আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ধর্ম এবং মাযহাব
আহকাম বা বিধিবিধান জানার পথ

আহকাম বা বিধিবিধান জানার পথ

মুকাল্লিফ দ্বীনি বিধান সম্পর্কে জানার ও সে অনুযায়ী আমল করার জন্য তিনটি কাজ ও পন্থা অবলম্বন করতে পারে: ১. ইজতিহাদ করা ২. ইহতিয়াত ও সতর্কতা অবলম্বন  ৩. তাকলিদ

ধর্ম এবং মাযহাব
তাকলিদ

তাকলিদ

যে কোন বুদ্ধিমান ও আকলসম্পন্ন মানুষ তার প্রাত্যহিক জীবনে যে সকল বিষয়ে নিজে অবগত নয় বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে থাকে; তেমনিভাবে ধর্মীয় বিষয়েও যেহেতু সে বিশেষজ্ঞ নয় সেহেতু তাকে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞের (মার্জায়ে তাকলিদ) শরণাপন্ন হতে হয়। এরূপ শরণাপন্ন হওয়াকেই ‘তাকলিদ’ বা অনুসরণ বলা হয়।

ধর্ম এবং মাযহাব
‘হুকম’ ও ‘ফতওয়া’ এ দুই পরিভাষার মধ্যে পার্থক্য

‘হুকম’ ও ‘ফতওয়া’ এ দুই পরিভাষার মধ্যে পার্থক্য

‘হুকম’ হল শরীয়তের বৈধ শাসক ও ফকিহ আলেম কর্তৃক কোন ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় বিধানকে কার্য্ কর ও বাস্তবায়নের স্থান অথবা সময় অথবা তার বিষয়বস্তু ও দৃষ্টান্তকে নির্ধারণ করা এবং কল্যাণ চিন্তার ভিত্তিতে কোন কাজকে সম্পাদন অথবা পরিত্যাগের আবশ্যকতা ঘোষণা। আর ‘ফতওয়া’ ফকিহদের পরিভাষায় বিশেষজ্ঞ ফকিহ কর্তৃক আল্লাহর বিধান বর্ণিত হওয়া

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ; (১৯তম পর্ব)

সূরা হুদ; (১৯তম পর্ব)

পবিত্র কুরআন কয়েক হাজার বছর আগের এই ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেছে এবং লুত সম্প্রদায়ের পরিণতি সম্পর্কে মানব জাতিকে সতর্ক করে দিয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, যে বিকৃত মানসিকতার জন্য কওমে লুত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল, বর্তমান সভ্য যুগে বিশ্বের অনেক জায়গায় তা অবাধে চলতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি সভ্যতার দাবিদার অনেক পশ্চিমা দেশ সমকামীতার মত নিকৃষ্ট পাপাচারকে বৈধতা দিয়েছে। পাপ মানুষকে অন্ধ করে ফেলে, অতিরিক্ত পাপের ফলে মানুষের বিবেক ও বোধশক্তি লোপ পায়। পরিণতিতে মানুষ ভালোকে খারাপ ও খারাপকে ভালো মনে করতে থাকে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ;(১৮তম পর্ব)

সূরা হুদ;(১৮তম পর্ব)

হযরত লুত (আ.) তার সম্প্রদায়ের মানুষের নোংরা অভিপ্রায়ের ব্যাপারে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। বিকৃত মানসিকতার এসব মানুষ তাদের অভিলাষ চরিতার্থ করার জন্য হযরত লুত (আ.)এর বাড়ীর সামনে ভিড় জমালো। হযরত লুত (আ.) তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমরা আমার কন্যাদেরকে বিয়ে করতে পার। আল্লাহকে ভয় কর এবং পাপের পথ থেকে ফিরে আস। আমার ঘরে যেসব তরুণ রয়েছে তারা আমার অতিথি, তোমরা অতিথিদের সামনে আমার অমর্যাদা কর না।

সমাজ এবং পরিবার
বন্ধু নির্বাচনে ইসলামের নীতিমালা

বন্ধু নির্বাচনে ইসলামের নীতিমালা

মানুষ সামাজিক জীব। এর মানে হলো- মানুষ একা হলেও সে একটি সমাজের অংশ। সমাজ গড়ে ওঠে সমষ্টিকে নিয়ে, একাকি সমাজ গঠিত হয় না। সমাজে বিচিত্র শ্রেণীর লোক বাস করে। একেক জনের পেশা একেক রকম। তাই সমাজে একজনকে আরেকজনের প্রয়োজন পড়ে।

