আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

হযরত ফাতিমা (সা.আ.)
নারীকুল শিরোমণি হযরত ফাতেমা যাহরা (আঃ) এর মর্যাদা

নারীকুল শিরোমণি হযরত ফাতেমা যাহরা (আঃ) এর মর্যাদা

এ সৃষ্টিলোকের কেন্দ্রবিন্দু হযরত রাসূল আকরাম (সাঃ)। আল্লাহ তা’আলা প্রথমেই রাসূলে আকরামের (সাঃ) নূর সৃষ্টি করেন এবং সৃষ্টিকর্মের এক পর্যায়ে সকল নবী রাসূলের (আঃ) রূহ (আত্মা) সৃষ্টি করেন অর্থাৎ পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয়ার বহু পূর্বেই তাঁদেরকে নবী হিসাবে মনোনীত করা হয়। কিন্তু অন্যান্য নবী রাসূলগণের রূহ সৃষ্টির বহু পূর্বেই আল্লাহ্‌ তা’আলা হযরত রাসূলে আকরাম মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নূর সৃষ্টি করার পর আরও কয়েকজনের নূরানী সত্তা সৃষ্টি করেন। তাঁরা হচ্ছেন হযরত ফাতেমা, হযরত আলী, হযরত ইমাম হাসান ও হযরত ইমাম হোসাইন (আঃ)। এঁদের সম্পর্কে বিভিন্ন ইসলামী সূত্রেই শুধু নয়, ইসলাম-পূর্ব যুগের বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থেও বিভিন্নভাবে উল্লিখিত হয়েছে।

ইমাম হোসাইন (আ.)
মদিনা হতে ইমাম হোসাইনের (আ.) হিজরত

মদিনা হতে ইমাম হোসাইনের (আ.) হিজরত

৬০ হিজরীর ৩রা শাবান ইমাম হোসাইন (আ.) মক্কার দিকে রওয়ানা হন । আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ও আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর তার খেদমতে উপস্থিত হন । তারা বলেন যে, আপনি মক্কাতেই অবস্থান করুন । তিনি বললেন- রাসূলে খোদার (সা.) তরফ থেকে আমার উপর যে নির্দেশ আছে তা আমাকে পালন করতেই হবে । ইবনে আব্বাস ইমাম হোসাইন (আ.)-এর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেলেন । পথে তিনি বলছিলেন- হায় হোসাইন ! এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আসেন এবং বললেন- এখানকার পথহারা লোকদের সংশোধন করাই উত্তম হবে । যুদ্ধের পদক্ষেপ নিবেন না ।

ইমাম হোসাইন (আ.)
ইমাম হোসাইন (আ.)-এর অন্তিম মুহূর্ত

ইমাম হোসাইন (আ.)-এর অন্তিম মুহূর্ত

আমি শুনলাম এক ব্যক্তি বলছে খোদার শপথ আমাদের বশ্যতা স্বীকার না করলে পানি দেব না যতক্ষণ না তা হবে জালাতনের গরম পানি। আমি শুনলাম ইমাম (আ.) বলছেন আমি তোমাদের কাছে নত হব না আমি আমার নানা রাসূলের (সা.) সান্নিধ্যে পৌছব এবং বেহেশতে তার সাথে এক সাথে থাকব আর তথাকার সুমিষ্ট পানি পান করবো এবং তোমাদের জুলুমসমূহের বিচার চাইব।

ইতিহাস বিষয়ক
ইয়াজিদের দরবারে হযরত যয়নাব (সা.আ.) এর ভাষণ

ইয়াজিদের দরবারে হযরত যয়নাব (সা.আ.) এর ভাষণ

ইবনে যিয়াদের কর্তৃক কাবালার ঘটনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর ইয়াজিদ ইবনে যিয়াদকে নির্দেশ দিল, হোসাইন (আ.) এর মস্তক ও যারা তার সাথে নিহত হয়েছে তাদের কর্তিত মাথা ইমাম হোসাইন (আ.) এর বন্দী পরবিার-পরিজনসহ সিরিয়ায় পাঠিয়ে দাও। ইবনে যিয়াদ মাহফার বনি সা’লাবা আল আনেদীর নেতৃত্বে ইমাম হোসাইন (আ.) ও তার নিগত সঙ্গী-সাথীদের মাথা এবং বন্দী আহলে বাইত (আ.) কে সিরিয়ায় প্রেরণ করে। কাফির মুশরিক যুদ্ধবন্দীদেরকে যেমনিভাবে মুখমণ্ডল অনাবৃত করে রাখা হয় ঠিক তেমনিভাবে মিহফার বন্দী নবী-পরিবারকে সিরিয়ায় নিয়ে যায়।

