আল হাসানাইন (আ.)

কোরআন বিষয়ক জ্ঞান

কোরআন ইসলামী জ্ঞানের প্রথম বিষয়বস্তু

কোরআন ইসলামী জ্ঞানের প্রথম বিষয়বস্তু

কোরআন ইসলামী জ্ঞানের প্রথম বিষয়বস্তু। ইসলামের অন্যান্য জ্ঞান যেমন (কিরায়াত), তাফসীর, কালামশাস্ত্র, হাদীস, রিজালশাস্ত্র, অভিধান, সারফ ও নাহু (ব্যাকরণশাস্ত্র), ভাষাশৈলী ও অলংকারশাস্ত্র (ফাসাহাত ও বালাগাত), ইতিহাস ও সীরাত (জীবনী) ইত্যাদি শাস্ত্রগুলো একে কেন্দ্র করেই এবং এ সম্পর্কিত বিষয়কে ব্যাখ্যার জন্য উৎপত্তি লাভ করেছে

বিস্তারিত

কোরআনের ঐতিহাসিক অলৌকিকতা

কোরআনের ঐতিহাসিক অলৌকিকতা ঊনবিংশ শতাব্দীতে মিসরের ভাষা হাইআরোগ্লিফিক অনুবাদ করে উদঘাটন করার আগে পর্যন্ত “হামান” নামটি-জানা ছিল না। হাইআরোগ্লিফিক অনুবাদ করে বুঝা গেল যে হামান ফেরাউনের একজন নিকট সহযোগী ছিল এবং সে ছিল পাথর চূর্ণকারীদের প্রধান। এখানে সত্যিকারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটি হলো যে কোরআনে হামান ফেরাউনের আদেশে নির্মাণকার্য পরিচালনা করতো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মানে এটিই দাঁড়ায় যে এই যে তথ্যটি যা সম্পর্কে কারো পক্ষে কিছু জানা সম্ভব ছিল না, তাই কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছিল।

বিস্তারিত

ডারউইরেন বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণা

ডারউইরেন বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণা আজ এমন কিছু ভাবাদর্শ বিদ্যমান যেগুলো মানুষের মন থেকে সৃষ্টির সত্যের বিষয়টিকে ভুলিয়ে দিতে চায় এবং ভিত্তিহীন কিছূ ধারণা দ্বারা এ বিষয়টিকে দূরে ঠেলে দিতে চায়। এগুলোর মাঝে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো বস্তুবাদ। বস্তুবাদ যেটিকে নিজের জন্য তথাকথিত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হিসেবে ধরে নেয় সেটিই হল ডারউইনবাদ। প্রাণ অজৈব বস্তু থেকে যুগপৎ সংঘটনের মাধ্যমে উষ্মেষিত হয়েছে বলে যুক্তি প্রদানকারী এই থিওরিটি নস্যাৎ হয়ে গিয়েছে তখনই, যখন স্বীকার করে নেয়া হয়েছে যে একমাত্র আল্লাহ তা’আলাই এই বিশ্বচরাচর সৃষ্টি করেছেন।

বিস্তারিত

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে আল কোরআনের অলৌকিকতাঃ মানব সৃষ্টি

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে আল কোরআনের অলৌকিকতাঃ মানব সৃষ্টি মানুষকে বিশ্বাসের পথে আমন্ত্রণ জানাতে গিয়ে কোরআনে বহু বৈচিত্রময় বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে। কখনো বা আকাশ, কখনো প্রাণী জগৎ, কখনো বা উদ্ভিদসমূহকে আল্লাহ মানুষের জন্য সাক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অনেক আয়াতে মানুষকে আহ্বান জানানো হয়েছে নিজেদের সৃষ্টি সম্পর্কে মনোযোগী হতে। প্রায়ই মানুষকে মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে যে, সে কিভাবে এ পৃথিবীতে আসল, কি কি পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে সে এলো, তার মৌলিক স্বভাব কি ?

