আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ইবাদত-বন্দেগী
দুই নামাজ একসাথে পড়ার শরয়ী দললি

দুই নামাজ একসাথে পড়ার শরয়ী দললি

এ প্রবন্ধে আমরা পবিত্র কোরআন, রাসূল (সা.) এবং মাসুম ইমামগণ (আ.) থেকে বর্ণিত প্রসিদ্ধ রেওয়ায়েতের আলোকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে দু’টি নামায এক সাথে আদায় প্রসঙ্গে তথ্য-সমৃদ্ধ আলাচনা ও পর্যালোচনা করব :  

ইবাদত-বন্দেগী
পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইফতারের সময়সূচি

পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইফতারের সময়সূচি

বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে যে সময়টিতে রোজা সমাপ্ত করা হয় অর্থাৎ ইফতার করা হয় এ সময়টি হল ‘সন্ধা’ বা ‘শাফাক্ক’। “---রোজা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত---” রাত পর্যন্ত পৌছুতে হলে ‘সন্ধা’ সময়টি পার করতে হবে, তারপরই রাতে পৌছা যাবে, সন্ধা পার না করে তো আর রাত পর্যন্ত পৌছা যাবে না! বর্তমানে ইসলামীক ফাউন্ডেশনের ক্যালেন্ডারে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের ক্যালেন্ডারে ইফতারের যে সময় সূচি দেয়া থাকে তাতে তো কোরানের নির্দেশিত সময় মানা হচ্ছে না বলে দেখা যায়।

ইবাদত-বন্দেগী
সালাতে তারাবী না তাহাজ্জুদ ?

সালাতে তারাবী না তাহাজ্জুদ ?

যদিও কোটি কোটি সুন্নত একটি ফরজের সমান নয়। তাছাড়া তারাবীর জামাতকে সুন্নত ধরা হলে সেটা রাসুল (সাঃ) সুন্নত নয়। এটা বড়জোর হযরত ওমর (রাঃ) সুন্নত। বাস্তবে দেখা যায় অনেক মুসল্লি এশার জামাতে যোগ না দিয়ে তারাবীর জামাতে যোগ দিচ্ছেন। এর কারণ মুসল্লিদের এশার জামাতের চাইতে তারাবীর জামাতকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া।

ইবাদত-বন্দেগী
তাকওয়া অর্জনের উত্তম মৌসুম

তাকওয়া অর্জনের উত্তম মৌসুম

মানবীয় মূল্যবোধের অবক্ষয় না হলে এই উন্নতি আমাদের বসবাসযোগ্য একটি সুন্দর পৃথিবী উপহার দিত। আমরা এই মাহে রমজানে সেহরি ইফতারিসহ সব বন্দেগির মাধ্যমে আমাদের জীবনকে আলোয় আলোয় ভরে তুলতে পারি। আজ আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মানবীয় মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ করা। আর এ জন্য প্রয়োজন তাকওয়ার,যা অর্জন হয় সিয়াম পালনে। রোজা ফরজ করা হয়েছে তাকওয়াবান হওয়ার উদ্দেশ্যে আর এ উদ্দেশ্যে পৌঁছার মাধ্যম হলো সেহরি খাওয়া,ইফতার করা,সব ধরনের প্রবৃত্তির চাহিদা থেকে বিরত থাকা।

হযরত মোহাম্মদ (সা.)
মিরাজ

মিরাজ

বিশ্বমানবতার মুক্তিদূত মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (স.) নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তাঁর মক্কী জীবনের শেষ দিকে, মতান্তরে হিজরতের তিন বছর আগে রজব মাসের ২৭ তারিখের রাতে তিনি জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে বোরাক নামক বাহনযোগে মক্কা মুকাররমা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস এবং সেখান থেকে রফরফ যোগে ঊর্ধ্বালোকে পরিভ্রমণের মাধ্যমে সৃষ্টির অনন্ত রহস্য অবলোকন এবং আল্লাহপাকের পরম সান্নিধ্য অর্জন করেন। এর পর বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরে এসে সব নবী-রাসূলের ইমাম হয়ে নামাজ আদায় করে মক্কায় ফিরে আসেন। নবীজির (স.) মক্কা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসের ভ্রমনকে 'ইসরা'এবং বায়তুল মোকাদ্দাস থেকে উর্ধ্বালোকে ভ্রমনকে 'মিরাজ' বলা হয়।

ইমাম মুসা ইবনে জাফর আল কাযেম (আ.)
ইমাম মূসা কাযিম (আ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী

ইমাম মূসা কাযিম (আ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী

২৫ রজব ইমাম মূসা ইবনে জাফর আল-কাযিম (আ.)-এর শাহাদাত দিবস। ১৮৩ হিজরির এই দিনে বাগদাদে ৫৫ বছর বয়সে তদানীন্তন শাসক হারুনুর রশীদের এক চক্রান্তমূলক বিষপ্রয়োগে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। বাগদাদের কাযেমিয়ায় তাঁর মাজার রয়েছে। ষষ্ঠ ইমাম জাফর আস-সাদিক (আ.) ছিলেন তাঁর পিতা এবং হামিদা আল-বারবারিয়া ছিলেন তাঁর মাতা। ১২৮ হিজরির ৭ সফর রবিবার মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী স্থান আবওয়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

ইমাম হোসাইন (আ.)
আশুরার ঘটনাবলীঃ তাবু লুট ও অগ্নিসংযোগ

আশুরার ঘটনাবলীঃ তাবু লুট ও অগ্নিসংযোগ

ফাতেমা সোগরা বলেছেন, “আমি তাবুর দরজায় দাড়িয়ে আমার বাবার মাথাবিহীন লাশ এবং ধূলায় পড়ে থাকা প্রিয়জন-সহচরদের দেহগুলো দেখছিলাম। দুশমনের ঘোড়াগুলো যখন এসব লাশের উপর দিয়ে দলে দলে চলছিল আমি কান্নায় ফেটে পড়ছিলাম। চিন্তায় ছিলাম পিতার অবর্তমানে বনি উমাইয়া গোষ্ঠী আমাদের সাথে কি আচরণই না করে বসে। আমাদেরকে কি তারা হত্যা করে না বন্দী করে নিয়ে যায়। হটাৎ এক ব্যক্তিকে দেখলাম সে বর্শা উচিয়ে নারীদেরকে একদিকে হাকিয়ে নিয়ে যাচ্ছ। নারীগণ আশ্রয় গ্রহণ করার জন্য ছুটোছুটি করছে। এ সময় নারীদের বোরকা ও অলংকার সব লুন্ঠন হয়ে গেছে, আর নারীগণ চিৎকার দিয়ে বলছিল-

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইব্রাহীম;(১২তম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(১২তম পর্ব)

মুমিন বিশ্বাসীদের প্রতি আল্লাহর সাহায্য আসতে দেরী হলে আল্লাহ ও তার সর্বময় ক্ষমতার ব্যাপারে সন্দিহান হওয়া উচিত নয়। এছাড়া অবিশ্বাসী কাফের ও সীমালংঘনকারীদের আল্লাহ যে সময় ও সুযোগ দেন তা তাঁর প্রজ্ঞা অনুযায়ী দেয়া হয়। এ থেকে এটা ধারণা করার কোন অবকাশ নেই যে, আল্লাহ অবাধ্যচারীদের ব্যাপারে উদাসীন ও তাদের খোঁজ খবর নিতে ভুলে গেছেন।

ইমাম হোসাইন (আ.)
আশুরার ঘটনাবলীঃ যুদ্ধের ময়দানে শহীদগণের নেতা ইমাম হোসাইন (আ.)

আশুরার ঘটনাবলীঃ যুদ্ধের ময়দানে শহীদগণের নেতা ইমাম হোসাইন (আ.)

একজন বর্ণনাকারী লিখেছেনঃ আল্লাহর শপথ! দুশমন বেষ্টিত সন্তান, পরিবার ও সাথীদের লাশ চোখের সামনে। এ অবস্থায় হোসাইন (আ.) এর চেয়ে অধিক দৃঢ়চিত্ত বীর আর কেউ হতে পারে না। যখনই শত্রুবাহিনী সম্মিলিত হামলা চালাতো তিনি তাদের দিকে তরবারী হানতেন পুরো বাহিনী চতুর্দিকে নেকড়ের মত ছিটকে পড়তো। এক হাজারের অধিক সৈন্য এক সাথে তার উপর হামলা চালায়। ইমাম (আ.) এর সামনে এসে পঙ্গপালের মতো পালাতে থাকে। একটু দূরে গিয়েই বলতে থাকে-

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইব্রাহীম;(১১ম পর্ব)

সূরা ইব্রাহীম;(১১ম পর্ব)

হযরত ইব্রাহিম নিজের, নিজের পরিবারের এবং সকল বিশ্বাসী লোকের জন্য দোয়া করেন যা থেকে বোঝা যায় তিনি গোটা সমাজকে নিয়েই চিন্তা করতেন। ইসলামে এ বিষয়ে বারবার গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, নিজের চেয়ে অন্যের কল্যাণ কামনা করে বেশী বেশী দোয়া করো। কাজেই দেখা যাচ্ছে, আল্লাহর খাঁটি বান্দাগণের দোয়ার মধ্যে মহান আল্লাহর বিশালত্ব এবং তাঁর তুলনায় মানুষের অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে। এছাড়া আমাদের উচিত দোয়া করার সময় আমাদের পূর্ববর্তী বংশধরদের আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি অনাগত সন্তানদের কল্যাণ কামনা করা।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)