ হাজার লোককে হত্যা করে এবং এক হাজার মুসলিম নারীর শ্লীলতাহানি ঘটায়; তৃতীয় বছরে সে আবদুল্লাহ্ ইবনে যুবাইরকে দমনের উদ্দেশে মক্কায় আক্রমণের নির্দেশ দেয় ও তার সৈন্যরা পবিত্র কাবা গৃহে অগ্নিসংযোগ করে।  

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব - (দুই)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব - (দুই) হযরত ইমাম হুসাইন (আ)'র কালজয়ী মহাবিপ্লব নানা কারণে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে এবং এইসব কারণে এই মহাপুরুষ ও তাঁর সঙ্গীরা মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলে ভালবাসা আর শ্রদ্ধার অক্ষয় আসন করে নিয়েছেন।  এই কারণগুলোর মধ্যে সর্বাগ্রে উল্লেখ করতে হয় মহান আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী আন্তরিক চিত্তে যথাসময়ে জরুরিতম দায়িত্বটি পালন করা ও এ জন্য নিজের সন্তান ও জীবনসহ সব কিছু বিলিয়ে দেয়ার মত সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার। তাই মহান আল্লাহ তাঁর একনিষ্ঠ এই খোদাপ্রেমিক ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য বিশ্বের সব যুগের মু'মিন মানুষের হৃদয়ে দান করেছেন অনন্য মমত্ববোধ আর শ্রদ্ধা। ইমামের অতুলনীয় বীরত্ব, সাহসিকতা ও আপোসহীনতাও এক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর জন্য শোক প্রকাশের ইতিহাস

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর জন্য শোক প্রকাশের ইতিহাস হযরত রাসূল (সা.), ইমাম আলী (আ.), হযরত ফাতিমা যাহরা (আ.), ইমাম হাসান (আ.) ও অন্য ইমামগণ (আ.) ইমাম হোসাইন (আ.)-এর শাহাদাত ও কারবালার ঘটনার অনুপম ও অতুলনীয় বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে একে শোকানুষ্ঠানের ছাঁচে উজ্জীবিত রাখার ওপর খুব বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এ বিষয়টি স্পষ্ট যে, কোন ঘটনার প্রভাবের ব্যাপকতা ও গভীরতার ওপর ঐ ঘটনার সম্মান-মর্যাদা ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে। এ দিক থেকে আশুরার ঘটনাটি এমন একটি ঘটনা যা পরিমাণ, ব্যাপকতা ও গুণগত দিক থেকে অন্য কোন ঘটনার সাথে তুলনীয় নয়। তাই এর স্মরণও অনন্য ও অসাধারণভাবে হয়ে থাকে।  

বিস্তারিত

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব - (এক)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব - (এক) উমাইয়া শাসকরা সিরিয়ার জনগণকে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা)’র পবিত্র আহলে বাইতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষী প্রচারণায় এতোটা প্রভাবিত ও মাতিয়ে রেখেছিল যে আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (আ) যখন পবিত্র রমজান মাসে কুফার মসজিদে এক ধর্মান্ধ খারিজির সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ হন তখন সিরিয়ার অনেকেই বিস্মিত হয়ে বলেছিল: আলী কি মসজিদে যেতো ও নামাজ পড়তো!!?

বিস্তারিত

ইমাম হুসাইন (আ.)-এর উচ্চ মর্যাদা

ইমাম হুসাইন (আ.)-এর উচ্চ মর্যাদা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র,বেহেশতী নারীদের নেত্রী হযরত ফাতিমার (সা.) কলিজার টুকরা এবং  জ্ঞানের দরজা আমীরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)’র সুযোগ্য দ্বিতীয় পুত্র এবং ইসলামের চরম দূর্দিনের ত্রাণকর্তা ও শহীদদের নেতা হযরত ইমাম হুসাইন (আ.)-এর সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে সংক্ষিপ্তাকারে কিছু আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইন (আ.)'র কয়েকটি অমর বাণী

ইমাম হোসাইন (আ.)'র কয়েকটি অমর বাণী হযরত ইমাম হোসাইন (আ.) ছিলেন সম্মান, দয়া, বীরত্ব, শাহাদত, মুক্তি ও মহানুভবতার আদর্শ। তাঁর আদর্শ মানবজাতির জন্য এমন এক ঝর্ণাধারা বা বৃষ্টির মত যা তাদের দেয় মহত্ত্বম জীবন, গতি ও আনন্দ। মানুষের জীবনের প্রকৃত মর্যাদা ও প্রকৃত মৃত্যুর সংজ্ঞাকে কেবল কথা নয় বাস্তবতার মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়ে অমরত্ব দান করে গেছেন এই মহাপুরুষ। বিশেষ করে আল্লাহর পথে সর্বোচ্চ ত্যাগ ও শাহাদাতকে তিনি দিয়ে গেছেন অসীম সৌন্দর্য।

বিস্তারিত

বেহেশতের সর্দার : ইমাম হোসাইন (আ.)

বেহেশতের সর্দার : ইমাম হোসাইন (আ.) বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র,আমিরুল মুমিনীন আলী (আ.) ও নারী জাতির আদর্শ বেহেশতী নারীদের নেত্রী হযরত ফাতেমা (আ.)-এর দ্বিতীয় পুত্র ইমাম হোসাইন (আ.) চতুর্থ হিজরীর পবিত্র শাবান মাসের ৩ তারিখে বেলায়েত ও অহী অবতরণের গৃহে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পবিত্র শুভ জন্মদিন উপলক্ষে সবাইকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইন (আ.) -এর অনুপম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য

ইমাম হোসাইন (আ.) -এর অনুপম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নবী দৌহিত্র, মা ফাতেমা ও হযরত আলীর কলিজার টুকরা ইমাম হোসাইনের জীবনের প্রতিটি পর্যাযে রয়েছে উন্নত চরিত্রের নিদর্শন যা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় আদর্শ ।

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)