আল হাসানাইন (আ.)

ইমামত

বেলায়েতের আয়াতের ব্যাকরণগত দিক সম্পর্কে একটি গবেষণামূলক বিশ্লেষণ

বেলায়েতের আয়াতের ব্যাকরণগত দিক সম্পর্কে একটি গবেষণামূলক বিশ্লেষণ

কালামশাস্ত্রে আয়াত এবং রেওয়ায়েতসমূহের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত দিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনুরূপ ভাবে বেলায়েত ও নেতৃত্বের বিষয়টিও কালামশাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে পরিগণিত হয়। এই লেখনীতে বেলায়েতের আয়াত (সূরা মায়েদার ৫৫ নং আয়াত) সম্পর্কে দু’দল কালাম শাস্ত্রবিদ তাদের মতের সপক্ষে যে সকল ব্যাকরণগত যুক্তি উপস্থাপন করেছেন তার মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

বিস্তারিত

ঐশী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের পারস্পরিক সম্পর্ক

ঐশী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের পারস্পরিক সম্পর্ক মা‘ছূম ইমাম যিনি নবী নন তিনি হচ্ছেন নবী-রাসূলের (আঃ) অনুপস্থিতিতে বা অবর্তমানে তাঁর স্থলাভিষিক্ত। কোরআন মজীদের সুস্পষ্ট ঘোষণা অনুযায়ী নবী-রাসূলগণের (আঃ) মূল দায়িত্ব শুধু আল্লাহর বাণী পৌঁছে দেয়া তথা দ্বীনের প্রচার, তবে তাঁদের কর্মনীতিতে দেখা যায় যে, যখন তাঁরা ঐশী হুকূমাত প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ পেয়েছেন তখন হুকূমাত প্রতিষ্ঠা  বা পরিচালনা করেছেন; এরূপ অবস্থায় জনগণের মধ্যে বিচার-ফয়ছ্বালাহ্ করা তথা হুকূমাত পরিচালনার জন্য কোরআন মজীদে নির্দেশ ও নির্দেশনা রয়েছে।

বিস্তারিত

ইমামত নবুওয়াতের নির্বাহী ক্ষমতার ধারাবাহিকতা

ইমামত নবুওয়াতের নির্বাহী ক্ষমতার ধারাবাহিকতা ইমামত হল একটি ঐশী মর্যাদা, যা মহান আল্লাহ্‌ কর্তৃকই যথোপযুক্ত ও যোগ্যতম ব্যক্তিদেরকে প্রদান করা আবশ্যক। আর মহান আল্লাহ্‌, মহানবী (সা.) এর মাধ্যমে এ কর্মটি সম্পাদন করেছেন এবং আমীরুল মু’মীনিন আলীকে (আ.) তাঁর উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেছেন। অতঃপর তাঁরই সন্তানদের মধ্য থেকে পরস্পরায় বারজনকে ইমামতের মর্যাদায় অভিসিক্ত করছেন।  

বিস্তারিত

ইমামত

ইমামত মানুষ তার খোদাপ্রদত্ত স্বভাব দিয়ে অতি সহজেই এ বিষয়টি উপলদ্ধি করে যে, কোন দেশ, শহর গ্রাম বা গোত্র এবং এমনকি গুটি কয়েক লোক সম্বলিত কোন একটি সংসারও একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নেতৃত্ব ছাড়া চলতে পারে না । একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নেতৃত্ব ছাড়া সমাজের চাকা সচল রাখা সম্ভব নয় । একজন নেতার ইচ্ছাই সমাজের অসংখ্য ব্যক্তির ইচ্ছার উপর প্রভুত্ব করে । এভাবে সে সমাজের প্রতিটি ব্যক্তিকে তার সামাজিক দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করে । সুতরাং একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নেতৃত্ব ছাড়া সমাজের গতি অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে না । তাই অতি অল্প সময়ের মধ্যেই নেতাহীন ঐ সমাজ ছত্রভঙ্গ হয়ে যেতে বাধ্য।

