আল হাসানাইন (আ.)

ইতিহাস বিষয়ক

ভারতবর্ষে ইরানীদের ইসলাম প্রচার

ভারতবর্ষে ইরানীদের ইসলাম প্রচার

গজনভীরা প্রথম ইরানী হিসেবে পবিত্র ইসলামকে ভারতবর্ষে নিয়ে যায়। গজনভীদের সময় পাঞ্জাব প্রদেশ তাদের অধীনে ছিল এবং এ প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহর লাহোর ছিল গজনভীদের প্রাদেশিক রাজধানী। এই বংশের শাসনামলে বেশ কিছু মনীষী ভারতে গমন করেন। তন্মধ্যে খোরাসানের প্রসিদ্ধ জ্ঞানী ব্যক্তি আল বিরুনীর নাম উল্লেখ্য।

বিস্তারিত

আল মুরাজায়াতঃ দশম পত্র

আল মুরাজায়াতঃ দশম পত্র যদি আমার পত্রটি আগ্রহ নিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে এ জন্য প্রস্তুত করেছেন। আপনার পত্র দিনে দিনে আমার আকাঙ্ক্ষাকে লক্ষ্যে নিয়ে পৌঁছাচ্ছে এবং আমার কর্মকাণ্ডকে সফলতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যে ব্যক্তি পবিত্র নিয়ত ও অন্তর,সুন্দর চরিত্র,বিনয়,সৌজন্যবোধ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার অধিকারী,জ্ঞানের মুকুট তার মাথায়ই শোভা পাওয়া স্বাভাবিক। যে সহনশীলতার মাল্য পরিধান করেছে তার কথা ও লেখনীতেই সত্য প্রতিমূর্ত হয় এবং সত্যপরায়ণতা ও সুবিচার তার মুখেই প্রতিভাত হয়।

বিস্তারিত

আল মুরাজায়াতঃ অষ্টম পত্র

আল মুরাজায়াতঃ অষ্টম পত্র আমরা মহানবী (সা.)-এর বাণীর মাধ্যমেই শুধু যুক্তি প্রদর্শন করার ক্ষেত্রে অবহেলা প্রদর্শন করি নি,বরং আমাদের পত্রের শুরুতে এরূপ একটি হাদীসের প্রতি ইশারা করেছি যা পরিষ্কাররূপে আহলে বাইতের ইমামগণের অনুসরণকে ফরয ঘোষণা করেছে,অন্যদের নয়। কেননা বলেছি রাসূল (সা.) তাঁদেরকে কোরআনের সমকক্ষ,জ্ঞানবানদের নেতা,মুক্তির তরণী,উম্মতের রক্ষাকেন্দ্র ও ক্ষমার দ্বার বলে ঘোষণা করেছেন। এগুলো রাসূল হতে বর্ণিত সহীহ ও স্পষ্ট হাদীসসমূহের সারসংক্ষেপ। বলেছিলাম,আপনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত ইশারা ও ইঙ্গিতই যাঁদের বোঝার জন্য যথেষ্ট (কোন ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই)।

বিস্তারিত

আল মুরাজায়াতঃ ষষ্ঠ পত্র

আল মুরাজায়াতঃ ষষ্ঠ পত্র মহান আল্লাহর প্রশংসা এজন্য যে,আপনি তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা ইশারা থেকেই অনেক কিছু পরিষ্কার বুঝতে পারেন,তাই কোন ব্যাখ্যা ছাড়া শুধু ইশারা প্রদান করেছি। আল্লাহ্ না করুন আপনার অন্তরে (আহলে বাইতের) ইমামগণের সম্পর্কে কোন সন্দেহের সৃষ্টি হয়ে থাকে যা অন্যদের ওপর তাঁদের প্রাধান্য দানের পথে বাধার সৃষ্টি করছে। অথচ এ বিষয়টি পরিষ্কার যে,তাঁরা অন্যদের থেকে উচ্চ পর্যায়ের এবং একক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ছিলেন। কারণ পূর্ববর্তী নবীগণের জ্ঞান তাঁরা রাসূল (সা.)-এর মাধ্যমে অর্জন করেছিলেন এবং দীন ও দুনিয়ার বিধি-বিধান ও আহ্কামসমূহ তাঁর থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন।

