আল হাসানাইন (আ.)

প্রবন্ধ

ইতিহাস বিষয়ক
বিশ্ব আল কুদস দিবস

বিশ্ব আল কুদস দিবস

আল-কুদস দিবস বা আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস  ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকার মরহুম ইমাম খোমেনী (রহ.) এর আহবানে ১৯৭৯ সালে ইরানে প্রথম শুরু হয়েছিল। এ দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ, জায়নবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ এবং ইসরাইল কর্তৃক জেরুযালেম দখলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ। জেরুযালেম শহরের অপর নাম ‘কুদস’ বা ‘আল-কুদস’।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউনুস;(১৬তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৬তম পর্ব)

কঠিন ও দুঃসময়ে ঈমানদারদের একমাত্র আশ্রয় হচ্ছে মহান প্রতিপালক আল্লাহ। যারা আল্লাহর ওপর নির্ভর করে, আল্লাহও তাদের কথার জবাব দেন। এজন্য ঈমানদার মুসলমানরা কোন বিপদে বিচলিত না হয়ে আল্লাহর ওপর নির্ভর করে কাজ করেন এবং তারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউনুস;(১৫তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৫তম পর্ব)

মহান আল্লাহ বিপথগামী মানুষদের হেদায়েতের জন্য আবার যুগে যুগে নবী-রাসূলদের পাঠাতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় হযরত ইব্রাহিম, ইসমাইল, হুদ, সালেহ, ইয়াকুব ও ইউসুফ (আ.)-এর আগমন ঘটে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই গোয়ার্তুমির কারণে সত্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে। হযরত মুসা (আ.)কে তার ভাই হারুনসহ ফেরাউনের কাছে পাঠানো হয় কিন্তু অভিশপ্ত ফেরাউন হযরত মুসার একত্ববাদের আহবান প্রত্যাখ্যান করে। আত্মম্ভরিতা এবং অহংবোধের কারণে ফেরাউনের পক্ষে সত্যের বাণী গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

ইতিহাস বিষয়ক
ফিলিস্তিন ও যায়নবাদ প্রসঙ্গ :  একটি ইতিহাসভিত্তিক পর্যালোচন

ফিলিস্তিন ও যায়নবাদ প্রসঙ্গ : একটি ইতিহাসভিত্তিক পর্যালোচন

ফিলিস্তিন ইস্যুটি বর্তমান মানব বিশ্বের অন্যতম একটি বিষাদঘন ইস্যু। মানব ও মানবাধিকার সম্পর্কে যার সামান্যতম অনুভূতি রয়েছে এবং নিজেকে নিপীড়িত মানুষদের পক্ষে বলে মনে করে,এ ইস্যুতে তার নির্লিপ্ত থাকার অবকাশ নেই;বরং এর সাথে নিজের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক অনুভব করা উচিত। কেননা,ফিলিস্তিনের দুঃখণ্ডদুর্দশা ইতিহাসে দ্বিতীয়টি পাওয়া দুরূহ,যেখানে একটি জাতি এভাবে প্রায় অর্ধ শতাব্দীর অধিককাল যাবৎ বিশ্ববাসীর চোখের সামনে নিদারুণভাবে নিগৃহীত ও নিপীড়িত হয়ে চলেছে। অথচ নিপীড়ক জাতি বিশ্বের সমর্থন ও মদদপুষ্ট হয়েছে,আর নিপীড়িত জাতি চিহ্নিত হয়েছে সন্ত্রাসী হিসাবে!

ইতিহাস বিষয়ক
ইহুদী জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ইহুদী জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

এ প্রবন্ধে হযরত মূসা (আ.)-এর যুগ থেকে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগ পর্যন্ত ইহুদী জাতির একটি সার্বিক রাজনৈতিক অবস্থা সংক্ষিপ্তাকারে চিত্রিত হয়েছে । আমরা ‘নিকট প্রাচ্যের গীর্জাসমূহের সংঘ’ কর্তৃক প্রকাশিত পবিত্র বাইবেল বা ‘কিতাব-ই মুকাদ্দাসের অভিধান’ নামক গ্রন্থ এবং মরহুম মুহাম্মদ ইয্যাত দ্রুযেহ্ প্রণীত ‘ইহুদীদের গ্রন্থসমূহের ভিত্তিতে তাদের ইতিহাস’- এ দু’গ্রন্থের ভিত্তিতে আমরা তাদের এ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস রচনা করেছি ।