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ;(১৭তম পর্ব)

সূরা হুদ;(১৭তম পর্ব)

হযরত ইব্রাহীম (আ.)এর স্ত্রী সারা পাশে দাঁড়িয়ে ফেরেশতাদের কথা শুনছিলেন। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। এখন বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের জন্ম দেবেন এ কথা শুনে তিনি অভিভূত হয়ে পড়েন। হযরত ইব্রাহীম (আ.)ও ঐ সময় যথেষ্ট বৃদ্ধ ছিলেন। তাই ঐ পড়ন্ত বয়সে সন্তান জন্ম দেয়ার বিষয়টি অবাক করার মতই ঘটনা! কিন্তু আল্লাহর অসাধ্য কিছুই নেই, সব কিছুই তার ইচ্ছার অধীন। হ্যাঁ, পার্থিব জগতের কোন কিছু আল্লাহর শক্তির সঙ্গে তুলনা হয় না। তিনি অসীম ও পরাক্রমশালী।

ধর্ম এবং মাযহাব
ইসলামে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের স্বাধীনতা

ইসলামে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের স্বাধীনতা

ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার তার মুসলমান অধিবাসীদের থেকে যে পরিমাণ অর্থ কর (যেমন: আয়কর, খাজনা ও ভূমিকর প্রভৃতি) হিসেবে গ্রহণ করে থাকে, তার ইহুদী ও খ্রিষ্টান নাগরিকদের থেকে জিযিয়া হিসাবে তার চেয়েও কম অর্থ গ্রহণ করে থাকে। এটি যথার্থ হিসেব করেই করা হয়ে থাকে। মুসলমানরা খুম্স ও যাকাত দেয়া ছাড়াও ইসলামী রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কখনো কখনো নিজের উপার্জন ও মূলধন হতেও খরচ করতে বাধ্য। অন্যদিকে ইহুদী ও খ্রিষ্টানরা ইসলামের নিরাপত্তার পতাকাতলে জীবন যাপন করবে, তাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত অধিকারগুলো ভোগ করবে অথচ তারা ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকারকে রক্ষার জন্য যুদ্ধ করতে ও এজন্য অর্থ খরচ করতে বাধ্য নয়। তাই এটি অন্যায্য কোন বিষয় নয়।

নারী বিষয়ক
ইসলামী হিজাব (পর্দা) - প্রথম প্রবন্ধ

ইসলামী হিজাব (পর্দা) - প্রথম প্রবন্ধ

মেয়েদের হিজাব বা শালীন পোষাক সম্পর্কে ইসলামের বিশেষ দর্শন রয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করি, যা ইসলামী ‘হিজাব’ এর ভিত্তি। ‘হিজাব’ শব্দটির একটি প্রচলিত শাব্দিক অর্থের কারণে অনেকের মনে এ ধারণা তৈরী হয়েছে যে, ইসলাম চায় মেয়েরা গৃহবন্দী হয়ে পর্দার আড়ালে থাকুক। অথচ মেয়েদের পর্দা করার অর্থ এই নয় যে, তারা কখনো ঘরের বাইরে যেতে পারবে না। ইসলামে মেয়েদের জন্য পর্দাপ্রথা থাকার অর্থ এই নয় যে, তারা ঘরে বন্দী হয়ে থাকবে। ইসলাম পর্দার মাধ্যমে মেয়েদের আটক করে রাখতে চায় না; বরং ...

কোরআনের তাফসীর
সূরা হুদ;(১৬তম পর্ব)

সূরা হুদ;(১৬তম পর্ব)

বন্যা-খরা এবং ভূমিকম্পের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভালো-মন্দ, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সকল মানুষ সমানভাবে আক্রান্ত হয়। কিন্তু যা পাপের পরিণতিতে ঐশী শাস্তি হিসাবে আপতিত হয় তা থেকে মুমিন বিশ্বাসীরা উদ্ধার পান এবং অবিশ্বাসী কাফিররাই তাতে আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এজন্যই সামুদ জাতির উপর যখন ঐশী শাস্তি নেমে আসে তখন হযরত সালেহ (আ.) এবং তার সঙ্গী মুমিনরা উদ্ধার পান এবং একমাত্র অপরাধী যারা তারাই পর্যুদস্ত হয়।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)