বিস্তারিত

আল মুরাজায়াতঃ তৃতীয় ও চতুর্থ পত্র

আল মুরাজায়াতঃ তৃতীয় ও চতুর্থ পত্র আল্লামাহ্ শারাফুদ্দীন ও আল্লামাহ্ শেখ সালিম-এর পত্রালাপই আরবী ভাষায় ‘আল মুরাজায়াত’ নামে সংকলিত হয়। ‘মুরাজায়াত’ অর্থ পরস্পর রুজু হওয়া বা পরস্পরের দিকে মুখাপেক্ষী হওয়া।

বিস্তারিত

ইয়াজিদের দরবারে হযরত যয়নাব (সা.আ.) এর ভাষণ

ইয়াজিদের দরবারে হযরত যয়নাব (সা.আ.) এর ভাষণ ইবনে যিয়াদের কর্তৃক কাবালার ঘটনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর ইয়াজিদ ইবনে যিয়াদকে নির্দেশ দিল, হোসাইন (আ.) এর মস্তক ও যারা তার সাথে নিহত হয়েছে তাদের কর্তিত মাথা ইমাম হোসাইন (আ.) এর বন্দী পরবিার-পরিজনসহ সিরিয়ায় পাঠিয়ে দাও। ইবনে যিয়াদ মাহফার বনি সা’লাবা আল আনেদীর নেতৃত্বে ইমাম হোসাইন (আ.) ও তার নিগত সঙ্গী-সাথীদের মাথা এবং বন্দী আহলে বাইত (আ.) কে সিরিয়ায় প্রেরণ করে। কাফির মুশরিক যুদ্ধবন্দীদেরকে যেমনিভাবে মুখমণ্ডল অনাবৃত করে রাখা হয় ঠিক তেমনিভাবে মিহফার বন্দী নবী-পরিবারকে সিরিয়ায় নিয়ে যায়।

বিস্তারিত

মানব ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা : গাদিরে খুম

মানব ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা : গাদিরে খুম দশম হিজরীতে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)এর আহবানে সাড়া দিয়ে লাখো মুসলমান মক্কায় হজ্বব্রত পালন করতে যান। মদিনায় হিজরতের পর এটিই ছিল রাসূলের প্রথম হজ্ব। শুধু প্রথম নয়, তাঁর শেষ হজ্বও এটি। ওই হজ্বের কিছু দিন পরই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ(সা.) ইন্তেকাল করেন। মক্কার পথে রাসূলেখোদা (সা.)-র সফরসঙ্গী হওয়ার জন্য বিপুল সংখ্যক মুসলমান মদিনায় জড়ো হন। রাসূলের এ হজ্বকে নানা নামে অভিহিত করা হয়। এর মধ্যে হুজ্জাতুল বিদা, হুজ্জাতুল ইসলাম, হুজ্জাতুল বালাগ, হুজ্জাতুল কামাল ও হুজ্জাতুত তামাম অন্যতম।  

বিস্তারিত

ইসলামের পবিত্র ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ধ্বংস : সভ্যতার অবমাননা

ইসলামের পবিত্র ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ধ্বংস : সভ্যতার অবমাননা ইসলামের পবিত্র ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ধ্বংস করে ওয়াহাবিরা শুধু মুসলিম উম্মাহর হৃদয়কেই ক্ষত-বিক্ষত করেনি, একইসঙ্গে মানব সভ্যতার অবমাননার মত জঘন্য কলঙ্কও সৃষ্টি করেছে। কারণ, প্রত্যেক জাতি ও সভ্যতাই নিজের পুরনো ঐতিহাসিক চিহ্ন ও নিদর্শনগুলোকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে সংরক্ষণ করে। এ জন্য বিপুল অংকের অর্থ খরচ করে থাকে জাতিগুলো। অথচ ওয়াহাবিরা ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনগুলোও ধ্বংস করে দিচ্ছে যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মগুলো এইসব নিদর্শন সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে। এটা ইসলাম ও মানব সভ্যতার জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।  