ইতিহাস বিষয়ক
ইসরাইল : পৈশাচিকতার জীবন্ত প্রতিমূর্তি

ইসরাইল : পৈশাচিকতার জীবন্ত প্রতিমূর্তি

যায়নবাদী ইহুদিরা ফিলিস্তিনের বুকে তাদের বসতি স্থাপনের সূচনা থেকেই স্থানীয় আরব অধিবাসীদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন,জোর-যুলুম,লুণ্ঠন,হত্যা ও উৎখাত তৎপরতা চালিয়ে আসছে। এটা জোরের সাথেই বলা যায় যে,মানব প্রজাতির ইতিহাসে ‘জাতি’ হিসেবে অন্য কোন জাতিই এহেন পৈশাচিকতার আশ্রয় গ্রহণ করে নি।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউনুস;(১৪তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৪তম পর্ব)

ইসলাম হচ্ছে খাঁটি একত্ববাদের ধর্ম। মুসলমান হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হচ্ছে, তাকে বিশ্বাস করতে হবে আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো সমকক্ষ নেই এবং কোনো শরীক বা অংশীদার নেই। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং মহাপরাক্রমশালী। অক্ষমতা, দুর্বলতা এসব তাঁর ক্ষেত্রে অকল্পনীয়। তাঁর কোনো অভাব নেই, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। সব কিছুই তাঁর সৃষ্টি এবং সব সৃষ্ট বস্তুরই তিনি স্রষ্টা। কিন্তু তিনি নিজে সম্পূর্ণ অবস্তুগত সত্ত্বা।

কোরআনের তাফসীর
সূরা ইউনুস;(১৩তম পর্ব)

সূরা ইউনুস;(১৩তম পর্ব)

প্রকৃত ঈমানদারদের প্রতি আল্লাহ তায়ালার অন্যতম একটি বড় অনুগ্রহ হচ্ছে, তিনি তাঁর এসব প্রিয় বান্দাকে মানসিক প্রশান্তি দান করবেন এবং তাদের মন থেকে দুঃখবোধ, দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ দূর করে দেবেন। এটা অনস্বীকার্য যে মানসিক প্রশান্তি একটি দুর্লভ ব্যাপার। ধন-সম্পদের প্রাচুর্য এবং সামাজিক প্রতিপত্তির মাধ্যমেও মানসিক প্রশান্তি অর্জন করা যায় না। আল্লাহতায়ালা শুধুমাত্র সতকর্মশীল, ঈমানদার বান্দাদেরকেই এই নেয়ামত দিয়ে থাকেন।

হযরত মোহাম্মদ (সা.)
উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজা (আ.)

উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজা (আ.)

ইসলামের বিকাশ-বিস্তারের জন্য যাদের অবদান সবচেয়ে বেশী হযরত খাদীজা (আ.) তাঁদের অন্যতম। কারণ, তিনি ছিলেন হযরত রাসূলে আকরাম (সা.) -এর ওপর ঈমান আনয়নকারী প্রথম ব্যক্তি। শুধু তা-ই নয়, তিনি তাঁর প্রভূত ধন-সম্পদের সবই ইসলামের খেদমতে ব্যয় করার জন্য হযরত রাসূলে আকরাম (সা.) -এর হাতে তুলে দিয়েছিলেন। বস্তুতঃ ইসলামের সেই প্রাথমিক যুগে ইসলাম প্রচারের জন্যে হযরত খাদীজা (আ.)-এর সম্পদের সহায়তা না হলে ইসলামের যাত্রাপথ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কঠিন হতো।  

কোরআন বিষয়ক জ্ঞান
অবিকৃত গ্রন্থ আল-কোরআন

অবিকৃত গ্রন্থ আল-কোরআন

এ প্রবন্ধের উদ্দেশ্য হল শিয়া-সুন্নি উভয় মাজহাবের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কোরআন অবিকৃত থাকার সপক্ষে উপস্থাপিত প্রমাণসমূহ সম্পর্কে অবগতি, বাহ্যদৃষ্টিতে যে সকল হাদীস থেকে কোরআন বিকৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হয় তার সমাধান ও ব্যাখ্যা, কোরআনের সমগ্র বাণী ও মূলপাঠ্য নির্ভরযোগ্য হওয়ার বিষয়টি প্রমাণের পদ্ধতি সম্পর্কিত পর্যালোচনা এবং কোরআনের বাণীর বাহ্যিক অর্থের প্রামাণ্যতার ক্ষেত্রে তার প্রভাব।

আপনার মতামত

মন্তব্য নেই
*
*

আল হাসানাইন (আ.)