আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ধর্ম এবং মাযহাব
গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি

গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি

জিহ্বার দ্বারা যে সব কঠিন পাপ কাজ সংঘটিত হয় তার অন্যতম হল গীবত। গীবত একটি মারাত্মক ব্যাধি। গীবত করার ফলে মানুষের অন্তর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে তা আল্লাহর ক্ষমা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যের ছিদ্রান্বেষণ ও গীবত বর্তমানে আমাদের অনেকেরই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে আমরা এর কুফল বেমালুম ভুলে গেছি। বড় ও ছোট কেউই এ দোষ থেকে মুক্ত নয়।

কোরআনের তাফসীর
সূরা আত তাওবা; (১৯তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৯তম পর্ব)

ইসলামী বিধান এবং ঈমানদার মুসলমানদের নিয়ে বিদ্রুপ বা উপহাস করা অত্যন্ত জঘন্য পাপ, যা বিদ্রুপকারীকে কুফরিতে নিমজ্জিত করে। ফলে এ ধরনের পাপাচারী সৎপথে ফিরে আসার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। এই আয়াতে এটাই বুঝানো হয়েছে যে, আল্লাহ ও তার নবী-রাসূলরা ক্ষমার ব্যাপারে কোনো কার্পণ্য করেন না। কিন্তু কিছু মানুষ এতবেশি অন্যায় ও পাপে লিপ্ত হয় যে তারা ক্ষমা লাভের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা আত তাওবা; (২০তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (২০তম পর্ব)

সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের প্রাচুর্য সব সময় সবার জন্য কল্যাণ ও প্রশান্তি বয়ে আনে না। এসব অনেকের জন্য অশান্তি ও ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই কারো বাহ্যিক প্রতিপত্তি দেখে হীনমন্যতায় ভোগা উচিত নয়। কারণ মানসিক ও পারিবারিক প্রশান্তিই মানুষের বড় সফলতা। সম্পদের আধিক্য সব সময় এই প্রশান্তি বয়ে আনতে পারে না।

নৈতিকতা ও মূল্যবোধ
কোরআন মজীদে মানব চরিত্রের নেতিবাচক দিকের উদ্ঘাটন

কোরআন মজীদে মানব চরিত্রের নেতিবাচক দিকের উদ্ঘাটন

কোরআন মজীদ সকল জ্ঞানের আধার। আয়তনের বিচারে কোরআন মজীদ কোনো বিশাল গ্রন্থ নয়; নিজস্ব বিশেষ বাচনভঙ্গির সহায়তায় এতে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সমস্ত জ্ঞান নিহিত রাখা হয়েছে। ফলে সাধারণভাবে আমরা যখন কোরআন পাঠ করি তখন এর অনেক জ্ঞানই আমাদের নযরে আসে না। কিন্তু এর জ্ঞানভাণ্ডারের সাথে পরিচিত হবার উদ্দশ্যে অনুসন্ধিৎসা সহকারে বার বার অধ্যয়ন করলে এ থেকে নিত্য নতুন এমন সব জ্ঞানসম্পদ বেরিয়ে আসে যা যে কাউকে বিস্ময়ে হতবাক করার জন্য যথেষ্ট।

ইবাদত-বন্দেগী
দুই নামাজ একসাথে পড়ার শরয়ী দললি

দুই নামাজ একসাথে পড়ার শরয়ী দললি

এ প্রবন্ধে আমরা পবিত্র কোরআন, রাসূল (সা.) এবং মাসুম ইমামগণ (আ.) থেকে বর্ণিত প্রসিদ্ধ রেওয়ায়েতের আলোকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে দু’টি নামায এক সাথে আদায় প্রসঙ্গে তথ্য-সমৃদ্ধ আলাচনা ও পর্যালোচনা করব :  