বিস্তারিত

জান্নাতুল বাকি ধ্বংসের নেপথ্যে ওয়াহাবি মতবাদ

জান্নাতুল বাকি ধ্বংসের নেপথ্যে ওয়াহাবি মতবাদ ১৯২৫ সালের ৮ ই শাওয়াল (শুক্রবার) ইসলামের ইতিহাসের এক শোকাবহ দিন। এই দিনে ওয়াহাবি ধর্মদ্রোহীরা পবিত্র মক্কা ও মদিনায় ক্ষমার অযোগ্য কিছু পাপাচার ও বর্বরতায় লিপ্ত হয়েছিল। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যখন পবিত্র জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ নিষ্পাপ উত্তরসূরির পবিত্র মাজার জিয়ারত করছিলেন তখন ওয়াহাবি দুর্বৃত্তরা সেখানে ভাঙ্গচুর ও লুটপাট অভিযান চালায় এবং ওই নিষ্পাপ ইমামদের পবিত্র মাজারের সুদৃশ্য স্থাপনা ও গম্বুজগুলো মাটির সঙ্গে গুড়িয়ে দেয়।  

বিস্তারিত

বিশ্ব আল কুদস দিবস

বিশ্ব আল কুদস দিবস আল-কুদস দিবস বা আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস  ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকার মরহুম ইমাম খোমেনী (রহ.) এর আহবানে ১৯৭৯ সালে ইরানে প্রথম শুরু হয়েছিল। এ দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ, জায়নবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ এবং ইসরাইল কর্তৃক জেরুযালেম দখলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ। জেরুযালেম শহরের অপর নাম ‘কুদস’ বা ‘আল-কুদস’।

বিস্তারিত

ফিলিস্তিন ও যায়নবাদ প্রসঙ্গ : একটি ইতিহাসভিত্তিক পর্যালোচন

ফিলিস্তিন ও যায়নবাদ প্রসঙ্গ :  একটি ইতিহাসভিত্তিক পর্যালোচন ফিলিস্তিন ইস্যুটি বর্তমান মানব বিশ্বের অন্যতম একটি বিষাদঘন ইস্যু। মানব ও মানবাধিকার সম্পর্কে যার সামান্যতম অনুভূতি রয়েছে এবং নিজেকে নিপীড়িত মানুষদের পক্ষে বলে মনে করে,এ ইস্যুতে তার নির্লিপ্ত থাকার অবকাশ নেই;বরং এর সাথে নিজের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক অনুভব করা উচিত। কেননা,ফিলিস্তিনের দুঃখণ্ডদুর্দশা ইতিহাসে দ্বিতীয়টি পাওয়া দুরূহ,যেখানে একটি জাতি এভাবে প্রায় অর্ধ শতাব্দীর অধিককাল যাবৎ বিশ্ববাসীর চোখের সামনে নিদারুণভাবে নিগৃহীত ও নিপীড়িত হয়ে চলেছে। অথচ নিপীড়ক জাতি বিশ্বের সমর্থন ও মদদপুষ্ট হয়েছে,আর নিপীড়িত জাতি চিহ্নিত হয়েছে সন্ত্রাসী হিসাবে!