বিস্তারিত

কোরআন ও বিজ্ঞানের আলোকে বৃষ্টিপাত

কোরআন ও বিজ্ঞানের আলোকে বৃষ্টিপাত আধুনিক গবেষণায় বৃষ্টির পরিমিত নির্দিষ্ট পরিমাণ আবারো একবার উদঘাটিত হয়েছে। আন্দাজ করা হয়েছে যে, প্রতি সেকেন্ডে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ মিলিয়ন টন পানি বাষ্প হয়ে উবে যায়। আর বছরে এ পরিমাণটি দাড়ায় ৫১৩ ট্রিলিয়ন টনে। আর পানি বাষ্প হওয়ার পরিমাণ প্রতি বছরে ভূ পৃষ্ঠে পতিত বৃষ্টিধারার পরিমাণের সমান। এর মানে এই দাড়ায় যে, পানি অবিরতই একটি “নির্দিষ্ট পরিমাণে” একটি সুষম চক্রের মধ্যে প্রবাহমান। পৃথিবীর জীবজগৎ এই পানি চক্রের উপরেই নিভর্র শীল। এমনকি মানুষ দুনিয়ায় সমস্ত টেকনোলজী বা প্রযুক্তি ব্যবহার করেও পানির এই চক্রটি কৃত্রিমভাবে পুণরুৎপাদন করতে সমর্থ হবে না।

বিস্তারিত

আল কোরআনের অলৌকিকতাঃ পৃথিবী

আল কোরআনের অলৌকিকতাঃ পৃথিবী জীবনের জন্য পয়োজনীয় প্রতিটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে পৃথিবীর। এগুলোরই একটি হলো বায়ুমন্ডল, যা জীব জগৎকে রক্ষা করার কাজে বর্ম হিসেবে কাজ করে। আজ এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, বায়ুমন্ডল একটির উপর অন্যটি অবস্তিত-এমনতর সাতটি স্তর-নিয়ে গঠিত। ঠিক কোরআনের বর্ণনার মতোই এটি ঠিক সাতটি স্তর-নিয়ে গঠিত। অবশ্যই এটি কোরআনের একটি অলৌকিকত্ব।

বিস্তারিত

আল কোরআনের অলৌকিকতাঃ মহাবিশ্ব

আল কোরআনের অলৌকিকতাঃ মহাবিশ্ব চৌদ্দশত বছর পূর্বে আল্লাহ তা’আলা মানবজাতির পথচালিকা স্বরূপ কোরআন প্রেরণ করেছিলেন। এ স্বর্গীয় গ্রন্থখানা দৃঢ়ভাবে সমর্থন আর অনুসরণ করে মানবজাতি যেন সঠিক পথে পরিচালিত হয় এ আহ্বান করেছিলেন তিনি। নাযিল হওয়ার দিন থেকে শুরু করে শেষ বিচারের দিন পর্যন্ত এ স্বর্গীয় আর সর্বশেষ বই খানা মানবজাতির জন্য একমাত্র পথচালিকা হিসেবে থেকে যাবে।

বিস্তারিত

গারানিকের উপাখ্যান

গারানিকের উপাখ্যান ইয়াহুদীরা,বিশেষ করে তাদের নেতা ও ধর্মীয় পণ্ডিতগণ (আহবার) ইসলাম ধর্মের এক নম্বর শত্রু ছিল এবং আছে। কাবুল আহবার ও অন্যান্যের মতো একদল ব্যক্তি বাহ্যত ঈমান এনে মহান নবীদের নামে উদ্ধৃতি দিয়ে ভিত্তিহীন রেওয়ায়েতসমূহ প্রচার করে এবং মিথ্যা কল্প-কাহিনী বানিয়ে সত্য ঘটনাবলীর বিকৃতি সাধনে লিপ্ত হয়েছে। কতিপয় মুসলমান লেখক সকল মুসলিম ভাইয়ের প্রতি সুধারণা পোষণ করার কারণে গবেষণা ও অনুসন্ধান ব্যতিরেকেই তাদের বানোয়াট কাহিনীগুলোকে বিশুদ্ধ হাদীস ও ইতিহাসের সমপর্যায়ভুক্ত বিবেচনা করে লিপিবদ্ধ করেছেন।

বিস্তারিত

কোরআনের মুহকাম বা সুস্পষ্ট ও মুতাশাবিহ্ বা রূপক আয়াতের পার্থক্য

কোরআনের মুহকাম বা সুস্পষ্ট ও মুতাশাবিহ্ বা রূপক আয়াতের পার্থক্য ‘মুতাশাবিহ্’শব্দের অর্থ এমন কোন বস্তু যার বিভিন্ন অংশ পরস্পর সদৃশ। এ কারণেই যে সকল বাক্যের অর্থ জটিল এবং কয়েকটি সম্ভাব্য অর্থ থাকে সেগুলোকে ‘মুতাশাবিহ্’বলা হয়। কোরআনের মুতাশাবিহ্-এর অর্থও তাই অর্থাৎ কোরআনের যে সকল আয়াতের অর্থ জটিল,কয়েক ধরনের অর্থ হতে পারে এবং যেগুলোকে ‘মুহ্কাম’আয়াতের সাহায্য নিয়ে ব্যাখ্যা করতে হয় সেগুলোই ‘মুতাশাবিহ্’আয়াত।  