ইসলামী বিশ্বাস
আল্লাহ জীবিকা দানকারী

আল্লাহ জীবিকা দানকারী

আল্লাহ জীবিকা দানকারী। এর অর্থ এ নয় যে,জীবিকা অন্বেষণের জন্য কোন চেষ্টার প্রয়োজন নেই বা ঘরের বাইরে বের হবার প্রয়োজন নেই;জীবিকা নিজের থেকেই অনুসন্ধানকারীর কাছে হাজির হবে। তিনি জীবিকা দানকারী,একথার অর্থ হলো,তিনি মাটিকে উৎপাদনের সকল গুণাগুণ দান করেছেন,অঙ্কুরিত হবার জন্য বৃষ্টি দিয়েছেন,শস্য-কণা,ফল-ফলাদি ও শাক-সবজি সৃষ্টি করেছেন। এসব কিছুই আল্লাহ প্রদত্ত কিন্তু এগুলো সংগ্রহ করা মানুষের চেষ্টার সাথে সম্পৃক্ত। যে কেউ সংগ্রহে চেষ্টা করবে। সে তার চেষ্টার ফল পাবে,আর যে চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকবে সে তার অলসতার ফল ভোগ করবে। আল্লাহ বলেনঃ মানুষ চেষ্টা ছাড়া কিছুই পায় না (সূরা আন-নাজম, আয়াত নং-৩৯)  

কোরআনের তাফসীর
সূরা আত তাওবা; (১৮তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৮তম পর্ব)

আসলে মুখ এবং আচরণে যদি কপটতা থাকে তাহলে এক সময় মানুষের অন্তর ও স্বভাব কপটতায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। দরিদ্র এবং অসহায়-নিঃস্ব মানুষকে দান করার ব্যাপারে যারা কার্পণ্য করে তারা দুনিয়ার জীবনেই অশান্তি ও দুঃখ-যাতনায় নিষ্পেষিত হয়। এ জন্য আল্লাহর অনুগ্রহের ব্যাপারে কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।  

কোরআনের তাফসীর
সূরা আত তাওবা; (১৭তম পর্ব)

সূরা আত তাওবা; (১৭তম পর্ব)

সৎকাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং অসৎকাজে বিরত রাখা ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এই বিধানের কারণে ব্যক্তিগত পর্যায়ের বাইরেও সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের প্রতি দৃষ্টি রাখা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।

কিয়ামত
পরকালের জন্য প্রস্তুতি এবং আল্লাহর আদেশ পালন

পরকালের জন্য প্রস্তুতি এবং আল্লাহর আদেশ পালন

মিথ্যার বিরুদ্ধে নিজেকে সতর্ক রেখো,কারণ মিথ্যা ইমানের বিপরীত। একজন সত্যবাদী মুক্তি ও মর্যাদার শিখরে। অপরপক্ষে একজন মিথ্যাবাদী অমর্যাদা ও হীনতার শেষ সীমায়। কখনো ঈর্ষাপরায়ণ হয়ো না। কারণ হিংসা ইমানকে খেয়ে ফেলে; যেভাবে আগুন শুকনো কাঠকে খেয়ে ফেলে। বিদ্বেষপরায়ণ হয়ো না। কারণ বিদ্বেষ সদগুণাবলীকে মুছে দেয়। জেনে রাখো,কামনা বুদ্ধিমত্তাকে লোপ করে এবং স্মৃতিতে বিস্মরণ ঘটায়। কামনাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা তোমাদের উচিত,কারণ এটা এক প্রকার ছলনা এবং যার কামনা আছে সে ধোকায় লিপ্ত ।  

প্রশ্ন উত্তর
পবিত্র কোরআনের দৃষ্টিতে কি শাফাআত বৈধ?

পবিত্র কোরআনের দৃষ্টিতে কি শাফাআত বৈধ?

হাশরের ময়দানে শাফাআত স্বাধীনভাবে করা হবে না, বরং তা মহান আল্লাহ‌্‌র অনুমতিক্রমেই হবে। অর্থাৎ শাফাআতের ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা হচ্ছে এই যে, এ বিষয়টি হচ্ছে একান্তভাবে মহান আল্লাহ‌্‌র। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহান প্রভুর কৃপা ও অনুগ্রহে অন্যরাও (যেমন মহান আল্লাহ্‌র নবী ও ওয়ালিগণ) তাঁর অনুমতি নিয়ে শাফাআত করতে পারবেন।...  

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)