বিস্তারিত

ইহুদী জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ইহুদী জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এ প্রবন্ধে হযরত মূসা (আ.)-এর যুগ থেকে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগ পর্যন্ত ইহুদী জাতির একটি সার্বিক রাজনৈতিক অবস্থা সংক্ষিপ্তাকারে চিত্রিত হয়েছে । আমরা ‘নিকট প্রাচ্যের গীর্জাসমূহের সংঘ’ কর্তৃক প্রকাশিত পবিত্র বাইবেল বা ‘কিতাব-ই মুকাদ্দাসের অভিধান’ নামক গ্রন্থ এবং মরহুম মুহাম্মদ ইয্যাত দ্রুযেহ্ প্রণীত ‘ইহুদীদের গ্রন্থসমূহের ভিত্তিতে তাদের ইতিহাস’- এ দু’গ্রন্থের ভিত্তিতে আমরা তাদের এ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস রচনা করেছি ।

বিস্তারিত

ইসরাইল : পৈশাচিকতার জীবন্ত প্রতিমূর্তি

ইসরাইল : পৈশাচিকতার জীবন্ত প্রতিমূর্তি যায়নবাদী ইহুদিরা ফিলিস্তিনের বুকে তাদের বসতি স্থাপনের সূচনা থেকেই স্থানীয় আরব অধিবাসীদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন,জোর-যুলুম,লুণ্ঠন,হত্যা ও উৎখাত তৎপরতা চালিয়ে আসছে। এটা জোরের সাথেই বলা যায় যে,মানব প্রজাতির ইতিহাসে ‘জাতি’ হিসেবে অন্য কোন জাতিই এহেন পৈশাচিকতার আশ্রয় গ্রহণ করে নি।

বিস্তারিত

বন্দিনী হযরত যয়নবের বক্তব্য

বন্দিনী হযরত যয়নবের বক্তব্য ইমাম হুসাইন (আ.) তার বাহাত্তর জন সঙ্গীসাথীসহ ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত অবস্থায় কারবালার মরুপ্রান্তরে শহীদ হন । শাহাদতের একদিন পর ইমাম ও তাঁর সাথিদের পবিত্র মৃতদেহগুলি, গাযেরিয়ার অধিবাসী বনী আসাদ গোত্রের লোকদের দ্বারা সমাহিত হয়।

বিস্তারিত

ইমাম হোসাইনের এই আশুরা বিপ্লবে নারীদের ভূমিকা

ইমাম হোসাইনের এই আশুরা বিপ্লবে নারীদের ভূমিকা যে,নারীরা পুরুষদেরকে প্রস্তুত করে আর পুরুষরা ইতিহাস রচনা করে। আর পুরুষদেরকে তৈরির ক্ষেত্রে নারীরা যে ভূমিকা পালন করে থাকে সেটা পুরুষরা যে ইতিহাস রচনা করে তার চেয়ে অনেকগুণ বেশি। সর্বোপরি,নারিগণের ভূমিকা পালন করা অথবা ভূমিকা পালন না করার ক্ষেত্রকে ইতিহাসে তিন ভাগে বিভক্ত করা যায়

বিস্তারিত

কেন ইমাম হোসাইন (আ.) মুয়াবিয়ার শাসনামলে আন্দোলন করেননি ?

কেন ইমাম হোসাইন (আ.) মুয়াবিয়ার শাসনামলে আন্দোলন করেননি ? ইমাম হোসাইন (আ.) মুয়াবিয়ার সাথে জিহাদ করাকে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল মনে করতেন। এছাড়া তিনি মনে করতেন,যদি কেউ তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়ে জিহাদ করা থেকে বিরত থাকে তাহলে তাকে অবশ্যই ইস্তিগফার করতে (আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে) হবে।কিন্তু এরপরও ইমাম হোসাইন (আ.) কেন মুয়াবিয়ার শাসনামলে আন্দোলন করেননি তার কতগুলো কারণ ইমাম হোসাইন (আ.)-এর বক্তব্যে পাওয়া যায়। যদি আমরা ঐ কারণগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই,তাহলে আমাদেরকে এ বিষয়ে ঐতিহাসিক পর্যালোচনা করতে হবে।

বিস্তারিত

কারবালার বীর নারী হযরত যায়নাব (আ.)

