আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

হাদীস
হযরত আলীর (আ.) প্রতি বিশ্বনবী (সা.)এর কিছু অমূল্য উপদেশ

হযরত আলীর (আ.) প্রতি বিশ্বনবী (সা.)এর কিছু অমূল্য উপদেশ

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও মহামানব। মানুষের জন্য আত্ম-সংশোধন, সর্বোত্তম চরিত্র গঠন ও চিরস্থায়ী সুখ বা সৌভাগ্যের পথ-নির্দেশনা পাওয়া যায় এই মহামানবের বাণীতে। অমূল্য শিক্ষামূলক সেইসব দিক-নির্দেশনা ক্রমান্বয়ে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। আজ আমরা আমিরুল মু'মিনিন হযরত আলী (আ.)'র কাছে বর্ণিত বিশ্বনবী (সা.)'র কিছু অমূল্য বাণী তুলে ধরব।

হাদীস
আকল তথা বুদ্ধিবৃত্তি

আকল তথা বুদ্ধিবৃত্তি

আকল হলো অজ্ঞতা এবং নাফসের একটি বাঁধন। নাফস (প্রবৃত্তি) জঘন্যতম জন্তুর ন্যায়। যদি এ বাঁধন না থাকে, তা হলে তা পাগলা কুকুর হয়ে যায়। সুতরাং আকল হলো অজ্ঞতার বাঁধন। আল্লাহ্ আকলকে সৃষ্টি করলেন এবং তাঁকে বললেন : সামনে ফেরো। সে ফিরলো। তাকে বললেন : পেছনে ফেরো। সেও পেছনে ফিরলো। আল্লাহ্ বললেন : আমার মহিমা ও মর্যাদার শপথ, তোমার চেয়ে বড় এবং অধিক অনুগত কোনো সৃষ্টিকে আমি সৃষ্টি করি নি। তোমাকে দিয়েই শুরু করবো এবং তোমাকেই নিজ দরগাহে ফিরিয়ে আনব। পারিশ্রমিক এবং সওয়াব তোমার জন্যই। শাস্তিও তোমার ভিত্তিতেই হবে।  

ইমাম হাসান (আ.)
ইমাম হাসান (আ) এর বেদনা বিধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী

ইমাম হাসান (আ) এর বেদনা বিধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী

রাসূলে কারিম (সা) এর মহান আহলে বাইতের দ্বিতীয় ইমাম, বেহেশতের যুবকদের সর্দার, ইসলামের বিকাশ ও উন্নয়নে যাঁর ছিল অসামান্য অবদান-তিনি হলেন ইমাম হাসান (আ)। ৫০ হিজরীর ২৮শে সফর তিনি এই পার্থিব জগতের মায়া ত্যাগ করে, সমগ্র বিশ্ববাসীকে বেদনাহত করে চলে যান পরকালের অনন্ত জীবনে। ইমাম হাসান (আ) এর বেদনা বিধুর শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আপনাদের প্রতি রইলো আন্তরিক শোক ও সমবেদনা।

ইমাম হোসাইন (আ.)
কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(শেষ পর্ব)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(শেষ পর্ব)

নিঃসন্দেহে কারবালার মর্ম বিদারী ঘটনা মানব ইতিহাসের দীর্ঘ পরিক্রমায় ঘটে যাওয়া অজস্র ঘটনাবলীর মধ্যে শিক্ষা ও গুরুত্বের দিক থেকে অনন্য। এটা এমন এক মহা-বিস্ময়কর ঘটনা, যার সামনে মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষ বিশ্বের মহান চিন্তাবিদরা থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন,পরম বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে তারা স্তুতি-বন্দনায় মুখরিত হয়েছেন এই নজিরবিহীন আত্মত্যাগের। কারণ, কারবালার কালজয়ী বিপ্লবের মহানায়করা ‘অপমান আমাদের সয়না’-এই স্লোগান ধ্বনিত করে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সংখ্যায় হাতে গোনা হওয়া সত্ত্বেও খোদায়ী প্রেম ও শৌর্যে পূর্ণ টগবগে অন্তর নিয়ে জিহাদ ও শাহাদাতের ময়দানে আবির্ভূত হন এবং প্রতারণা ও প্রবঞ্চনার অধঃজগতকে পেছনে ফেলে উর্ধ্বজগতে মহান আল্লাহর সনে পাড়ি জমান।

ইমাম হোসাইন (আ.)
কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(ছয়)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(ছয়)