কোরআনের তাফসীর
সূরা রা’দ; (১০ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (১০ম পর্ব)

পবিত্র কুরআনে সাধারণত ঈমানের পাশাপাশি সৎকর্মের বিষয়টিকে স্থান দেয়া হয়েছে। বিষয়টি এমন যে ঈমান এবং সৎকর্ম যেন অবিচ্ছেদ্য। যারা ঈমানদার তাদের বৈশিষ্ট্য মুনাফিক এবং ফাসেকের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন ফাসেকের মনে আল্লাহর বিশ্বাস থাকলেও সে অনেক ক্ষেত্রে পাপে লিপ্ত হয়ে পড়ে, কিন্তু মুনাফিক মন থেকে আল্লাহকে বিশ্বাস না করলেও জন সম্মুখে নিজেকে ঈমানদার বা মুসলমান হিসেবে প্রকাশ করে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা রা’দ; (৯ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (৯ম পর্ব)

আসলে যারা জ্ঞানী এবং সত্য সন্ধানী তারা নবীদের জ্ঞান-প্রজ্ঞা এবং যে কোন মুজিজা দেখা মাত্রই সত্যকে গ্রহণ করে নেয় কিন্তু যারা হঠকারী এবং যারা একগুঁয়েমি স্বভাবের তারা মুজিজা বা অলৌকিক ক্ষমতা প্রত্যক্ষ করলেও সত্যকে মেনে নিতে চায় না বরং আরো বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করতে থাকে। তারা পাপ এবং গোঁয়ার্তুমির কারণে এক ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত। ভালো কথা এবং ঐশী বাণী তাদের অন্তরে জ্বালার সৃষ্টি করে।

কোরআন বিষয়ক জ্ঞান
কোরআনের ঐতিহাসিক অলৌকিকতা

কোরআনের ঐতিহাসিক অলৌকিকতা

ঊনবিংশ শতাব্দীতে মিসরের ভাষা হাইআরোগ্লিফিক অনুবাদ করে উদঘাটন করার আগে পর্যন্ত “হামান” নামটি-জানা ছিল না। হাইআরোগ্লিফিক অনুবাদ করে বুঝা গেল যে হামান ফেরাউনের একজন নিকট সহযোগী ছিল এবং সে ছিল পাথর চূর্ণকারীদের প্রধান। এখানে সত্যিকারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটি হলো যে কোরআনে হামান ফেরাউনের আদেশে নির্মাণকার্য পরিচালনা করতো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মানে এটিই দাঁড়ায় যে এই যে তথ্যটি যা সম্পর্কে কারো পক্ষে কিছু জানা সম্ভব ছিল না, তাই কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছিল।

কোরআন বিষয়ক জ্ঞান
ডারউইরেন বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণা

ডারউইরেন বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণা

আজ এমন কিছু ভাবাদর্শ বিদ্যমান যেগুলো মানুষের মন থেকে সৃষ্টির সত্যের বিষয়টিকে ভুলিয়ে দিতে চায় এবং ভিত্তিহীন কিছূ ধারণা দ্বারা এ বিষয়টিকে দূরে ঠেলে দিতে চায়। এগুলোর মাঝে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো বস্তুবাদ। বস্তুবাদ যেটিকে নিজের জন্য তথাকথিত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হিসেবে ধরে নেয় সেটিই হল ডারউইনবাদ। প্রাণ অজৈব বস্তু থেকে যুগপৎ সংঘটনের মাধ্যমে উষ্মেষিত হয়েছে বলে যুক্তি প্রদানকারী এই থিওরিটি নস্যাৎ হয়ে গিয়েছে তখনই, যখন স্বীকার করে নেয়া হয়েছে যে একমাত্র আল্লাহ তা’আলাই এই বিশ্বচরাচর সৃষ্টি করেছেন।

কোরআনের তাফসীর
সূরা রা’দ; (৮ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (৮ম পর্ব)

বিত্ত বৈভবের মালিক হওয়ার পর কেউ যেন আল্লাহর অনুগ্রহের কথা ভুলে না যায়। আবার অভাবে পড়লে যেন হতাশ হয়ে না পড়ি। এটা মনে রাখতে হবে যে দুনিয়া হচ্ছে পরীক্ষার জায়গা আর প্রকৃত পুরস্কার লাভের স্থান হচ্ছে আখেরাত।

কোরআনের তাফসীর
সূরা রা’দ; (৭ম পর্ব)

সূরা রা’দ; (৭ম পর্ব)

মানুষের সেবা করা ছাড়া আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক করা যায় না। সমাজের দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি সচ্ছলদের দায়িত্ব রয়েছে। সে দিকে প্রতিটি মুসলমানের সচেতন থাকতে হবে।  

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)