কারবালার বীর নারী হযরত যায়নাব (আ.) ইসলামের ইতিহাসে যেসব মহীয়সী নারী জ্ঞান,মনীষা,প্রজ্ঞা ও সাহসী ভূমিকার জন্য চিরভাস্বর হয়ে রয়েছেন তাদের মধ্যে হযরত যায়নাব (আ.) অন্যতম। কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষদর্শী হযরত যায়নাব শুধু যে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.) -এর শাহাদাতের পরে তার পরিবারের নারী ও শিশুদের এবং অসুস্থ ইমাম যায়নুল আবেদীন (আ.) -এর অভিভাবিকার দায়িত্ব পালন করেন তা নয়, বরং কুফা ও দামেস্কে অসাধারণ সাহসিকতার সাথে ইমাম হোসাইন ও তার পরিবার-পরিজনের প্রতি ইয়াযীদের জুলুম-অত্যাচারের কথা সর্বসমক্ষে তুলে ধরেন।  

বিস্তারিত

কারবালার পর পবিত্র মক্কা ও মদীনায় ইয়াযিদী তাণ্ডবলীলা

কারবালার পর পবিত্র মক্কা ও মদীনায় ইয়াযিদী তাণ্ডবলীলা ইয়াযীদ মুসলিম জাহানের ক্ষমতারোহণ করে মাত্র সাড়ে তিন বছর রাজত্ব করে । তার দ্বারা মুসলমানদের কোনো উপকার হয়নি;বরং যা হয়েছে তা হলো চরম দুঃখ,লাঞ্ছনা ও লোমহর্ষক গঞ্জনা। তার সৈন্যরা প্রথম বছর কারবালায় ইমাম হোসাইন (আ.) -কে বাহাত্তর জন সঙ্গী- সাথীসহ হত্যা করে,দ্বিতীয় বছর পবিত্র মদীনা শরীফে ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে এবং তৃতীয় বছর পবিত্র মক্কা নগরীকে দু’মাস ধরে অবরুদ্ধ রেখে পবিত্র কাবা গৃহে অগ্নি সংযোজন করে । এখানে আমরা কারবালার পর ইয়াযীদ বাহিনী কর্তৃক মদীনা ও মক্কায় যে হত্যালীলা ও লোমহর্ষক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল তার কিয়দংশ বর্ণনার আশা রাখি।

বিস্তারিত

অত্যুজ্জ্বল শাহাদাত

অত্যুজ্জ্বল শাহাদাত ‘কতই না উত্তম ব্যক্তি –যার জন্য ইমাম হোসাইন কারবালার এ কঠিন মুসিবতের সময়ও কেঁদেছেন। তিনি ছিলেন ইমাম হোসাইনের ভাই, তার বাবা ছিলেন আলী, তিনি তা আর কেউ নন রক্তাক্ত বদন আবুল ফযল আব্বাস। তিনি ছিলেন ইমাম হোসাইনের সহমর্মী,কোনো কিছুই তাকে এপথ থেকে সরাতে পারেনি। প্রচণ্ড পিপাসা নিয়ে ফোরাতের তীরে পৗছেন ,কিন্তু ইমাম হোসাইন যেহেতু পান করেননি তিনিও তাই পানি মুখে নেননি।

বিস্তারিত

হুর ইবনে ইয়াযীদ

হুর ইবনে ইয়াযীদ হুর ইবনে ইয়াযীদ এক সম্ভান্ত্র গোত্রে গ্রহণ করেন। তার বীরত্ব ও উদারতা তার পূর্বপুরুষেরই উত্তরাধিকার। ইসলামপূর্ব ও পরবর্তীকালে তারা উদারতার জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন । হুর ইবনে ইয়াযীদ অত্যাচারীকে সাহায্য করা থেকে হাত গুটিয়ে নিয়ে এক সুন্দর-সৌভাগ্যময় পরিণতির মাধ্যমে ইহ ও পরকালীন কাল্যাণ লাভ করেছিলেন

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)