হযরত ইমাম হুসাইন (আ) ও আশুরার মহা-বিপ্লবও মহাকালের পাখায় চির-দেদীপ্যমান এমনই এক বিষয়। আপনি যতই বাক্যবাগীশ বা উঁচু মানের গবেষক কিংবা বিশ্লেষক হন না কেন কারবালার মহাবিপ্লব এবং এর রূপকার ও তাঁর অমর সঙ্গীদের মহত্ত্ব আর গুণ-কীর্তন পুরোপুরি তুলে ধরতে পারবেন না কখনও। তাই যুগের পর যুগ ধরে তাঁদের গুণ আর অশেষ অবদানের নানা দিক নিত্য-নতুনরূপে অশেষ সৌন্দর্যের আলো হয়ে চিরকাল প্রকাশিত হতেই থাকবে। কবির ভাষায়: যতদিন এ দুনিয়া রবে, চাঁদ সুরুজ আকাশে বইবে, তোমাদের নামের বাঁশী বাজিতে রইবে ভবে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (১৮তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (১৮তম পর্ব)

হযরত ইয়াকুব (আ.)-এর মনে একদিকে ইউসুফকে হারানো তিক্ত অভিজ্ঞতা অপরদিকে বেনইয়ামিনকে সঙ্গে না পাঠালে খাদ্যও পাওয়া যাবে না,তাই তিনি আল্লাহর ওপর নির্ভর করলেন এবং বেনইয়ামিনের নিরাপত্তার ভার তাঁর ওপরই ন্যস্ত করলেন। কঠিন সময়ে আল্লাহর ওপর নির্ভরতা একদিকে মনকে যেমন প্রশান্ত করে তেমনি এতে ঈমানের দৃঢ়তা বৃদ্ধি পায়। আল্লাহর ওপর অকৃত্রিম নির্ভরতা ঐশী সাহায্যকে অনিবার্য করে তোলে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (১৭তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (১৭তম পর্ব)

কঠিন বা সংকটময় সময়ে সবার সঙ্গে সমান আচরণ করা উচিত হযরত ইউসুফ (আ.) এর নির্দেশ থেকে আমরা এই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি। তাছাড়া যে ভাই'রা তার প্রতি চরম অন্যায় করেছে,তাকে নির্মমভাবে হত্যা করার ব্যর্থ ষড়যন্ত্র করেছে, তাদের প্রতি প্রতিশোধ গ্রহণের কোনো চিন্তা করলেন না; এটাই নবী-রাসূলদের শিক্ষা।

ইমাম হোসাইন (আ.)
ইমাম হোসাইনের হন্তাকারীদের করুণ পরিণতি

ইমাম হোসাইনের হন্তাকারীদের করুণ পরিণতি

কারবালার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের হাজারো করুণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার একটি। ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ই মহররম কারবালার ময়দানে ইমাম হোসাইন (আ.) ও ইয়াজিদ বাহিনীর মধ্যে এ অসম যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই ঘটনার নেপথ্যে যারা কাজ করছে তারা ইতিহাসের পাতায় ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে।

ইমাম হোসাইন (আ.)
কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(পাঁচ)

কারবালার কালজয়ী মহাবিপ্লব-(পাঁচ)

আশুরার পূর্ব দিন অর্থাৎ ৬১ হিজরির নয়ই মহররম কুফায় ইয়াজিদের নিযুক্ত কুখ্যাত গভর্নর ইবনে জিয়াদ ইমাম হুসাইন (আ.)’র ছোট্ট শিবিরের ওপর অবরোধ জোরদারের ও হামলার নির্দেশ দেয়। এর আগেই আরোপ করা হয়েছিল অমানবিক পানি-অবরোধ। পশু-পাখী ও অন্য সবার জন্য ফোরাতের পানি ব্যবহার বৈধ হলেও এ অবরোধের কারণে কেবল নবী-পরিবারের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় এই নদীর পানি। ইয়াজিদ বাহিনীর সেনা সংখ্যাও ক্রমেই বাড়তে থাকে এবং দশই মহররমের দিনে তা প্রায় বিশ বা ত্রিশ হাজারে উন্নীত হয়।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউসুফ; (১৬তম পর্ব)

সূরা ইউসুফ; (১৬তম পর্ব)

কুপ্রবৃত্তির তাড়নায় বা ইন্দ্রীয় পরায়ণতার কারণে মানুষ পাপের দিকে পা বাড়ায়। মানুষ যখন প্রবৃত্তির দাসে পরিণত হয় তখনি তার মধ্যে পশুসুলভ আচরণ স্বাভাবিকে পরিণত হয়। তখন মানুষ আর তার পরিণতির কথা ভাবতে পারে না। এ অবস্থায় একমাত্র আল্লাহর বিশেষ রহমত বা অনুগ্রহ ছাড়া কারো পক্ষে কুপ্রবৃত্তিকে দমন করা সম্ভব নয়। আর যারা আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সব কাজে তারই সাহায্য কামনা করে একমাত্র তারাই আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করে থাকে।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)