বিস্তারিত

হাদীসের দৃষ্টিতে হযরত আলী (আ.) এর ইমামত

হাদীসের দৃষ্টিতে হযরত আলী (আ.) এর ইমামত মহান আল্লাহ মানব জাতিকে হেদায়েতের জন্য যুগ যুগ ধরে এক লক্ষ চব্বিশ মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী ও রাসূল পাঠিয়েছেন। আর সর্বশেষ নবী ও রাসূল হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পাঠিয়েছেন। রাসূল (সা.) এর ওফাতের মাধ্যমে নবুওয়তী ধারার পরিসমাপ্তি হয়। এর পর থেকে মানব জাতিকে হেদায়াতের জন্য মহান আল্লাহ ইমামতের ধারাকে পৃথিবীর বুকে জারি করে দেন। যার প্রথম ইমাম হচ্ছেন হযরত আলী (আ.)।

বিস্তারিত

বুদ্ধিবৃত্তির দৃষ্টিতে ইমামের নিষ্পাপতা

বুদ্ধিবৃত্তির দৃষ্টিতে ইমামের নিষ্পাপতা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষকে বুদ্ধিবৃত্তি নামক একটি বড় নেয়ামত দান করেছেন যা মানুষকে সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে সহায়তা করে। এখন আমরা দেখতে চাই, বুদ্ধিবৃত্তি ইমামের নিষ্পাপতা সম্পর্কে কি বলে। বুদ্ধিবৃত্তির দৃষ্টিতে ইমামের জন্য নিষ্পাপ হওয়া জরুরী কিনা তা নিয়ে আলোচনার নিমিত্তে এ লেখার আয়োজন।

বিস্তারিত

আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত ইমাম ও তাঁর দায়িত্ব

আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত ইমাম ও তাঁর দায়িত্ব ইমামত তথা খেলাফত আল্লাহর মনোনীত একটি পদ যাতে মানুষের ভোটের কোন প্রভাব নেই। এ চিন্তার ভিত্তিতে আমরা রাসূল (সা.) এর স্থলাভিষিক্ত নির্ধারণের ক্ষেত্রে অবশ্যই বর্ণিত দলিল ও ঐশী নির্দেশের উপর নির্ভর করবো এবং রাসূল (সা.) এর বাণীসমূহ যা এই সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে সেগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে তার ফলাফলের উপর সিদ্ধান্ত নিব।

বিস্তারিত

খলিফা নির্বাচনের পদ্ধতি

খলিফা নির্বাচনের পদ্ধতি

বিস্তারিত

মানব জীবনে নেতার গুরুত্ব

 মানব জীবনে নেতার গুরুত্ব মানব জীবনে নেতা বা পরিচালকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্ববহ । মানুষ প্রতিনিয়ত তার বৈষয়ীক উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য কোন না কোন অবলম্বন ধারণ করে থাকে । মানব জীবনে নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান কোন ক্রমেই অস্বীকার করা যায় না ।

বিস্তারিত

হাদীসে গাদীর এবং আলী (আ.)-এর খেলাফত

হাদীসে গাদীর এবং আলী (আ.)-এর খেলাফত যখনই সফর অথবা যুদ্ধের জন্যে মদীনার বাইরে যেতেন, এমনকি সে সফর সংক্ষিপ্ত হলেও তিনি বিশ্বস্ত এবং যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব অর্পণ করতেন এবং মদীনার জনগণকে অভিভাবকহীন রেখে যেতেন না। সুতরাং কিরূপে বিশ্বাস করা সম্ভব যে, আমাদের প্রিয় ও সদয় নবী (সা.) বিশাল মুসলিম উম্মাহকে নিজের মৃত্যুর পর অভিভাবকহীন রেখে যাবেন।

বিস্তারিত

দ্বাদশ ইমামপন্থী শীয়াদের দৃষ্টিতে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস (৪র্থ পর্ব)