বিস্তারিত

অবিকৃত গ্রন্থ আল-কোরআন

অবিকৃত গ্রন্থ আল-কোরআন এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য হল শিয়া-সুন্নি উভয় মাজহাবের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কোরআন অবিকৃত থাকার সপক্ষে উপস্থাপিত প্রমাণসমূহ সম্পর্কে অবগতি, বাহ্যদৃষ্টিতে যে সকল হাদীস থেকে কোরআন বিকৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হয় তার সমাধান ও ব্যাখ্যা, কোরআনের সমগ্র বাণী ও মূলপাঠ্য নির্ভরযোগ্য হওয়ার বিষয়টি প্রমাণের পদ্ধতি সম্পর্কিত পর্যালোচনা এবং কোরআনের বাণীর বাহ্যিক অর্থের প্রামাণ্যতার ক্ষেত্রে তার প্রভাব।

বিস্তারিত

কোরআন বিকৃতি মুক্ত

কোরআন বিকৃতি মুক্ত কোরানের ত্রুটিমুক্ততাকে সর্বপ্রথমে কোরানে কোন কিছু সংযোজিত হওয়ার বিষয়টিকে বুদ্ধিবৃত্তিক দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করা যেতে পারে। অতঃপর আমাদের হাতে বিদ্যমান এ কোরান যে, মহান আল্লাহর পক্ষ থেকেই এসেছে তা প্রমাণিত হওয়ার পর পবিত্র কোরানের আয়াতের মাধ্যমে এ থেকে কোন কিছু হ্রাস বা ঘাটতি না হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করা যেতে পারে।

বিস্তারিত

কোরআনে ইসলামী বিচারব্যবস্থা

কোরআনে ইসলামী বিচারব্যবস্থা মানুষ একটি সামাজিক প্রাণী। সে নিজেকে কখনোই অন্যদের থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করতে এবং একাকী জীবনযাপন করতে পারে না। অন্যদিকে যেহেতু প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব বিশেষ ধ্যান-ধারণা,গুণ-বৈশিষ্ট্য ও আচরণ রয়েছে যাতে তার প্রকৃতি অভ্যস্ত এবং যা অন্যদের সাথে অংশত বা পুরোপুরি অংশীদার হওয়া ছাড়াই তাকে বিশেষায়িত করে,সেহেতু সে অন্যদের সাথে পুরোপুরি খাপ খাইয়েও চলতে পারে না।  

বিস্তারিত

একমাত্র অবিকৃত ঐশী গ্রন্থ : আল কোরআন

 একমাত্র অবিকৃত ঐশী গ্রন্থ : আল কোরআন কোরআন মজীদের প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই এতে কোনোরূপ সংযোজন-বিয়োজন সম্ভব ছিলো না। এরপরও হযরত রাসূলে আকরাম (ছ্বাঃ)-এর জীবদ্দশায় কেউ সে চেষ্টা করলে বিন্দুমাত্র সফল হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো না। কারণ, কোরআন পাঠ বা উদ্ধৃতকরণের ক্ষেত্রে কারো কাছ থেকে কোনো ব্যতিক্রমী কিছু গোচরে এলে ছ্বাহাবীগণ অবশ্যই তা রাসূলুল্লাহ্ (ছ্বাঃ)-এর গোচরে আনতেন এবং এর ফলে বিকৃতিকারী ইসলামের দুশমন হিসেবে চিহ্নিত ও মুসলিম সমাজ থেকে বহিষ্কৃত হতো।  

বিস্তারিত

কোরআন এবং বিজ্ঞান

কোরআন এবং বিজ্ঞান পবিত্র কোরআন এবং বিজ্ঞান এ দুটো মোটেই পরস্পরের সংগে সাংঘর্ষিক নয়। কোরআন যদিও বিজ্ঞান গ্রন্থ নয় কিন্তু বিজ্ঞানের চর্চাকে গভীরভাবে উৎসাহিত করে। আর বিজ্ঞান হচ্ছে মানুষের অবস্থা পরিবর্তন এবং মানুষের প্রকৃতিকে জানার একটা হাতিয়ার।

বিস্তারিত

কোরআন মজীদ কি অনাদি, নাকি সৃষ্ট?

কোরআন মজীদ কি অনাদি, নাকি সৃষ্ট? কোরআন মজীদ হচ্ছে মানুষের জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে প্রেরিত পথনির্দেশ; এ ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু ইসলামের প্রথম যুগের বেশ পরে তৎকালীন আলেমদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে : কোরআন কি অনাদি, নাকি সৃষ্ট?