দ্বাদশ ইমামপন্থী শীয়াদের দৃষ্টিতে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস (৪র্থ পর্ব) ইমামগণ জনগণকে উপদেশ প্রদান ও বাহ্যিকভাবে সৎপথে পরিচালিত করা ছাড়াও একধরণের বিশেষ হেদায়াত ও আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের অধিকারী ছিলেন, যা সাধারণ জড়জগতের উর্ধ্বে। তাঁরা তাঁদের অন্তরের আধ্যাত্মিক জ্যোতি দিয়ে গণমানুষের অন্তরের অন্তঃস্থালে প্রভাব বিস্তার করেন। আর এভাবে তাঁরা বিশেষ ক্ষমতা বলে অন্যদেরকে আত্মিক উন্নতি ও শ্রেষ্ঠত্বের সিঁড়িতে আরোহণে সাহায্য করেন।

বিস্তারিত

ইমামত

ইমামত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মৃত্যুর পর নবীন মুসলিম সমাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়টি ছিল খেলাফত তথা রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী নিয়ে। একটি দল কিছু বিশিষ্ট সাহাবাদের পরামর্শে আবুবকরের খেলাফতকে মেনে নিয়েছিল। অপর দলটির দৃঢ় বিশ্বাস রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী তার মনোনয়নের মাধ্যমেই (অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশে) নির্ধারিত হবে আর তিনি হলেন হযরত আলী (আ.)। পরবর্তীতে প্রথম দলটি সাধারণ (আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত) এবং দ্বিতীয় দলটি বিশেষ (তাশাইয়্যো বা শিয়া ইছনা আশারী) নামে পরিচিতি লাভ করে।

বিস্তারিত

ইমামত

ইমামত শিয়াদের বিশ্বাস যে ইমামত হল একটি ঐশী মর্যাদা,যা মহান আল্লাহ কর্তৃকই যথোপযুক্ত ও যোগ্যতম ব্যক্তিদেরকে প্রদান করা আবশ্যক। আর মহান আল্লাহ,মহানবী (সা.) এর মাধ্যমে এ কর্মটি সম্পাদন করেছেন এবং আমীরুল মু’মিনিন আলীকে (আ.) তার উত্তরাধিকারী ঘোষনা করেছেন। অতঃপর তারই সন্তানদের মধ্য থেকে পরম্পরায় বারজনকে ইমামতের মর্যাদায় অভিসিক্ত করছেন। অপরদিকে সুন্নি সম্প্রদায়ের বিশ্বাস যে,ইমামত নবী (সা.)-এর তিরোধানের সাথে সাথে নবুয়্যত ও রিসালাতের মতই যবনিকায় পৌছেছে এবং এর পর থেকে ইমাম নির্বাচনের দায়িত্ব মানুষের উপর অর্পণ করা হয়েছে।

বিস্তারিত

কুরআন ওইমামত সম্পর্কে ইমাম জাফর সাদিক (আ.)

কুরআন ওইমামত সম্পর্কে ইমাম জাফর সাদিক (আ.) হে নবীর আহলে বাইত বা ( তাঁর পরিবারেরবিশেষ সদস্যরা !) নিশ্চয়ই আল্লাহ তো চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতেএবং তোমাদের সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।" (সুরা আহজাব-৩৩ নম্বর আয়াত)

বিস্তারিত

হযরত আলী ও ইমামত

হযরত আলী ও ইমামত বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের পর মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়টি ছিল- খেলাফত তথা রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী নিয়ে৷ একটি দল কিছু বিশিষ্ট সাহাবাদের পরামর্শে আবু বকরের খেলাফতকে মেনে নিয়েছিল৷ অপর দলটির দৃঢ় বিশ্বাস রাসূল (সা.)-এর উত্তরাধিকারী তাঁর মনোনয়নের মাধ্যমেই (অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশে)

বিস্তারিত

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)