বিস্তারিত

মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক

মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক ইসলামে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক কৃষকের সঙ্গে ক্ষেতের বা ব্যাবসায়ীর সঙ্গে ব্যবসা ক্ষেত্র অথবা উপাসক ও উপাসনালয়ের মতো। কৃষকের জন্য কৃষিক্ষেত্র লক্ষ্য নয় বরং মাধ্যম।

বিস্তারিত

কোরআন মজীদ: একমাত্র অবিকৃত ঐশী কিতাব

কোরআন মজীদ: একমাত্র অবিকৃত ঐশী কিতাব আর কোরআন মজীদ সাক্ষ্য দিয়েছে যে, ঐ সব নবী-রাসূলের (‘আঃ) কাছে যে সব আসমানী গ্রন্থ নাযিল হয়েছিলো তাঁদের পরে তাঁদের অনুসারী হবার দাবীদার লোকেরা সে সব গ্রন্থকে বিকৃত করেছে এবং সেগুলোর অংশষবিশেষকে লুকিয়ে ফেলেছে। এছাড়া কোরআন মজীদ হযরত মুহাম্মাদ্ (ছ্বাঃ)কে “রাহমাতাল্লিল্ ‘আালামীন্ - সমগ্র জগতবাসীর জন্য দয়া ও অনুগ্রহের মূর্ত রূপ”

বিস্তারিত

আল-কুরআনের মু’জিযা: একটি যুক্তিপূর্ণ আলোচনা

আল-কুরআনের মু’জিযা: একটি যুক্তিপূর্ণ আলোচনা আমরা মুসলিমরা আল কুরআনকে ভালোবাসি, তেলাওয়াত করি, আমাদের ঘরের সব থেকে উঁচু জায়গায় যত্নের সাথে, শ্রদ্ধাভরে রেখে দেই, অথচ কুরআনের নির্দেশমত জীবন গঠন করার ব্যাপারে উদাসীন, এবং প্রয়োজনে কুরআনের বিরুদ্ধাচারণ করি, বিরূপ মনোভাব পোষণ করি- অথচ অনেক অমুসলিম মনীষী কুরআন সম্পর্কে অলৌকিক মন্তব্য করেছেন- যা সত্যিই আশ্চর্য লাগে।

বিস্তারিত

কোরআন মজীদের দৃষ্টিতে ছ্বাহাবী ও রাসূলুল্লাহর (ছ্বাঃ) যুগের মুনাফিক্ব্

কোরআন মজীদের দৃষ্টিতে ছ্বাহাবী ও রাসূলুল্লাহর (ছ্বাঃ) যুগের মুনাফিক্ব্ নবী-রাসূলগণ (আঃ) ও আল্লাহর পক্ষ থেকে মনোনীত ইমামগণের (আঃ) নিষ্পাপত্বের মানে এই নয় যে, তাঁদের মধ্য থেকে গুনাহ্ করার ক্ষমতা বিলুপ্ত করে দেয়া হয়েছে। তাহলে তো তাঁরা ফেরেশতা সমতুল্য হয়ে যেতেন এবং সে ক্ষেত্রে তাঁদের মাধ্যমে আমাদের জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার হুজ্জাত্ পূর্ণ হতো না। কারণ, সে ক্ষেত্রে তাঁদেরকে আমাদের জন্য অনুসরণযোগ্য হিসেবে নির্ধারণ করা আল্লাহ্ তা‘আলার সুবিচারের ছ্বিফাতের বরখেলাফ হতো। তাই তাঁদের ইছ্বমাতের স্বরূপ হচ্ছে এই যে, তাঁদের মধ্য থেকে নাফরমানীর ক্ষমতা বিলুপ্ত না করা সত্ত্বেও রক্তধারার পবিত্রতা, জন্মের পর থেকেই পূতপবিত্র জীবনের অভ্যস্ততা ও খোদায়ী ওয়াহীর জ্ঞানের কারণে, বিশেষতঃ ‘ইলমে হুযূরীর কারণে, তাঁরা ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর নাফরমানী থেকে দূরে থাকেন।  

বিস্তারিত

আবতার কে বা কা’রা?

আবতার কে বা কা’রা? (হে রাসূল!) অবশ্যই আমি আপনাকে কাওছার দিয়েছি। সুতরাং আপনি আপনার রবের উদ্দেশে (শুকরিয়া স্বরূপ) নামায আদায় করুন ও পশু যবেহ্ করুন। নিঃসন্দেহে আপনার দুশমনই হচ্ছে আবতার

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)